ঢাকা     সোমবার   ১৫ জুলাই ২০২৪ ||  আষাঢ় ৩১ ১৪৩১

গরুর হাটে মিশা সওদাগর, ছেড়ে দে মা কেদে বাঁচি

জ্যেষ্ঠ বিনোদন প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৪:১৫, ১৮ জুন ২০২৪   আপডেট: ১৬:৩১, ১৮ জুন ২০২৪
গরুর হাটে মিশা সওদাগর, ছেড়ে দে মা কেদে বাঁচি

মিশা সওদাগর বাংলা চলচ্চিত্রের এ সময়ের দাপুটে খলনায়ক। এমন কোনো খারাপ কাজ নেই পর্দায় তাকে করতে দেখা যায় না। চলচ্চিত্রে তাকে খল চরিত্রে দেখা গেলেও সামাজিক মানুষ হিসেবে তার সুনাম রয়েছে। ধার্মিক হিসেবেও তিনি সহকর্মীদের সুপরিচিত। সবমিলিয়ে পর্দার সঙ্গে বাস্তবে এই মানুষটির কোনো মিল নেই। আর এখানেই মানবিক মানুষ হিসেবে মিশা সওদাগরের কৃতিত্ব। 

অন্য দশজন মুসলিম ধর্মাবলম্বীর মতো কোরবানির ঈদ মিশা সওদাগরের জন্য বিশেষ কিছু। তিনি ঈদের আগে আল্লাহর সন্তুষ্টী লাভের উদ্দেশে সাধ্য অনুযায়ী কোরবানির প্রস্তুতি নেন। সম্ভব হলে নিজে হাটে গিয়ে কোরবানির পশু পছন্দ করে কেনেন এবং নিজে দাঁড়িয়ে থেকে কোরবানি দেন।     

বলাবাহুল্য হাটে গেলে প্রতিবারই তাকে নানাবিধ বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। এমনই একটি ঘটনার স্মৃতিচারণ করে মিশা সওদাগর বলেন, একবার অভিনয় করে ভালো পেমেন্ট পেয়েছিলাম। ফলে নিজেই গরু কোরবানি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। ভাবনা অনুযায়ী গরু কিনতে হাটে গেলাম। কিন্তু হাটে গিয়ে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে কখনও ভাবিনি। 

হাটে এমনিতেই প্রচুর ভিড়। ওই ভিড়ে আমি নিজেই ‘গরু’ হয়ে গেলাম! কারণ সবাই চিনে ফেলেছে! এমন অবস্থা হলো যে, গরু দেখা বাদ দিয়ে সবাই আমাকে দেখছে। এক পর্যায়ে এতো ভিড় জমে গেল যে সামলানোই মুশকিল! আমার তখন ছেড়ে দে মা কেদে বাঁচি অবস্থা।

তখন হাটের ইজারাদাররা আমাকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে গেল। বলল, আপনি স্টেজে বসে থাকুন, আমরা আপনাকে গরু দেখাচ্ছি। এরপর আমি তাদের বাজেট বললাম। বাজেট শুনে কয়েকটা গরু আমাকে তারা দেখালো। সেখান থেকে একটা গরু আমি পছন্দ করলাম। ৫৫ হাজার টাকা দিয়ে গরু কিনে সেবার বাসায় ফিরেছিলাম।

রাহাত//

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়