ঢাকা     মঙ্গলবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||  ফাল্গুন ১৪ ১৪৩০

রমজান উপলক্ষে জমজমাট মসলা বেচাবিক্রি 

মোসলেম উদ্দিন, দিনাজপুর  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১০:৩৮, ২২ মার্চ ২০২৩   আপডেট: ১১:৪৮, ২২ মার্চ ২০২৩
রমজান উপলক্ষে জমজমাট মসলা বেচাবিক্রি 

শুরু হতে চলেছে পবিত্র মাহে রমজান। এই উপলক্ষে জমে উঠেছে দিনাজপুরের হিলি বন্দর বাজারে মসলার বেচাবিক্রি। ভারত থেকে আমদানি হওয়া বিভিন্ন ধরনের মসলার দাম এই বাজারে কিছুটা কম হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা ভিড় জমিয়েছেন এখানে।

হিলি বন্দর বাজার ব্যবসায়ীদের দাবি, এখনো সব ধরনের মসলার দাম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে জিরার দাম বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে।

হিলি বন্দর বাজার ঘুরে জানা গেছে, বর্তমান সাদা ফল প্রকার ভেদে ১৬০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১১০০ টাকা কেজি দরে। চাইনা দার্চিনি ৩৩০ টাকা ও ভিয়েতনামের দার্চিনি বিক্রি হচ্ছে ৪২০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া, গোলমরিচ ৬৪০ টাকা কেজি, বস ৭০০ টাকা কেজি, লবঙ্গ ১৪০০ টাকা কেজি, কালো ফল ১০০০ টাকা কেজি, কালো জিরা ২৪০ টাকা কেজি ও বারমসলা ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। 

এদিকে গত দুইমাস আগে এই বাজারে জিরার কেজি ছিলো ৪৭০ থেকে ৪৯০ টাকা। কিন্তু বর্তমানে এই মসলাটি বিক্রি হচ্ছে ৬৩০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি দরে। 

ঢাকা থেকে মসলা কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘আমার বাসা ঢাকায়, হিলিতে একটা কাজে এসেছি। এখানে মসলার দাম ঢাকার চেয়ে অনেটাই কম তাই জিরাসহ সব ধরনের মসলা অল্প অল্প করে কিনলাম।’

তাজ উদ্দিন নামে অপর এক ক্রেতা বলেন, রমজান মাসে প্রচুর মসলার দরকার পড়ে। এছাড়া ঈদও আসছে। হয়তো সামনে মসলার দাম বাড়তে পারে তাই বেশি করে মসলা কিনে নিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু এখানে জিরার দাম অনেক বেশি। দুই মাস আগেও ৫০০ টাকার নিচে কিনেছিলাম। আজ সেই জিরা ৬৩০ টাকা কেজি হিসেবে কিনতে হলো।

হিলি বাজারের বিসমিল্লাহ মসলা ঘরের মালিক শাওন বলেন, ‘পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মসলার বেচাবিক্রি শুরু হয়েছে। স্থানীয়সহ দেশের বিভিন্ন এলাকার লোকজন মসলা কিনতে আসছেন। সাদা ফল, দার্চিনিসহ সব মসলার দাম মোটামুটি স্বাভাবিক আছে। তবে জিরার দামটা অনেক বেশি। তারপরও বেচাবিক্রি ভালো।’

হিলি বাজারের রকমারি মসলা ঘরের মালিক সিজার বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ক্রেতারা আসছেন মসলা কিনতে। বেচাবিক্রি ভালোই হচ্ছে। তবে জিরার দামটা অনেক বেশি। চাহিদা অনুযায়ী ভারত থেকে জিরা আমদানি কম, যার জন্য জিরার দাম বেশি। আশা করছি আমদানি স্বাভাবিক হলে দাম কমে আসবে।’

মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়