নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ডিজেবল হয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও আলোচিত ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজা বলেছেন, “আমরা ইতোমধ্যে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে যথাযথ প্রমাণসহ আপিল করেছি। আমাদের টেকনিক্যাল টিম নিরলসভাবে কাজ করছে পেজটি ফিরিয়ে আনার জন্য। যারা এই ধরনের ডিজিটাল অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের শনাক্ত করার জন্য আমরা প্রয়োজনে দেশের প্রচলিত আইনের সহায়তা নেব।”
আরো পড়ুন: মুফতি আমির হামজার ফেসবুক পেজ উধাও, থানায় জিডি
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় কুষ্টিয়া শহরের নিজ বাড়িতে করা সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
আমির হামজা বলেন, “একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে আমার অফিসিয়াল পেজের বিরুদ্ধে ‘ফেক স্ট্রাইক’ বা মিথ্যা অভিযোগ নিয়মিতভাবে রিপোর্ট করে যাচ্ছিল। ফলে আমার ফেসবুক পেজটি বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে ডিজেবল হয়ে যায়।”
তিনি বলেন, “বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। দ্বীনের দাওয়াত এবং মানুষের কাছে সঠিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া এখন শক্তিশালী মাধ্যম। আমি দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুক ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশ ও বিদেশের মানুষের কাছে ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা এবং নৈতিকতার কথা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি।”
জামায়াতে ইসলামীর এই প্রার্থী বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, এটি একটি পরিকল্পিত সাইবার হামলা। নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয়ের আশঙ্কায় একটি দল ও তাদের নেতাকর্মীরা ভীত হয়ে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক সাইবার সন্ত্রাসে জড়িয়েছে বলে আমরা মনে করি। অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনে আমার প্রচারণা ব্যাপক সাড়া মেলায় প্রতিপক্ষ দলটি দিশেহারা হয়ে পড়েছে। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দেখে তারা এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও বাধা সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত।”
“এই ব্যর্থতা ঢাকতেই তারা সাইবার হামলার পথ বেছে নিয়েছে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, এ ধরনের সাইবার সন্ত্রাস ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের অপচেষ্টা আমাদের দমাতে পারবে না। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনই আমাদের শক্তি”, যোগ করেন তিনি।
আমির হামজা বলেন, “আমি নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সাইবার নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।”