ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ২৬ মার্চ ২০২৬ ||  চৈত্র ১৩ ১৪৩২ || ৬ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

লাইভ

২৩ দিন আগে

ইরানের হাজার ডলারের ড্রোন ঠেকাতে আরব দেশগুলোর খরচ কোটি ডলার

ইরানের হাজার ডলারের ড্রোন ঠেকাতে আরব দেশগুলোর খরচ কোটি ডলার

ইরানের তৈরি সস্তা ড্রোন ঠেকাতে উপসাগরীয় দেশগুলোকে খরচ করতে হচ্ছে কোটি কোটি ডলার। ইরানি আক্রমণ ঠেকাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে সৌদি আরব, কুয়েত, আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন মিত্রদের।

ইরানের তৈরি যে ড্রোনগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে সেগুলো হচ্ছে শাহেদ সিরিজের ড্রোন। এই ড্রোনগুলো তৈরি করতে খরচ হয় দুই হাজার ডলার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ডলার। এই সিরিজের সবচেয়ে কার্যকর ড্রোনগুলো হচ্ছে শাহেদ-১৩৬। একটি শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের দাম প্রায় ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার। অথচ এই ড্রোন ঠেকাতে একটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের দাম ২০ লাখ ডলার। এই আর্থিক বৈষম্য প্রতিরক্ষা বাহিনীকে তুলনামূলকভাবে সস্তা আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য কোটি কোটি ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে।

ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়া জানিয়েছে, ইতিমধ্যে ইরানি হামলার মুখে সেই বাস্তবতা উপলব্ধি করতে শুরু করেছে। শনিবার প্রায় ৩০ হাজার ডলার মূল্যের একটি কম দামী ইরানি ড্রোন বাহরাইনে ৩০ কোটি ডলারের একটি দূরপাল্লার ৩৬০ ডিগ্রি আকাশ নজরদারি এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার সাইট ধ্বংস করেছে। ২০০৪ সাল থেকে কার্যকর এই রাডারটি বিমান, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য আকাশ হুমকি সনাক্তকরণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক সতর্কতা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করেছিল।

কিংস কলেজ লন্ডনের আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিভাগের প্রভাষক গেইস্ট পিনফোল্ড আল জাজিরাকে বলেন, “শাহেদ ড্রোনগুলো খুবই, খুবই সস্তা এবং তৈরি করা সহজ। এগুলো তৈরি এবং পরিচালনা করার চেয়ে এগুলো আটকাতে সূচকীয়ভাবে বেশি ব্যয়বহুল। এগুলো স্বভাবতই, আত্মঘাতী ড্রোন।”

তিনি জানান, উপসাগরীয় দেশগুলোর দৃষ্টিকোণ থেকে, কেন্দ্রীয় কৌশলগত প্রশ্নটি তখন উঠবে যখন ক্ষেপণাস্ত্রবিরোধী মজুদ হ্রাস পেতে শুরু করবে তখন কী ঘটবে।

পিনফোল্ড বলেন, “তাদের হয় যুদ্ধবিরতি অনুসরণ করা, অথবা কম নিষ্ক্রিয় থেকে আরো সক্রিয় প্রতিরক্ষা পদ্ধতিতে সরে যাওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প থাকবে না।”

০ মাস আগে

এতিহাদ এয়ারলাইন্সের আরো ফ্লাইট স্থগিত

এতিহাদ এয়ারলাইন্সের আরো ফ্লাইট স্থগিত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের এয়ারলাইন্স এতিহাদ এয়ারওয়েজ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে আবুধাবি থেকে সব ফ্লাইট সোমবার দুপুর ২টা (ইউএই সময়) পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

রবিবার রাতে এক বিবৃতিতে এয়ারলাইন্সটি জানিয়েছে, পরিস্থিতি এখনো পরিবর্তনশীল এবং ফ্লাইট সূচি হঠাৎ পরিবর্তিত হতে পারে।

এর আগে ডাচ এয়ারলাইন কেএলএম ৫ মার্চ পর্যন্ত দুবাই, দম্মাম ও রিয়াধের সব ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দেয়।

মধ্যপ্রাচ্যে বিমান চলাচলের ওপর এই পরিস্থিতি বিশ্বব্যাপী বিমানশিল্পে বিশাল অস্থিরতা তৈরি করেছে। অনেক ফ্লাইট বাতিল বা পরিবর্তিত হয়ে যাওয়া এবং যাত্রীদের পরিকল্পনা ব্যাহত হওয়ায় পুরো খাতের ওপর প্রভাব পড়েছে।

০ মাস আগে

ইরানে দূতাবাস বন্ধ করে আমিরাতের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার

ইরানে দূতাবাস বন্ধ করে আমিরাতের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার

ইরানে নিজেদের দূতাবাস বন্ধ এবং রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সেদেশের ভূখণ্ডে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

রবিবার (১ মার্চ) রাতে এক বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তেহরানে তাদের দূতাবাস বন্ধ করা হচ্ছে এবং রাষ্ট্রদূতসহ কূটনৈতিক মিশনের সব সদস্যকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে। 

একই সঙ্গে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কৌশলগত যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক আফরা আল হামেলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিবৃতি পোস্ট করে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। 

তিনি বলেছেন, “ইরানের প্রকাশ্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা দেশের বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় আঘাত হেনেছে, যার মধ্যে আবাসিক এলাকা, বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও সেবামূলক স্থাপনাও রয়েছে। এতে নিরস্ত্র সাধারণ নাগরিকরা ঝুঁকির মুখে পড়েছেন।”

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

দুবাই, আবুধাবি, কুয়েত ও মানামা বিমানবন্দরও ইরানি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এই হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানীতে একজন নিহতও হয়েছেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আগারচি বলেছেন, আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে কোনো সীমা নেই। তার এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, ইরানের বর্তমান সরকার শক্তির শেষবিন্দু দিয়ে লড়াই করতে চায়। অন্যদিকে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুও ইরানের বর্তমান শাসন ব্যবস্থার পতন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার হুংকার দিচ্ছেন। উভয় পক্ষ এখনো পর্যন্ত যুদ্ধে অনড়।

সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেগুলো ইরানে হামলায় ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে ওইসব মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে তেহরান। এতে লক্ষ্যবস্তুর বাইরেও সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের ভিডিওতে দেখানো হচ্ছে।

০ মাস আগে

খামেনি হত্যার নিন্দায় রাহুলের দল, চুপচাপ মোদি

খামেনি হত্যার নিন্দায় রাহুলের দল, চুপচাপ মোদি

জাতীয় স্বার্থের হুমকির অজুজাতে সার্বভৌম দেশ ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুগল হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস।  

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুগল হামলায় তেহরানে নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বিবৃতি দিয়েছেন। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ভারতের পার্লামেন্টের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা।

নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা বিবৃতিতে খাড়গে কড়া ভাষায় লিখেছেন, “আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণা ছাড়া সামরিক হামলার মাধ্যমে পরিচালিত এই টার্গেটেড হত্যাকাণ্ডের দ্ব্যর্থহীন নিন্দা জানানো হচ্ছে।”

তবে খামেনির হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি। 

মোদি নেতৃত্বাধীন সরকার শনিবার মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রেক্ষাপটে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।

সম্প্রতি ভারত সফর করে গেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। মোদি তাকে ‘উত্তম বন্ধু’ হিসেবে অভিহিত করে ইসরায়েলি প্রযুক্তির ভূঁয়সী প্রশংসা করেছেন। একই সঙ্গে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের গুণগান করেছেন। 

নিজ দেশে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত নেতানিয়াহু আন্তর্জাতিক অঙ্গণে ভাবমূর্তির ব্যাপক সংকট থাকলেও মোদির কাছে তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছেন। ভারত সফর শেষে ইসরায়েলে পৌঁছে ইরান হামলার বোতাম চেপেছেন নেতানিয়াহু।

০ মাস আগে

মার্কিন-ব্রিটিশদের তেলবাহী ৩ ট্যাঙ্কারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

মার্কিন-ব্রিটিশদের তেলবাহী ৩ ট্যাঙ্কারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, উপসাগরীয় অঞ্চল ও হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের তিনটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

রবিবার (১ মার্চ) রাতে এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, হামলার পর ট্যাঙ্কারগুলোতে আগুন ধরে যায়।

তবে স্বাধীন কোনো সূত্র থেকে বিষয়টি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে খবরে লিখেছে আলজাজিরা।

ইরান ‘জাতীয় স্বার্থের জন্য হুমকি’- শুধু এই অভিযোগ তুলে শনিবার (১ মার্চ) সকালে দেশটিতে হামলা শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। একটি দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে মধ্যযুগীয় ‘জোর যার মুল্লুক তার’ নীতিতে এই হামলায় শনিবার সকালে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। তার মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা দিয়েছে ইরান সরকার। আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করা হবে বলে জানিয়েছে দেশটি।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুগল হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। 

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আগারচি বলেছেন, আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে কোনো সীমা নেই। তার এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, ইরানের বর্তমান সরকার শক্তির শেষবিন্দু দিয়ে লড়াই করতে চায়। অন্যদিকে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুও ইরানের বর্তমান শাসন ব্যবস্থার পতন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার হুংকার দিচ্ছেন। উভয় পক্ষ এখনো পর্যন্ত যুদ্ধে অনড়। ফলে শেষ পরিণতি কী হবে, তা দেখতে অপেক্ষা করার বিকল্প নেই।

০ মাস আগে

প্রাণপণ লড়াইয়ের বার্তা ইরানের, ‘আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে কোনো সীমা নেই’

প্রাণপণ লড়াইয়ের বার্তা ইরানের, ‘আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে কোনো সীমা নেই’

ইরান জানিয়েছে, আত্মরক্ষার অধিকারের ক্ষেত্রে তাদের জন্য কোনো সীমা নেই।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রবিবার (১ মার্চ) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক হামলার জবাবে প্রতিশোধ নেওয়ার অধিকার ইরানের রয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেছেন, “কেউ আমাদের বলতে পারে না যে, তোমাদের আত্মরক্ষার কোনো অধিকার নেই। আমরা নিজেদের রক্ষা করছি— যে মূল্যই লাগুক না কেন। আমাদের জনগণকে রক্ষা ও সুরক্ষিত করতে আমরা নিজেদের জন্য কোনো সীমা দেখি না।”

তিনি আরো বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র যা করছে, তা আগ্রাসন। আর আমরা যা করছি, তা আত্মরক্ষা। এ দুটির মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে।”

আগারচির এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, ইরানের বর্তমান সরকার শক্তির শেষবিন্দু দিয়ে লড়াই করতে চায়। অন্যদিকে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুও ইরানের বর্তমান শাসন ব্যবস্থার পতন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার হুংকার দিচ্ছে। উভয় পক্ষ এখনো পর্যন্ত যুদ্ধে অনড়। ফলে শেষ পরিণতি কী হবে, তা দেখতে অপেক্ষা করার বিকল্প নেই।

ইরান ‘জাতীয় স্বার্থের জন্য হুমকি’- শুধু এই অভিযোগ তুলে শনিবার (১ মার্চ) সকালে দেশটিতে হামলা শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। একটি দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে মধ্যযুগীয় ‘জোর যার মুল্লুক তার’ নীতিতে এই হামলায় শনিবার সকালে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। তার মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা দিয়েছে ইরান সরকার। আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করা হবে বলে জানিয়েছে দেশটি।

০ মাস আগে

ইরানে হামলার নিন্দা, যুদ্ধবিরতির আহ্বান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর

ইরানে হামলার নিন্দা, যুদ্ধবিরতির আহ্বান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন।

রবিবার (১ মার্চ) এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি ‌‘নিঃশর্তভাবে’ এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানান এবং ইরান ও দেশটির জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

আনোয়ার বলেন, “এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যকে দীর্ঘমেয়াদি ও গুরুতর অস্থিতিশীলতার দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে।”

তিনি আরো বলেন, “একজন রাষ্ট্রপ্রধানকে পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু বানানো একটি বিপজ্জনক নজির স্থাপন করে এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ভিত্তিমূল নীতি ও আদর্শকে দুর্বল করে।”

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী তেহরানকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে উত্তেজনা বৃদ্ধি থেকে সরে আসারও আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “আমাদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা আমরা নেব।”

আনোয়ার অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং অর্থবহ সংলাপে ফেরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এই সংকট শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন কূটনীতি, সংযম ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা।”

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ওই হামলার পর প্রতিরোধ হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। শনিবার থেকে আজ পর্যন্ত অনবরত হামলায় কাঁপছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য।

০ মাস আগে

বিশ্ববাজারে বাড়ছে তেলের দাম

বিশ্ববাজারে বাড়ছে তেলের দাম

ইরানের ওপর হামলার পর তেলের বাজার অস্থিতিশীল হতে শুরু করেছে। রবিবার তেল ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০ শতাংশ বেড়ে প্রায় ৮০ ডলারে পৌঁছেছে।

বিশ্লেষকরা ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, দাম বেড়ে ১০০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

বিশ্বব্যাপী তেলের দাম চলতি বছর বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার প্রতি ব্যারেল ৭৩ ডলারে পৌঁছেছিল, যা জুলাইয়ের পর থেকে সর্বোচ্চ। শনিবার তেলের ফিউচার ট্রেডিং বন্ধ ছিল।

আইসিআইএসের জ্বালানি ও পরিশোধন পরিচালক অজয় ​​পারমার বলেছেন, “যদিও সামরিক আক্রমণ নিজেই তেলের দাম বৃদ্ধির জন্য সহায়ক, এখানে মূল কারণ হল হরমুজ প্রণালী বন্ধ।”

তেহরান জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের বিরুদ্ধে সতর্ক করার পর, বেশিরভাগ ট্যাঙ্কার মালিক, তেল প্রধান এবং ট্রেডিং হাউসগুলো হরমুজ প্রণালী দিয়ে অপরিশোধিত তেল, জ্বালানি এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের চালান স্থগিত করেছে। বিশ্বব্যাপী তেলের ২০ শতাংশেরও বেশি হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়।

পারমার বলেন, “আমরা আশা করছি (সপ্তাহান্তের পরে) দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের কাছাকাছি চলে আসবে এবং যদি আমরা প্রণালীতে দীর্ঘস্থায়ী বিভ্রাট দেখতে পাই তবে সম্ভবত সেই স্তর ছাড়িয়ে যাবে।”

আরবিসি বিশ্লেষক হেলিমা ক্রফ্ট বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের নেতারা ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে দিয়েছেন যে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ফলে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারেরও বেশি হতে পারে। বার্কলেস বিশ্লেষকরাও বলেছেন যে দাম ১০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।

০ মাস আগে

প্রতিবেশীদের ক্ষোভ থাকলে তা ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হওয়া উচিত: ইরান

প্রতিবেশীদের ক্ষোভ থাকলে তা ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হওয়া উচিত: ইরান

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিয়ে আঞ্চলিক দেশগুলোর ক্ষোভ থাকলে তা ইরানের প্রতি নয়, বরং ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হওয়া উচিত।

রবিবার (১ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তিনি ইতোমধ্যে আঞ্চলিক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং ইরানের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন।

আরাগচি বলেন, “আমরা জানি তাদের অবস্থান কী। তারা সন্তুষ্ট নন; কেউ কেউ ক্ষুব্ধ, আবার কেউ কেউ বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করছেন।”

তিনি আরো বলেন, “আমি আশা করি তারা বুঝবেন, এই অঞ্চলে যা ঘটছে তা আমাদের দোষ নয়, আমাদের পছন্দও নয়। এই যুদ্ধ আমাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল চাপিয়ে দিয়েছে।”

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, “যদি তারা ক্ষুব্ধ হন, তাহলে তাদের ক্ষোভ ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হওয়া উচিত। আমাদের ওপর যুদ্ধ বন্ধের চাপ না দিয়ে, অন্য পক্ষের ওপর চাপ প্রয়োগ করা উচিত।”

০ মাস আগে

ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদও নিহত, দাবি পশ্চিমা মিডিয়ার

ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদও নিহত, দাবি পশ্চিমা মিডিয়ার

ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন বলে ইরানের সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে পশ্চিমা মিডিয়ায় প্রচার করা হয়েছে। ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যমগুলো সবার আগে এই খবর প্রকাশ করেছে। অবশ্য ইরানের কোনো কর্তৃপক্ষ তথ্যটির সত্যাসত্য নিয়ে কোনো কথা বলেনি। 

ক্ষমতা ছাড়ার পর তেহরানের নরমাক এলাকায় বসবাস করছিলেন আহমাদিনেজাদ। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) হামলার প্রথম দিনেই নরমাক এলাকায় একাধিকবার আকাশপথে বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। সে সময়ই তিনি নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ ইসরােয়েলি খবরের বরাত দিয়ে লিখেছে, এসব হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। 

ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলো অনেক খবর তাৎক্ষণিকভাবে জানায় না। আহমাদিনেজাদের নিহতের তথ্যও তারা চেপে রেখেছে কি না, তা বলা মুশকিল।

রবিবারও (১ মার্চ) ইরানের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা অব্যাহত ছিল। এর জবাবে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় তেহরান।

৬৯ বছর বয়সি আহমাদিনেজাদ ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তার শাসনামলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কট্টর রক্ষণশীল রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন আহমাদিনেজাদ।

তবে তার মৃত্যুর বিষয়ে ইরান সরকার তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। নরমাক এলাকায় তার বাড়ির কাছের হেদায়াত বিদ্যালয়ে শনিবারের হামলায় অন্তত দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়।

০ মাস আগে

খামেনি হত্যা: ভারতের শহরে শহরে মাতম, বিক্ষোভ

খামেনি হত্যা: ভারতের শহরে শহরে মাতম, বিক্ষোভ

মার্কিন-ইসরায়েল যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহতের ঘটনায় ভারতের উত্তর প্রদেশ, কাশ্মীরসহ বিভিন্ন রাজ্যে শিয়া মুসলিমরা বিক্ষোভ ও মাতম করছেন।

প্রতিবাদকারীরা ইরানের প্রতি সংহতি জানিয়ে সামরিক অভিযানের নিন্দা করেছেন। তারা একে মুসলিম বিশ্বের জন্য বিরাট ক্ষতি বলে অভিহিত করে আন্তর্জাতিক মহলকে দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে পরিস্থিতি আরো অবনতির দিকে না যায়।

রবিবার (১ মার্চ) সকাল থেকে কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগরের প্রধান চত্বরে লাল, কালো ও হলুদ পতাকা হাতে সমবেত হন কয়েক হাজার বিক্ষোভকারীরা। আবেগঘন হলেও সমাবেশটি ছিল শান্তিপূর্ণ। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের। শিয়া তরুণদের বুক চাপড়ে মাতম করতে দেখা যায়। 

বিক্ষোভকারী সাইয়্যেদ তৌফিক বলেন, ‍“আজ আমাদের সবার হৃদয় ভারাক্রান্ত। আমাদের প্রিয় নেতা শহীদ হয়েছেন, আমরা শোক পালন করছি।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের ট্রাম্পের প্রতি একটি বার্তা আছে… আমরা সবসময় আপনার নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়াব। যদি মনে করেন আমাদের প্রিয় নেতাকে শহীদ করে আমাদের দমিয়ে দিতে পারবেন, তবে তা ভ্রান্ত ধারণা… আমরা, খামেনির সন্তানরা, যতদিন বেঁচে আছি, ততদিন অত্যাচার চলতে দেব না।”

কাশ্মীরের বান্দিপুর, বুদগাম ও রামবান এলাকাতেও শিয়া মুসলিমরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে। রামবানে বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেয়, ‘তুম কিতনে হোসেইনি মারোগে... হার ঘর সে হোসেইনি নিকলেগা’। এর অর্থ ‘কত হোসেনিকে হত্যা করবে, প্রতিটি ঘর থেকে একজন হোসেনি জেগে উঠবে।” 

বিক্ষোভ চলাকালীন তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কুশপুতুল পোড়ায়। এ সময়ে বিক্ষোভকারীরা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতিকৃতি ও ইরানের পতাকা বহন করেন। রাস্তায় ছিল কালো পতাকা এবং ঐতিহ্যবাহী শোক স্লোগান (নওহা)।

খামেনি এবং তার পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুতে শোক বার্তা প্রকাশ করেছে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের শিয়া সমিতি। জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পিডিপি প্রধান মেহবুা মুফতি ইজরায়েল এবং আমেরিকার এই হামলা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। 

মেহবুবা মুফতি বলেন, “মুসলিম বিশ্বের একটি সরব কণ্ঠস্বর ইরান। কোনো মিসাইল ইরানের সার্বভৌমত্বকে লঙ্ঘন করতে পারবে না।” 

এদিকে কাশ্মীরের প্রধান ইমাম মীরওয়াইজ উমর ফারুকও ইরানের ওপর হামলার প্রতিবাদ করেছেন।

উত্তর প্রদেশের বিশিষ্ট মুসলিম ধর্মীয় নেতা অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের জাতীয় সভাপতি মাওলানা মুফতি শাহাবুদ্দিন রজভী বেরেলভী (রহ.) বলেন, “প্রায় চার দশক ধরে ইরানের নেতৃত্বদানকারী খামেনির মৃত্যু মুসলিম বিশ্বের জন্য গভীর ক্ষতি। এটি শুধু ইরানের মানুষের জন্য নয়, যারা তাকে সম্মান করতেন, তাদের সকলের জন্যই শোক ও বেদনার মুহূর্ত।”

তিনি অভিযোগ করেন, বহু বছর ধরেই তাকে টার্গেট করা হচ্ছিল এবং এই হামলা ইরানের নেতৃত্বকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা। 

পাশাপাশি ভারতে প্রতিবাদকারীদের গণতান্ত্রিক অধিকার শান্তিপূর্ণভাবে প্রয়োগের আহ্বান জানিয়ে শাহাবুদ্দিন রজভী বেরেলভী বলেন, যেন কোনোভাবেই হিংসা বা অশান্তির সৃষ্টি না হয়।

লখনউ ইসলামিক সেন্টারের চেয়ারম্যান মাওলানা খালিদ রশিদ ফিরঙ্গী মাহালী ইরানে হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “ইরান একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র। ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলা চরম নিষ্ঠুরতার পরিচয় দিয়েছে।” 

তিনি জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবিলম্বে সংঘাত বন্ধে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

শিয়া ধর্মীয় নেতা মাওলানা সাইফ আব্বাসও কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “এই হামলা সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ডের শামিল এবং বিশ্বজুড়ে এর নিন্দা হওয়া উচিত।” 

তিনি আন্তর্জাতিক শক্তির ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসনের সমালোচনা করে ক্রমবর্ধমান হিংসার জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

কাশ্মীর, উত্তর প্রদেশ ছাড়াও ভারতের যেসব এলাকায় শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের আধিপত্য রয়েছে, সেসব এলাকাতেও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

০ মাস আগে

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা অবৈধ আগ্রাসান: উত্তর কোরিয়া

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা অবৈধ আগ্রাসান: উত্তর কোরিয়া

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলাকে ‘অবৈধ আগ্রাসন’ বলে নিন্দা করেছে উত্তর কোরিয়া।

উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা ‘অবৈধ আগ্রাসন’ এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন। 

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি এই খবর প্রকাশ করেছে বলে রবিবার (১ মার্চ) বিকালে জানিয়েছে আলজাজিরা।

ওই মুখপাত্র বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা ‘প্রত্যাশার মধ্যেই ছিল’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘আধিপত্যবাদী ও গ্যাংস্টারসুলভ’ স্বভাবের কারণে এটি একপ্রকার অবশ্যম্ভাবী ফলাফল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই ‘আগ্রাসী যুদ্ধ’ কোনো পরিস্থিতিতেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছে উত্তর কোরিয়া।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে ইরানের ওপর একটানা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরানও। এই হামলার মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। অবশ্য তার মৃত্যুর পরও প্রতিরোধ হামলা অব্যাহত রেখেছে তেহরান।

ইরানের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। দেশটির নেতা কিম জং উনকে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রায়ই সোচ্চার হতে দেখা যায়।