ঢাকা     বুধবার   ১৭ এপ্রিল ২০২৪ ||  বৈশাখ ৪ ১৪৩১

সুন্নি ইত্তেহাদে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্ররা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৪:৫২, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪   আপডেট: ১৫:২১, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
সুন্নি ইত্তেহাদে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্ররা

পাকিস্তানে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে জয় পাওয়া পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্রদের প্রায় সবাই সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিলে (এসআইসি) যোগ দিয়েছেন। বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দেশটির নির্বাচন কমিশনে হলফনামা জমা দেওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলটিতে যোগ দেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্রদের মধ্যে জাতীয় পরিষদে ৮৯ সদস্য, খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রাদেশিক পরিষদের ৮৫ সদস্য, পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের ১০৬ সদস্য এবং সিন্ধু প্রাদেশিক পরিষদের ৯ সদস্য তাদের হলফনামা জমা দিয়েছেন।  ফলে জাতীয় পরিষদে বিরোধী জোটের আসনসংখ্যা  দাঁড়িয়েছে ৯৩।

তবে তিন পিটিআই নেতা ওমর আইয়ুব খান, গহর খান ও আলি আমিন গন্ডাপুর এখনও হলফনামা জমা দেননি।  আর নির্বাচন কমিশন দাওয়ার কুন্দি নামের এক প্রার্থীর প্রজ্ঞাপন এখনো জারি করেনি। 

দ্য ডন বলছে, ওমর আইয়ুব খান এবং ব্যারিস্টার গহর ইচ্ছাকৃতভাবে এসআইসি সদস্য হওয়ার জন্য হলফনামা জমা দেননি কারণ তারা পিটিআইয়ের আন্তঃদলীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরিকল্পনা করছেন। আর আলী আমিন গন্ডাপুরও হলফনামা দাখিল করেননি, কারণ তিনি খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য পিটিআইয়ের প্রার্থী হিসাবে মনোনীত হয়েছেন।

পিটিআইয়ের বেশ কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, ওমর আইয়ুব এবং গহর খান ব্যতীত জাতীয় পরিষদের ও প্রাদেশিক পরিষদের পিটিআই সমর্থিত জয়ী সকল প্রার্থী এসআইসিতে যোগদান করেছেন। এমনকি জাতীয় পরিষদের নির্বাচিত দুই সদস্য চৌধুরী ইলিয়াস এবং ব্রিগেডিয়ার (অবসরপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ আসলাম ঘুম্মান নিখোঁজ থাকলেও তাদের হলফনামাও ইসিপিতে জমা দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের ৮ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে কোনো দল সরকার গঠন করার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পান পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)। তৃতীয় স্থানে আছে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)। ইতিমধ্যে পিএমএল-এন ও পিপিপি জোটবদ্ধভাবে সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে নিজেদের পক্ষের আসনসংখ্যা বাড়াতে সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিলের সঙ্গে জোট করার সিদ্ধান্ত নেয় পিটিআই। এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে তারা নারী ও সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত আসন দাবি করতে পারবে তারা।

/ফিরোজ/

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়