সরাসরি: ইরানে দূতাবাস বন্ধ করে আমিরাতের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার
ইরানে নিজেদের দূতাবাস বন্ধ এবং রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সেদেশের ভূখণ্ডে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
রবিবার (১ মার্চ) রাতে এক বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তেহরানে তাদের দূতাবাস বন্ধ করা হচ্ছে এবং রাষ্ট্রদূতসহ কূটনৈতিক মিশনের সব সদস্যকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কৌশলগত যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক আফরা আল হামেলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিবৃতি পোস্ট করে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, “ইরানের প্রকাশ্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা দেশের বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় আঘাত হেনেছে, যার মধ্যে আবাসিক এলাকা, বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও সেবামূলক স্থাপনাও রয়েছে। এতে নিরস্ত্র সাধারণ নাগরিকরা ঝুঁকির মুখে পড়েছেন।”
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
দুবাই, আবুধাবি, কুয়েত ও মানামা বিমানবন্দরও ইরানি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এই হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানীতে একজন নিহতও হয়েছেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আগারচি বলেছেন, আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে কোনো সীমা নেই। তার এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, ইরানের বর্তমান সরকার শক্তির শেষবিন্দু দিয়ে লড়াই করতে চায়। অন্যদিকে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুও ইরানের বর্তমান শাসন ব্যবস্থার পতন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার হুংকার দিচ্ছেন। উভয় পক্ষ এখনো পর্যন্ত যুদ্ধে অনড়।
সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেগুলো ইরানে হামলায় ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে ওইসব মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে তেহরান। এতে লক্ষ্যবস্তুর বাইরেও সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের ভিডিওতে দেখানো হচ্ছে।
ঢাকা/রাসেল