সারা বাংলা

নিয়ামতপুরে ৪ জনকে হত্যার ঘটনায় আটক ৮

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহত হামিদুর রহমানের বাবা নমির উদ্দিন (৬৫) ও ভাগ্নে সবুজ হোসেনসহ (২৫) আটজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রাম থেকে সবুজ হোসেনকে ও পরে দুপুর ২টার দিকে নমির উদ্দিনসহ বাকিদেরকে আটক করা হয়।

আরো পড়ুন: নওগাঁয় হত্যার শিকার ৪ জনের পরিচয় মিলেছে

আটক সবুজ হোসেন নিহত হাবিবুর রহমানের ভাগ্নে এবং মান্দা উপজেলার পারনপুর গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে।

আটক অন্যদের মধ্যে আছেন- তিন বোন, এক ভগ্নিপতি ও দুই ভাগ্নে। তাদের নাম পুলিশ জানায়নি। 

নিহতরা হলেন- বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩০), তার স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৭) এবং মেয়ে সাদিয়া আক্তার (৩)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, হাবিবুর রহমান পেশায় গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। মান্দার চৌবাড়িয়া হাটে গরু বিক্রি করে সোমবার রাত ৮টার দিকে বাড়িতে আসেন। তার কাছে গরু বিক্রি করার ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিল।

সোমবার রাতের কোনো এক সময় বাড়ির ভেতরেই হামিদুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। ফজরের নামাজের পর দরজা খোলা দেখে প্রতিবেশীরা ভেতরে ঢুকলে তাদের মৃতদেহ দেখতে পায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। গরু বিক্রির টাকাসহ পরিবারের মূল্যমান কোনো জিনিস খোয়া যায়নি। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে এমনটি ধারণা স্থানীয়দের।

আরো পড়ুন: নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

নিহত হাবিবুরের বাবা নমির উদ্দিন বলেন, “জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। আমার মেয়ে, মেয়ে জামাই ও নাতিরা এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে। তারা বিভিন্ন সময়ে আমার ছেলেসহ পরিবারের সবাইকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল।”

নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, “হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সবুজ হোসেন ও নিহতের বাবা নমির উদ্দিনসহ আটজনকে আটক করা হয়েছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তদন্ত চলমান।”