ঢাকা     শনিবার   ১৫ জুন ২০২৪ ||  আষাঢ় ১ ১৪৩১

জাজিরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

মারধরের অভিযোগ তুলে ভিডিও বক্তব্য দেওয়ায় পোলিং কর্মকর্তাকে অব্যাহতি

শরীয়তপুর সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২২:৪৩, ২০ মে ২০২৪   আপডেট: ২২:৪৬, ২০ মে ২০২৪
মারধরের অভিযোগ তুলে ভিডিও বক্তব্য দেওয়ায় পোলিং কর্মকর্তাকে অব্যাহতি

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ এনে ভিডিও বক্তব্য দিয়েছিলেন মীর আবু সাঈদ নামের পোলিং কর্মকর্তা। এরপর বক্তব্যের ভিডিও স্থানীয় মানুষের মুঠোফোনে ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে না জানানোর কারণে ওই পোলিং কর্মকর্তাকে ভোট গ্রহণের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ মে) রাতে জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়া পোলিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ বিকেনগর ইউনিয়নের বিকেনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তাকে উপজেলার বড় গোপালপুর ইউনিয়নের গোপালপুর সরদারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

ইউএনও সাদিয়া ইসলাম বলেন, পোলিং অফিসার আবু সাঈদ মিয়া আমাদের কর্মকর্তা। তিনি তার অভিযোগ আমাদের না জানিয়ে, সাংবাদিকদের জানান। এজন্য তাকে নির্বাচনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। 

বিষয়টি সম্পর্কে জানাতে অব্যাহতি পাওয়া পোলিং কর্মকর্তা মীর আবু সাঈদের মুঠোফোনে বারবার ফোন করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

শরীয়তপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুদ্দিন গিয়াস বলেন, কোনো পোলিং কর্মকর্তাকে মারধর করা হয়েছে, এমন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তারপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ মে) জাজিরা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মোহাম্মদ ইদ্রিস ফরাজী ‘মোটরসাইকেল’ প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রোববার রাতে উপজেলার বিকে নগর বাজারের একটি দোকানে বসে ছিলেন আবু সাঈদ। তখন তাকে ডেকে নিয়ে  কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন বলে অভিযোগ ওঠে ইদ্রিস ফরাজীর সমর্থক বিকেনগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সরদার, আব্দুল আলী সরদার ও মজিবুরসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে আবু সাঈদ প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থক ও বিকেনগর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সরদার বলেন, তার (আবু সাঈদ) সঙ্গে আমাদের কারও এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

সাইফুল/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়