ঢাকা     শুক্রবার   ১৯ জুলাই ২০২৪ ||  শ্রাবণ ৪ ১৪৩১

সংবাদ প্রকাশের পর দোকান ভাঙতে শুরু করেছেন দখলকারীরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২০:২৪, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪  
সংবাদ প্রকাশের পর দোকান ভাঙতে শুরু করেছেন দখলকারীরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদর উপজেলার সুহিলপুর গরুর বাজারের সরকারি জমি ইজারা না নিয়ে নির্মাণ করা দোকান সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল রাইজিংবিডি ডটকম-এ ‘সরকারি খাস জায়গায় দোকান নির্মাণ, বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে!’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর প্রভাবশালীরা নিজ উদ্যোগে স্থাপনা থেকে ইট সরানোর কাজ শুরু করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সদর উপজেলার সুহিলপুর গরুর বাজারের সরকারি জমি ইজারা না নিয়ে দোকান নির্মাণ করে তা চড়া দামে বিক্রি করছিল প্রভাবশালী মহল। এতে বাজার সংকুচিত হয়ে যায়। চার জনপ্রতিনিধির আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনেরা এই কাজের সঙ্গে জড়িত। প্রায় দেড় মাস ধরে দোকান নির্মাণের এ কাজ চললেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ ঘটনায় গত ২২ জানুয়ারি সুহিলপুর গ্রামের আরিফুল হক চৌধুরী, আবদুল ছোবান, মো. কামাল ও শামিম জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে দেখা গেছে, সুহিলপুর গরু বাজারের উত্তর ও পূর্বদিকে সরকারি খাস জায়গা ইজারা ছাড়াই নির্মাণ করা দোকানের চারপাশের দেয়াল ভেঙে ইট সরানোর কাজ চলছে। সুহিলপুর গ্রামের শাহিন মিয়া নামের এক রাজমিস্ত্রি শ্রমিকদের দোকান ভাঙার কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। স্থানীয় ইয়াছিন মিয়া নামের একজন তাকে অবৈধ স্থাপনা ভাঙার জন্য বলছিলেন। সুহিলপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা তোফাজ্জাল হোসেন কাজটি তদারকি করেছেন।

মিস্ত্রি শাহিন মিয়া বলেন, সবগুলো দোকানের (দেয়ালের ইট) ইট-সিমেন্ট ভাঙা হবে। বাজারের উত্তর-পশ্চিমদিকে নির্মাণ করা ছয়টি দোকান এবং উত্তর-পূর্ব দিকের একটি  স্থাপনা ভাঙা হবে।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সেলিম শেখ বলেন, গতকাল রোববার সকালে সদর উপজেলার সুহিলপুর গরু বাজার পরিদর্শন করি। ইজারা না পেয়েও যারা দোকান নির্মাণ করেছেন, তারা নিজ উদ্যোগে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞা করে একদিনের সময় চেয়েছিলেন। তাই তাদের একদিনের সময় দেওয়া হয়েছে। জায়গাটি কাউকে ইজারা দেওয়া হয়নি। তাই এখানে দোকান নির্মাণ করার কোনো সুযোগ নেই। যদি, তারা নিজ উদ্যোগে স্থাপনা না সরান তাহলে আমরা অভিযান চালিয়ে স্থাপনা উচ্ছেদ করব।

মাইনুদ্দীন/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়