সারা বাংলা

নাটোরে জিয়া পরিষদ নেতাকে হত্যার জেরে বাড়িতে আগুন, নারীর মৃত্যু

নাটোরের সিংড়া উপজেলায় জিয়া পরিষদের সদস্য মো. রেজাউল করিমকে (৫২) গলা কেটে হত্যার জেরে আব্দুল ওহাব নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ লোকজন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ঘরের ভেতর থাকা ছাবিহা বেগম (৭২) নাম এক নারী দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন।

মারা যাওয়া নারী আব্দুল ওয়াবের সম্পর্কে কী হন সে সম্পর্কে স্থানীয়রা কিছু জানাতে পারেননি।

আরো পড়ুন: নাটোরে জিয়া পরিষদ সদস্যকে গলা কেটে হত্যা

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার কলম ইউনিয়নের কুমারপাড়া গ্রামে আব্দুল ওহাবের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষুব্ধ লোকজন। 

এর আগে, রাত ১১টার দিকে একই গ্রামে গলা কেটে হত্যা করা হয় জিয়া পরিষদের সদস্য মো. রেজাউল করিমকে। তিনি সাবেদ আলীর ছেলে। রেজাউল করিম বিলহালতি ত্রিমোহনী ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন।  

সিংড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ স ম আব্দুন নুর জানান, বুধবার রাত ১১টার দিকে রেজাউল করিম বাসা থেকে পুকুরের দিকে যান। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির কাছে রাস্তায় তার গলা কাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্বজন ও পুলিশে খবর দেন স্থানীয় লোকজন। পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। বৃহস্পতিবার সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।

তিনি আরো জানান, হত্যাকাণ্ডের পর ওই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল ওহাব নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে বিক্ষুব্ধ লোকজন ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করেন। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভান। পরে তারা ঘরের ভেতর থেকে এক নারীর দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেন। 

সিংড়া পৌর বিএনপির সদস্য সচিব সারফুল ইসলাম বুলবুল জানান, নিহত রেজাউল করিম উপজেলার কলম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হায়দার রশিদ রিপনের চাচা এবং তিনি নাটোর জেলা জিয়া পরিষদের অন্যতম সদস্য। এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সিংড়া বাসস্ট্যান্ডে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সিংড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছে।