ঢাকা     শুক্রবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২২ ||  অগ্রহায়ণ ১৮ ১৪২৯ ||  ০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪১৪

গবাদি পশু, মুরগি ও মাছের খামারিদের নীতি সহায়তা দেওয়ার দাবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৩৭, ১ অক্টোবর ২০২২  
গবাদি পশু, মুরগি ও মাছের খামারিদের নীতি সহায়তা দেওয়ার দাবি

ফাইল ফটো

সরকারের নীতি সহায়তা পেলে অনেক কম দামে মাংস, ডিম ও দুধ সরবরাহ করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন গবাদি পশু, মুরগি ও মাছের খামারিরা। এসব খাতে নীতি সহায়তা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

শনিবার (১ অক্টোবর) এফবিসিসিআই স্ট্যান্ডিং কমিটি অন লাইভস্টক, পোল্ট্রি অ্যান্ড ফিশারিজের প্রথম সভায় ব্যবসায়ীরা বলেছেন, মুরগি, গবাদি পশু ও মাছের খামারে বাণিজ্যিক হারে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হয়। এতে উৎপাদন ও পরিচালন ব্যয় বাড়ছে। কৃষি খাতের মতো ভর্তুকি মূল্যে বিদ্যুৎ পেলে সাশ্রয়ী মূল্যে ভোক্তাদের প্রোটিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এফবিসিসিআই’র সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেছেন, ‘গরু, মুরগি, মাছ ও চিংড়ির খামারে সরকারি সেবার মূল্য বিশেষায়িত হারে হওয়া উচিত। এতে নতুন উদ্যোক্তারা এ খাতে বিনিয়োগ করতে উৎসাহী হবেন। ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত দেশ হতে হলে বাংলাদেশকে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করতে হবে। শুধু তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভর করে এ লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব নয়। মাছ, চিংড়ি ও মাংস রপ্তানি করতে হবে। তাই, এসব খাতে সরকারি নীতি সহায়তা জরুরি। এসব খাতকে পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ কর্মক্ষেত্রে রূপান্তর করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘গুটিকয়েক অসাধু ব্যবসায়ীর জন্য সম্প্রতি ডিমের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। মুষ্টিমেয় কয়েকজনের জন্য পুরো ব্যবসায়ী সমাজের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। বাজার নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসায়ীদের ইমেজ রক্ষায় অসাধু ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করতে হবে।’

কমিটির ডিরেক্টর ইন-চার্জ ও এফবিসিসিআই’র সহ-সভাপতি সালাহউদ্দীন আলমগীর বলেন, ‘কৃষিঋণের মতোই বাংলাদেশ ব্যাংককে লাইভস্টক খাতে ৫ শতাংশ ঋণের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা উচিত। এ খাতে আমদানির ক্ষেত্রে ডলার মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে। খামারিদের সুরক্ষা দিতে স্বল্পহারের প্রিমিয়ামে বিমা সুবিধা চালু করতে হবে।’

কমিটির চেয়ারম্যান ও ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের নির্বাহী সদস্য মো. মশিউর রহমান জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও বিএসটিআই দেশের গবাদি পশু ও পোল্ট্রি খামারের বিভিন্ন মান তদারিক করে থাকে। দুই সংস্থার মধ্যে সমন্বয় না থাকায় খামারিদের ভোগান্তি পোহাতে হয়, যা এ খাতের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারি সংস্থাগুলোর আন্তঃসমন্বয় জোরদার করতে হবে।

খামারের শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেন মো. মশিউর রহমান।

এনএফ/রফিক

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়