ঢাকা     বুধবার   ৩০ নভেম্বর ২০২২ ||  অগ্রহায়ণ ১৬ ১৪২৯ ||  ০৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪১৪

সিরাজুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশনে বিনোদনপ্রেমীদের ভিড়

পঞ্চগড় প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১১:৩০, ১৩ জুলাই ২০২২   আপডেট: ১১:৩৭, ১৩ জুলাই ২০২২
সিরাজুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশনে বিনোদনপ্রেমীদের ভিড়

সন্ধ্যা হলেই পরিবার পরিজন নিয়ে সময় কাটাতে আসছেন বিনোদনপ্রেমীরা

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রের পাশাপাশি এবার বিনোদনপ্রেমীদের কাছে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশন। দিনভর তেমন জনসমাগম না থাকলেও সন্ধ্যা হলেই ভিড় বাড়ছে এখানে। ট্রেন কিংবা প্লাটফর্ম দেখতে নয় বিনোদনপ্রেমীদের কাছে কদর বেড়েছে স্টেশন এলাকায় নবনির্মিত দৃষ্টিনন্দন গেট, এপ্রোচ রোড এবং কার পার্কিং এরিয়ার।

মঙ্গলবার (১২ জুলাই) রাতে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপচে পড়া ভিড়। কেউ এসছেন বন্ধুদের সঙ্গে, আবার কেউ পরিবার নিয়ে। সবাই উপভোগ করছেন গেট এবং এপ্রোচ রোডের সৌন্দর্য। মোবাইলে সেলফি এবং পরিবার পরিজন নিয়ে ছবি তুলতেও দেখা গেছে অনেককেই। তীব্র গরমে মুক্ত বাতাস উপভোগ করতে কার পার্কিং এরিয়াতেও হাটা-হাটিও করছিলেন তাদের অনেকে। 

পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা জেলা শহরের কামাতপাড়া এলাকার মনির হোসেন বলেন, ‘শহরের পাশে পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর তেমন বিনোদন কেন্দ্র নেই বললেই চলে। রেল স্টেশন এলাকাটি কাছে হওয়ায় এখানে এসেছি। ভালোই লাগছে। দৃষ্টিনন্দন গেট, এপ্রোচ রোড আর ল্যাম্পপোস্টের আলোকসজ্জা বেশ উপভোগ করছি।’

শাহিনুর ইসলাম নামের আরেক দর্শনার্থী বলেন, শহরের পাশের একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র হলো হিমালয় পার্ক। কিন্তু সেখানে যাওয়া আসা ঝামেলার কাজ। তাই সারাদিনের কর্মব্যস্ততার পর রাতের বেলায় এই স্টেশনে এসে সময় কাটানোও বেশ উপভোগের।   

বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে আসা সাবিনুর রহমান বলেন, সারাদিন বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে এখানে এসেছি। বেশ উপভোগ করেছি। দৃষ্টিনন্দন গেট আর এপ্রোচ রোডের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখে আমাদের খুব ভালো লাগছে। কর্তৃপক্ষ সঠিকভাবে জায়গাটির দেখভাল করলে এটিই হতে পারে জেলার অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি দৃষ্টিনন্দন গেট, এপ্রোচ রোড এবং কার পার্কিং এরিয়ার উদ্বোধন করেন রেলপথ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন। ৩৮ ফুট উচ্চতা ও ৫৬ ফুট চওড়া দৃষ্টিনন্দন গেট, ৭৫ হাজার বর্গফুটের কার পার্কিং এরিয়া এবং ১২টি ল্যাম্পপোস্টসহ ৫০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ২০ ফুট করে ৪০ ফুট প্রস্থ এপ্রোচ রোডের নির্মাণে ব্যয় হয়েছে তিন কোটি ৭৫ লাখ টাকা। 

টুরিস্ট পুলিশ পঞ্চগড় জোনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘এবারেরে ঈদে আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ পঞ্চগড় জোন কাজ করছে। জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানগুলোতে আমদের টহল অব্যহত রয়েছে। বিশেষ করে আগত পর্যটকরা যাতে হয়রানি বা ইভটিজিংয়ের শিকার না হয় সেজন্য সার্বিকভাবে কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

আবু নাঈম/ মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়