ঢাকা, রবিবার, ১১ মাঘ ১৪২৬, ২৬ জানুয়ারি ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

আনতালইয়া এক প্রাচীণ জনপদের হাতছানি: তৃতীয় পর্ব

ফাতিমা জাহান : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১২-৩০ ২:৩৮:২৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১২-৩১ ১২:৩৪:৩৬ পিএম

আনতালইয়া শহরে আমার তৃতীয় দিন। ঠিক করলাম- অলিম্পাস যাব; স্থানীয় ভাষায় বলে অলিম্পুস। আনতালইয়া শহর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। যাবার পদ্ধতি সব জায়গার জন্য একই- ট্রামে অতোগার। সেখান থেকে বাসে চেপে গন্তব্য। আগের দিন আমার পূণ্যভূমি থেকে ঘুরে এসেছি। ফিরতে অনেক রাত হয়েছে। উঠেছিও বেশ বেলা করে। রিসিপশনিস্ট হাফিযেহ বলল, খুব বেশি দূরে নয়; তুমি ধীরেসুস্থে যেতে পার।

আমিও হেলেদুলে সময় নিয়ে নাস্তা সারলাম। দশটার দিকে জমিদারের চালে বের হলাম যেন এরই মধ্যে হোটেলটা আমার আবাসস্থল হয়ে গিয়েছে আর আনতালইয়া আমার শহর। ট্রামে কত মানুষের দেখা মেলে! সব মানুষ এত সুন্দর যে চোখ ফেরানো যায় না। একেকজন যেন গ্রীক দেব-দেবী! অতোগারেও মহানুভব মানুষের অভাব নেই। জিজ্ঞেস করলেই দেখিয়ে দেয় কোন বাস কোথা থেকে ছাড়ে। অথচ বাংলাদেশে পথের দিশা জানতে চেয়ে কতই না হেনস্তা হতে হয়েছে! কতবার উল্টো পথ দেখিয়ে দিয়েছে মানুষ।

অতোগার থেকে পেয়ে গেলাম মিনিবাসের মতো ছোট একটা বাস; যাবে অলিম্পাস। বড় বড় বাসে অনেক সুযোগ-সুবিধা থাকলেও ছোট বাসে যে বসার পরই এক গ্লাস পানি সামনে তুলে ধরবে তা কখনো ভাবিনি। পথের মাঝখানে বাস থামিয়ে যাত্রীও তুলছে তবে ভিড় নেই বা নেই কোন বিশৃঙ্খলা। পথঘাট সেই চিরচেনা পাহাড়ে ঘেরা সবুজ বনানী। যেতে যেতে পাশে ছাদ খোলা ক্যাবরিওলেট গাড়িতে দেখি জর্জ ক্লুনি বসে আছেন ড্রাইভিং সিটে। ধাক্কা খেতে খেতে খেলাম না। আগেও তুর্কী দেশে সিনেমার নায়ক নায়িকা সদৃশ্য মানুষের দেখা পেয়েছি। আমার তাহলে হলিউড গিয়ে কাজ নেই। এখানে পথে প্রান্তরে অনেককেই যে দেখতে পাচ্ছি!

ঘণ্টাদেড়েকের মধ্যে পৌঁছে গেলাম অলিম্পাস। নেমে বুঝতে পারলাম না কোন দিকে হাঁটা দেব? হাফিযেহ তো বলেছিল হেঁটেই যাওয়া যাবে। সামনে একটা রেস্টুরেন্ট যেখানে কয়েকজন স্থানীয় বসে ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন ইংরেজি জানেন। তিনি জানালেন আরেকটি বাসে চড়ে এখান থেকে আরো ৮ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে অলিম্পাস যেতে হবে। আমাকে আরো বললেন দুপুরের খাবার খেয়ে নিতে। সেখানে কিছু নাও পাওয়া যেতে পারে। ভদ্রলোকের নাম কেমাল। এই এলাকার রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের চিফ ইঞ্জিনিয়ার। সাথের দুজন তার সহকারী, তারা সবাই ইউনিফর্ম পরে ছিলেন। কেমাল আঙ্কেল বললেন, তিনি ভারতে না গেলেও কর্মসূত্রে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে গিয়েছিলেন। সে দেশের আম খেয়ে যারপরনাই পুলকিত! কারণ তুরস্কে আম পাওয়া যায় না। এও বললেন যে, পাকিস্তানিদের তার খুব ভালো লেগেছে আচার আচরণের দিক থেকে। সেক্ষেত্রে আফগানদের তেমন ভালো লাগেনি। ভারতেও বেড়াতে আসতে চান আমের মৌসুমে। কেমাল আঙ্কেলের দুজন সঙ্গীর একজনের হাতে ট্যাটু করা নেতা কামাল আতাতুর্কের ছবি। খুব অদ্ভুত লাগলো আবার ভালোও লাগলো- জাতির জনকের প্রতি এহেন শ্রদ্ধা খুব কম মানুষই দেখাতে পারে৷   

 

 

খেয়ে চললাম অলিম্পাস। বাসে আমি ছাড়া সকল যাত্রী ইউরোপিয়। অলিম্পাসে বিচ ডেস্টিনেশন ছাড়াও বেশ কয়েকটি সুউচ্চ পাহাড় আছে। হাইকিংয়ের জন্য আদর্শ জায়গা। আর ট্যুরিস্টও খুব বেশি আসে না। খুব পরিচিত ট্যুরিস্ট স্পট নয়। আমার নামটা খুব আকর্ষণীয় মনে হয়েছে তাই চলে এসেছি। অবশ্য এত অল্প সময় নিয়ে আসা ঠিক হয়নি। দিনে দিনে ফিরে না গিয়ে দু’একদিন থাকা উচিৎ। পাহাড়ে চড়া উচিৎ। তুরস্কে পাহাড়ের ছড়াছড়ি। অথচ কোন পাহাড়েই তো চড়লাম না এখনো! 

লাইসিয়ান রাজা এই রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেন আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে। আধুনিক গ্রাম এবং নির্জন সমুদ্রসৈকতের কারণে এলাকাটি সমৃদ্ধশালী হয়ে ওঠে। প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে গ্রামটির ধ্বংসস্তূপের সঙ্গে পরিচয়। কোন দেয়ালই ঠিকমতো টিকে নেই। আমি গ্রামের উত্তর দিকটায় ঢুকেছি। প্রশস্ত পাথুরে পথ আর পথের পাশে অর্ধভগ্ন বাড়িঘর। বলা হয়ে থাকে বাইজেন্টাইন শাসনামলে গ্রামটি সমৃদ্ধশালী ছিল। এরপর ভূমিকম্প ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গ্রামটি ভগ্নস্তূপে পরিণত হয়। পঞ্চদশ শতাব্দীর পর গ্রামটির কথা আর কেউ মনে রাখেনি। এখন মনোহর ট্যুরিস্ট স্পট। হাতের বাঁ পাশে গীর্জা যার পলেস্তারাহীন তিনটি ভাঙা দেয়াল দাঁড়িয়ে আছে, ছাদ নেই। আরো খানিকটা এগোলে কিছু ছাদহীন পলেস্তারাহীন বাড়িঘর চোখে পড়বে, যেগুলোকে কাঠের লম্বা স্ট্যান্ডের উপর ভর দিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। মাঝখানে জলাধার। আরো খানিক এগিয়ে বাঁ পাশে জঙ্গলের মধ্যে একটি পথ চলে গিয়েছে। আশেপাশে কেউ নেই, পিনপতন নীরবতা।

জঙ্গলের ভেতরে ঢুকে ধাতস্থ হতে সময় লাগলো। এ যে একটি আস্ত গ্রাম, যে গ্রাম আমি চিনি। মনে হচ্ছে এখানে আমি আগেও বহুবার এসেছি। ভগ্নপ্রায় ঘরবাড়ি, গাছগাছালির ছায়াবৃত সরু পথ। পথিমধ্যে জলাধার। পার হবার জন্য ছোট সাঁকো। জঙ্গলজুড়ে পাখির ডাকাডাকি আর কিছুদূর পরপর ভাঙ্গা ঘরবাড়ি। আমি ছোটবেলায় স্বপ্ন দেখতাম এরকম একটা জঙ্গলে হারিয়ে গিয়েছি থ্রিলার গল্পের মতো। পোড়োবাড়ির আশপাশ একই রকম জনমানবহীন। তবে শান্ত আর মাঝে মাঝে জলের শব্দ শোনা যাচ্ছে। পুরো জায়গাটা জঙ্গলের কারণেই বাইরে থেকে বেশি ঠান্ডা। কয়েকটি বাড়ি পেরিয়ে মিলল একটি উপাসনালয়। এটিরও ছাদ নেই। পাশে লেখা আছে, এটি নাকি বিভিন্ন রঙের মোজাইক দিয়ে ডিজাইন করা ছিল একসময়। এখন মোজাইকের কিছুমাত্র অবশিষ্ট নেই। মোজাইক থাকুক বা না-থাকুক এখানে লুকিয়ে থাকলে কেউ খুঁজে পাবে না ইহজীবনে। উপাসনালয়ের পাশে একটি কবরস্থান। পাথরের তৈরি কয়েকটি কফিন রাখা আছে। কফিনের ডালায় খোদাই করা চিহ্ন, নকশা। ভেতরে কি আছে খোদা মালুম! এত পুরনো মৃতদেহ থাকার কথা নয়, থাকবেও না। আরো খানিক এগুলেই ছোট একটি নদী। স্বচ্ছ জল, আর গাছের ডালপালা সে জলাধারের উপর ঝুঁকে যেন নিজের ছায়া দেখছে। এমন জায়গায় থাকার স্বপ্ন আমার চিরকালের।  ঘরবাড়ি আছে থাকার জন্য, অন্নসংস্থানের ব্যবস্থা করা গেলেই পুরো গ্রামটা আমার। তবে অবশ্য সন্ধ্যে ছ'টার আগেই বেরিয়ে যেতে বলেছে প্রবেশদ্বারের রক্ষী। আমি তো নিধিরাম সর্দার। নিয়ম যে মানতেই হবে।

এই জঙ্গলে পাখির সাথে আমাদের গাওয়া গানও প্রতিধ্বনিত হয়, যেন এটি একটি পূণ্যভূমি আর আমরা এখানে আসি শুদ্ধতার চর্চা করতে। যেমন করে মওলানা  রুমি বলেছিলেন:

‘পাখা তুমি জন্ম থেকেই বহন করছ

তবে কেন হামাগুড়ি দেবে জীবনভর!’

জঙ্গলে আরো কিছুক্ষণ ঘুরেফিরে বেরিয়ে পড়লাম সমুদ্রসৈকতের দিকে। দু’পা এগুলেই সমুদ্রসৈকত। স্থির তার নীল জল। এখানে এখন কেউ নেই। এত বিচ্ছিন্ন, এত সুন্দর, এত নীরব সমুদ্রসৈকত এই প্রথম দেখলাম। আরো একটা ব্যাপার প্রথমবারের মতো দেখলাম, সমুদ্রসৈকতের পুরোটাই নুড়ি পাথরের, বালির লেশমাত্র নেই। সাদা সাদা পাথরকুচি আর নীল সাগর এ যেন আকাশ আর  মেঘের ছড়াছড়ি।

 

 

ফিরতে হলো সেই গাঁয়ের পথ ধরেই। একেবারেই যে ভ্রমণার্থী নেই তা নয়। এদিক ওদিকে দু’একজন তো আছেই। আমি বাঁ দিকের গলি ঘুরে একটা বিশালাকৃতির পাথরের তোরণ পেয়ে ওপরে উঠে গেলাম। নিচে এক তুর্কী ছেলেকে ডেকে বললাম, ‘দাও তো একটা ছবি তুলে বাপু।’

সন্ধ্যে এখানে হয় আটটায়। তবে হ্যাঁ ঘড়িতে ঠিকঠিক, প্রায় ছ’টা বাজে। গাঁয়ের দক্ষিণ দিকটায় একটা চক্কর দিয়ে বেরিয়ে পড়লাম বাসের সন্ধানে। ভাবছিলাম বাস না-আসলে কী করব এই নির্জন পাহাড়ি জঙ্গলে। অবশ্য কয়েক কদম এগুলেই অনেকগুলো ট্রি হাউস আছে। আর কয়েকটা রেস্তোরাঁও চোখে পড়েছে বাসে করে আসার পথে। অতএব চিন্তা নেই। আমি ভারত উপমহাদেশে বড় হওয়া মানুষ। যেখানে যে কোন কিছুর অনিশ্চয়তা প্রকট আর সংকটকাল তো আরো বেশি।    

আমাকে ভুল প্রমাণিত করে মিনিবাস এসে হাজির। একটাই মিনিবাস, একজনই চালক। গিয়ে সটান তাঁর পাশের সিটে বসলাম। আস্তে আস্তে বাসটিও ভরে গেল। ইউরোপিয় ট্যুরিস্টের সাথে কয়েকজন স্থানীয় মানুষও দেখলাম। আশেপাশে জনবসতি নেই বললেই চলে। হোটেল রেস্তোরাঁ চালায় যারা তাদের তো লোকজন নিয়ে এখানেই থাকতে হয়।  

বাস চলল মূল সড়কের উদ্দেশ্যে পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ বেয়ে। পাহাড়ে গ্রীষ্মের ফুল ফুটেছে।  শুকনো পথের ধারের গাছের পাতার রঙ কিছু সবুজ কিছু হলুদ। হলুদ পাতাগুলো মনে হয়, কোন এক জনমে পাখি ছিল। ছুঁয়ে দিলেই উড়ে পালিয়ে যাবে। গাছ তাই বেঁধে রেখেছে নিজের সাথে। এক্কা দোক্কা খেলার চালে বাস আমাদের নামিয়ে দিল মূল রাস্তায়। নেমে আরেক বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলাম, তখন দেখি কেমাল আঙ্কেল আর সহকর্মীরা দাঁড়িয়ে আছেন। কাছে আসলেন, ভাবলাম বিদায় জানাতে এসেছেন। আঙ্কেল বললেন, তিনি আনতালইয়া শহরে থাকেন। আমি ইচ্ছে করলে তাঁর সাথে যেতে পারি। আর সহকারীদের জিজ্ঞেস করলাম- তারা কীভাবে যাবে? তারা বললেন যে, কন্সট্রাকশনের ট্রাক চালিয়ে যাবেন। আনতালইয়া তো দূর নয় তেমন। আমি আকাশের চাঁদ হাতে পেলাম। জীবনেও কন্সট্রাকশন ট্রাকে চড়িনি। এই সুযোগ হাতছাড়া করা যাবে না। আমি বললাম, ‘ট্রাকে চড়ব কীভাবে এত উঁচু!’

কেমাল আঙ্কেল দিলেন এক ধমক, ‘এই মেয়ে তোমাকে ট্রাকে কে চড়তে বলেছে! আমার গাড়ি আছে তুমি গাড়িতে বসেই যেতে পার।’

আমি ট্রাকে চড়ার জন্য কিছুক্ষণ গাইগুই করলাম। আমাকে কেউ পাত্তা দিলো না। কেমাল আঙ্কেল পথে যেতে যেতে আরেকটা সমুদ্রসৈকত দেখালেন। অনন্যসাধারণ, সেখানেও কোন ট্যুরিস্ট নেই। দেশটা এত জনমানবশূন্য যে থেকে যেতে ইচ্ছে করে।

 

 

এ-গল্প, সে-গল্পে পৌঁছে গেলাম আনতালইয়া। আঙ্কেল আমাকে একটা সমুদ্রসৈকতের কাছাকাছি জায়গায় নামিয়ে দিলেন,  তাঁর বাড়ির সবাই গ্রামে গেছে বলে আফসোস করছিলেন আমাকে নিজ বাড়িতে ইফতারের দাওয়াত দিতে পারলেন না বলে। জিজ্ঞেস করলেন খিদে পেয়েছে কিনা। আমি হ্যাঁ বলায় নিজেই খাবারের অর্ডার দিলেন। বাজে মোটে আটটা এখনো দিনের আলো মরেনি। একটু পর ইফতারের সময়। হরেক খাবার রেস্তোরাঁর রেসিপিজুড়ে। এদেশে রোজা রাখা বা না-রাখা নিয়ে তেমন বাড়াবাড়ি নেই। সারাদিনই রেস্তোরাঁ খোলা, সারাদিনই লোকের সমাগম।

কেমাল আঙ্কেল বাড়ি চলে গেলেন। যাবার আগে বারবার বললেন, পরেরবার আসলে যেন তাঁর বাড়িতে উঠি। তার গ্রামের বাড়িতে আছে বিশাল ফল বাগান, সেখানেও যেতে হবে আমাকে। তুর্কী দেশের মহানুভব মানুষদের প্রতি আমার শ্রদ্ধার ঝুলি ভারী হতে চলছে। পথ চলতে গিয়ে পড়লাম মুশকিলে। আমার হোটেলের রাস্তা খুঁজে পাচ্ছি না। অনেক ঘুরেফিরে অন্য কয়েকটি পথ পেরিয়ে পেলাম হারানো পথ। এ শহরটা বোধহয় ঘুমায় না। রাত দশটা বাজে। একটা শপিংমলের সামনে চারটা ছেলে বাজনা বাজিয়ে গান গাইছে আর শপিং করতে আসা একদল মেয়ে মনের আনন্দে গানের তালে তালে ঘুরে ঘুরে নাচছে। এদের মধ্যে যেমন হিজাবি আছে তেমনি আছে হাতাকাটা জামা পরা মেয়ে। হিজাবির হাতে দেখি আবার সিগারেট। এদেশে প্রকাশ্যে নারী-পুরুষের  ধূমপান করা অপরাধ নয়।

এত প্রাণোচ্ছ্বল মানুষ মেলা ভার। স্থান কাল পাত্র ভুলে বেশ আসর জমিয়ে রেখেছে। আমিও একটা গানের ভিডিও করে পরেরটায় গিয়ে মেয়েদের সাথে যোগ দিলাম। এমন আনন্দ আর কোথাও পাব না। শপিং মলের সামনে এসে এখন পথ খুঁজে পেয়েছি। সোজা হাঁটা দিলেই আমার হোটেল। এ আনন্দ যেন বাড়ির পথ খুঁজে পাবার মতো। (চলবে)


ঢাকা/তারা