ঢাকা     শনিবার   ১৩ এপ্রিল ২০২৪ ||  চৈত্র ৩০ ১৪৩০

কবিতার রামধনুতে নারী ও প্রেম

মণিকা চক্রবর্তী || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:৫৭, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪   আপডেট: ১১:৩৮, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
কবিতার রামধনুতে নারী ও প্রেম

কত আয়োজনে ও নৈপুণ্যে পৃথিবী আমাদের মননের যত্ন নিয়েছে, তা গভীরভাবে ভাবলে বিস্মিত হতে হয়। ফুলের সৌন্দর্যে যথাযথ রঙের পাপড়ির অনুপ্রাস, গহন বনের ভিতর নানা বর্ণের ও প্রজাতির উদ্ভিদের বিন্যাস, সুউচ্চ পাহাড়ের মাথায় চোখ ধাঁধানো সাদা তুষারের সম্মোহন, ভূতল থেকে আকাশসীমা পর্যন্ত কত সাজসজ্জা, কত রঙচঙ, কত ভাবভঙ্গি! ভাব প্রকাশের এই ধারাতে মানব মন যেমন বিস্মিত হয়েছে,তেমনি সৌন্দর্য সৃষ্টির এই রহস্যময় প্রক্রিয়ার ভিতর নিজেও ধাবিত হয়েছে। প্রকৃতির এই অফুরন্ত সৌন্দর্য সৃষ্টির প্রয়াসের সঙ্গে মানুষের মনোগত এক সার্থক যোগ রয়েছে। প্রকৃতি যেমন আপন খেয়ালে নিজেকে বদলে নেয়, আবার তার রঙ-রূপের ধাঁধাঁয় অন্যকেও বদলে দেয়, মানুষও তেমন করেই নিজের মনের রঙ আর রূপরেখায় তার চারপাশকে অনন্য করে তুলতে চায়। বস্তুকে অনন্যতা দেবার প্রয়াস তার চেতনাগত আকাঙ্ক্ষা। আর এই চেতনার বিকাশ সর্বদাই সৌন্দর্যমুখী। সিসিফাসের মতো পুনরাবৃত্তির যন্ত্রণালব্ধ জীবন যখন ক্রমান্বয়ে ক্লান্ত হতে হতে বিধ্বস্ত, তখন তার গোপন তন্ত্রীতে বেজে ওঠা চাই এক সুর, যা তার প্রাকৃতিক জীবনের ভিতর প্রাণাধিক আনন্দের শক্তিস্বরূপ। কী সেই অজ্ঞাত আনন্দ! আমরা তার নাম দিয়েছি ‘প্রেম’। 

প্রেম এক ভাবময় অভিভাব। ঘন গভীর হয়ে বেজে ওঠা এক অস্পর্শ ,অজানা একাকী নিথর চুপচাপ। এক অন্তরস্থিত জ্বলনই তার পরিণতি। কেবল আবহমান বিচ্ছিন্নতার যন্ত্রণার মধ্যেই তার বসবাস, তার পায়ের কাছে আছে ব্যথাধুপের পাত্রখানি, যা চির সুগন্ধময় আর তার বিচ্ছিন্নতার পরতে পরতে চোখের জলের উৎসার। গোপন অজানায় নিজেকে জানার আকাঙ্ক্ষায় যে আকুতি আর অনিবার্য যে ব্যর্থতা, তাই তার চোখে মাখিয়েছে নিস্তব্ধ কাজল আর অশ্রুআভাসের সুর। পরষ্পরকে খুঁজে না পাওয়ার অসহায় অবস্থার মধ্যে দিয়ে, না বলা কথার ভার বুকে নিয়ে তাই রচিত হয়েছে অজস্র প্রেমের কাব্য, যা প্রেম ও জীবনকে দিয়েছে অন্য ধরনের তাৎপর্য।

স্যাফো ছিলেন গ্রিক স্বর্ণযুগের একজন গীতিকাব্য রচয়িতা। তিনি লেসবস দ্বীপের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। নারীর প্রতি নারীর প্রেম ও আকাঙ্ক্ষার এক অনবদ্য উপাখ্যান তার জীবন। তার কবিতার বিষয়বস্তুও ছিল নারীর প্রতি প্রেম। তাকে সিসিলি দ্বীপে নির্বাসিত করা হয় আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ৬০০ অব্দে। স্যাফো প্রায় ১০ হাজার পংক্তি রচনা করেছিলেন। তা উচ্চ  প্রশংসিত হয়েছিল হেলেনিয় পণ্ডিতদের দ্বারা। 

মিলনে নয়, বিরহে আর বিচ্ছেদের দহনে দান্তের জীবনে প্রেম এসেছিল, আর তারই প্রেরণায় দান্তে হয়েছিলেন মহাকবি, কালজয়ী স্রষ্টা। মৃত্যু এসে ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছিল তার প্রেমিকা বিয়াত্রিচকে। তাকে নিয়ে তিনি রচনা করলেন অমর কাব্য ‘দ্য ডিভাইন কমেডি’। বিয়াত্রিচকে বাস্তব জীবনে পাননি তিনি, কিন্তু তার প্রেমকে কখনোই হারাননি। মনের গভীরে সযত্নে লালন করেছেন তাকে। যথার্থই এক স্বর্গীয় প্রেম।

নারীর গভীর গোপনে থাকে অন্য, অচেনা, নিষ্ঠুর ও রহস্যময় আরেক নারী, অনন্ত বেদনার মতো ব্যাখ্যাতীত। তাই, এ পর্যন্ত রচিত প্রেমের কবিতাগুলোতে কবির কাছে নারীই প্রকৃত প্রস্তাবে দূরের আকাশ, কবিতা লেখার অনির্দিষ্ট বেদনাবোধ ও চিত্রকল্পের এককুচি জ্যোৎস্না। নারীবোধের গভীরতর ব্যাখ্যা একমাত্র ভালবাসাই, তার নিয়তিও একমাত্র প্রেমেই। 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কবিতার কথা মনে পড়ছে। কবিতাটির নাম ‘প্রথম চুম্বন’। ‘স্তব্ধ হল দশ দিক নত করি আঁখি-/বন্ধ করি দিল গান যত ছিল পাখি’—কবিতাটির শুরু হয়েছে এভাবে। কবিতাটির স্বরের মৃদুতা ক্রমেই প্রকৃতির নিবিড় বর্ণনার ভিতর দিয়ে যখন বলে, ‘সেই ক্ষণে বাতায়নে নীরব নির্জন/আমাদের দুজনের প্রথম চুম্বন‘ তখন কবিতার সেই স্বর যেন আমাদেরও প্লাবিত করে সুখে, আনন্দে।

আবার অনন্ত প্রেম কবিতায় যখন দেখি, ‘আমরা দুজনে ভাসিয়া এসেছি, যুগল প্রেমের স্রোতে/অনাদি কালের হৃদয়-উৎস হতে’। কবিতাটি থেকে উৎসারিত প্রেমের নির্যাস উঠে আসে নতুন মাত্রায়। যেন নতুন করে পথ চলার কোনো ইঙ্গিত! 

কাজী নজরুল ইসলামের একটি কবিতা ‘গোপন প্রিয়া’, যেখানে কবি লিখেছেন, ‘পাইনি বলে আজো তোমায় বাসছি ভালো, রাণি/ মধ্যে সাগর, এপার-ওপার করছি কানাকানি‘—দুজন অসম্পূর্ণ মানুষের পরষ্পরকে খুঁজে না পাওয়ার কাহিনী। শুধু আধোখানি ভালবাসা, শুধু আবহমান বিচ্ছিন্নের যন্ত্রণা। 

বুদ্ধদেব বসুর ‘চিল্কায় সকাল’ কবিতাটিতে কয়েকটি লাইন মানবিক একাত্মবোধ ও প্রেম আর প্রকৃতিকে নিবিড়ভাবে পাইয়ে দেয়। কাছের মানুষটির পাশে বসে যেন নিবিড়ভাবে বলা—‘কী ভালো তোমাকে বাসি, কেমন করে বলি?/তুমি কি কখনো ভেবেছিলে, এই হ্রদের ধারে এসে আমরা পাবো যা এতদিন পাইনি? রূপোলি জল শুয়ে-শুয়ে স্বপ্ন দেখছে; সমস্ত আকাশ নীলের স্রোতে ঝড়ে পড়ছে তার বুকের উপর সূর্যের চুম্বনে। এখানে জ্বলে উঠবে অপরূপ ইন্দ্রধনু তোমার আর আমার রক্তের সমুদ্রকে ঘিরে/কখনো কি ভেবেছিলে?’ কবিতাটিতে একইসঙ্গে সীমা ও অসীমের মিলন দেখতে পাই। নারীপ্রেমের অনুভূতির সঙ্গে মেঘ, জল, সূর্য, প্রজাপতি সবাই একই যাত্রায় সঙ্গী হয়ে ওঠে।

কবি শামসুর রাহমানের প্রেমের কবিতা সংগ্রহের একটি কবিতা ‘তোমাকে না দেখে।’

‘তোমাকে না দেখে কাটে দিন, কাটে আর কত
         রাত্রির ফুরায় নিদ্রাহীন। শবযাত্রীর মতো
     স্মৃতি ক্লান্ত পায়ে আসে, হাতে কিছু বিবর্ণ গোলাপ।
         হঠাৎ কখনো যদি ডায়াল ঘোরাই টেলিফোনে
         একটানা বেজে চলে, ওপাড়ের নীরবতা বড়ো 
   অত্যাচারী, দিন যায়, রাত কাটে তোমাকে না দেখে।’
নিটোল প্রেমের আর্তি প্রকাশ পেয়েছে এই কবিতায়। বিচ্ছিন্নতার বোধের পরেই চূড়ান্ত হাহাকারের প্রকাশ রয়েছে কবিতাটির ভিতরে। প্রেমের অনুষঙ্গ শামসুর রাহমানের কবিতায় এক অনন্য আবহ দিয়েছে। প্রেমের সঙ্গে দেশপ্রেম, রাজনীতি, স্বাধীনতা সব মেলানো থাকলেও কবিতাগুলোর মধ্যে নারীর প্রতি প্রেমকে স্পষ্টভাবে আবিষ্কার করা যায়। 

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের অনেক প্রেমের কবিতার মধ্যে ‘জীবনের মতো’ কবিতাটিতে প্রেমের এক অনবদ্য রূপ প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। প্রেম এখানে আধুনিক সময়ের ভালবাসার এক যাত্রাপথ। যেখানে পৌঁছা যায়, আবার যায়ও না। প্রেমের দিকের এক নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে প্রথা ভেঙে বের হবার আধুনিক জীবনে প্রেমের প্রবণতাটির ইঙ্গিত আছে এই কবিতায়।
                   ‘যে আমাকে ইচ্ছে করেছে,
                    আমি তার
                    আর যে আমাকে করেনি,
                    আমি তারো
          প্রেম একটা জীবনের মতো, জীবন অনেকের।’

‘ভালবাসার সংজ্ঞা’ কবিতায় কবি রফিক আজাদ যখন বলেন –
           ‘ভালোবাসা মানে দুজনের পাগলামি,
          পরষ্পরকে হৃদয়ের কাছে টানা
            ভালোবাসা মানে জীবনের ঝুঁকি নেয়া
           বিরহ-বালুতে খালিপায়ে হাঁটাহাঁটি;’

শেষ লাইনে এসে, ‘ভালোবাসা মানে শেষ হয়ে যাওয়া কথার পরেও মুখোমুখি বসে থাকা’। কবিতাটি নিঃসন্দেহে একটি আদ্যোপান্ত রোমান্টিক কবিতা। সব কথা শেষ হয়ে যাবার পরেও যেখানে মুখোমুখি নিথর চুপচাপ বসে থাকার অনুভব তৈরি হয়, কোনো এক নারীর সান্নিধ্যে আমাদের মন নিয়ত সেই ভালবাসাই খোঁজে। 

কবি জীবনানন্দও খুঁজেছিলেন সেই নারীকেই, যার নাম দিয়েছিলেন তিনি‘বনলতা সেন’। অনেক অন্ধকার পেরিয়ে, অনেক কথার পাহাড় পেরিয়ে যেখানে মুখোমখি শুধু অনুভবের মন নিয়ে নিবিড়ভাবে বসে থাকা যায়। 

আকাশলীনা কবিতায় কবি জীবনানন্দ দাশ যখন সম্পূর্ণ অধিকার নিয়ে সুরঞ্জনাকে বলেন, ‘ঐখানে যেও নাকো তুমি, বোলো নাকো কথা ওই যুবকের সাথে/ফিরে এসো এই মাঠে, ঢেউয়ে,… কী কথা তাহার সাথে?...তার সাথে‘। তখন নারীর প্রেমকে কেন্দ্র করে প্রেম ও ঈর্ষার এক চিরন্তন রূপকে প্রতিষ্ঠিত করে এই কবিতাটি। নারীর প্রেমকে ঘিরে ঈর্ষার প্রতিফলনে কালে কালে ঘটে গেছে কত যুদ্ধ! কবিতাটি যেন সেই দিকেও ইঙ্গিত দিতে চায়।

‘সোনার দিনার নেই, দেনমোহর চেয়ো না হরিণী
যদি নাও দিতে পারি কাবিনবিহীন হাত দুটি
আত্মবিক্রয়ের স্বর্ণ কোনোকালে সঞ্চয় করিনি
আহত বিক্ষত করে চারদিকে চতুর ভ্রুকুটি;
ভালবাসা দাও যদি আমি দেব আমার চুম্বন’
কবি আল মাহমুদ খুব চমৎকারভাবে কবিতাটির শব্দচয়ন করেছেন। নারীর সামনে তুলে ধরেছেন পুরুষের প্রেম নিবেদনের এক স্বাতন্ত্রবাহী মেজাজ। অনুভবের সঙ্গে কোনো মায়াবী অলৌকিকতা নয়, বরং রয়েছে বাস্তব অভিঘাত সৃষ্টির প্রয়াস।

 
তোমার চোখ এতো লাল কেন? নির্মলেন্দু গুণের এই কবিতাটিতে রয়েছে এক ভিন্ন ধরনের হাহাকার ও ক্রাইসিস। 
‘আমি বলছি না ভালবাসতেই হবে, আমি চাই
কেউ একজন আমার জন্য অপেক্ষা করুক,
শুধু ঘরের ভিতর থেকে দরোজা খুলে দেবার জন্য।’

নারীর প্রেমের অভাবে ভিতরে ভিতরে কী ভিষণ রকমের আলাদা আর ছিটকে পড়া জীবনকে এঁকেছেন কবি! মনের সবটুকু যোগাযোগ ছিন্ন হবার পর এক অনিবার্য একাকিত্ব, যেখানে কেউ একজন আর অপেক্ষা করে না। থাকে শুধু সর্বগ্রাসী হাহাকার। নারী যখন চলে যায়, সে এমনি নিঠুরভাবেই চলে যায়, তখন তার কঠিন সত্তাকে কেউ আর টলাতে পারে না। এ কবিতায় নারীর সেই অবিচলিত কঠিন রূপটিকে পাই। কবি সেই নারীর কাছ থেকে ভালবাসা চাইতেও কুণ্ঠা বোধ করছেন, চাইছেন শুধু একটু সৌজন্যবোধ-
‘আমি চাই কেউ একজন জিজ্ঞেস করুক;
আমার জল লাগবে কি না, নুন লাগবে কি না
পাটশাক ভাজার সঙ্গে আরও একটা 
তেলে ভাজা শুকনো মরিচ লাগবে কি না।’
নারী যখন সহজপ্রাপ্য তখন তার অমল মহিমা কারো চোখেই পড়ে না। তাই, নারী সরে গেলে হয়ে ওঠেন দুষ্প্রাপ্য।

যুগে যুগে কবিতা ও প্রেম সেই নারীকেই সৌন্দর্যের নতুন নতুন মাত্রা আরোপ করে বদলে দেয়। প্রেমের ঝর্ণাধারায় নিত্যস্নানে নারী হয়ে ওঠে অনবদ্য। প্রেম না থাকলে নারী হয়ে ওঠে নিষ্ঠুর!

কবি তসলিমা নাসরিন যখন লেখেন—
‘ভুল প্রেমে কেটে গেছে তিরিশ বসন্ত,
তবু এখনো কেমন যেন হৃদয় টাটায়-
প্রতারক পুরুষেরা এখনো আঙ্গুল ছুঁলে
পাথর শরীর বয়ে ঝরনার জল ঝরে।’
নারী জানে, সর্ম্পকের প্রতিষ্ঠা না হলেও তার শরীরের অভ্যাস তাকে তাড়িত করে। এই কবিতায় রয়েছে সেই আত্মজৈবনিক উন্মোচন। ভুল প্রেমের মাশুল দেবার পরেও হৃদয় পুনর্বার প্রকাশিত হয়, কখনও বা ফুঁসে ওঠে।

কবি মহাদেব সাহার কবিতা চিঠি দিও। হায়, আজ আমরা হারিয়ে ফেলেছি চিঠির যুগ। অথচ দীর্ঘ শতাব্দী ধরে নারীর প্রেমে চিঠির ভূমিকা অনবদ্য। 
‘করুণা করে হলেও চিঠি দিও, খামে ভরে তুলে দিও
আঙুলের মিহিন সেলাই
ভুল বানানেও লিখো প্রিয়, বেশি হলে কেটে ফেলো তাও
একটু সামান্য দাবি চিঠি দিও, তোমার শাড়ীর মতো
অক্ষরের পাড়-বোনা একখানি চিঠি।’

এই কবিতায় নারীর প্রেমকে অনুভব করার সঙ্গে সঙ্গে চিঠির যুগটিও যেন মূর্ত হয়ে ওঠে। পুরো কবিতাটির গায়ে জড়িয়ে আছে নারীর সঙ্গে প্রকৃতির অন্বয় আর চিঠির ভিতর দিয়ে নারীকে বলা কথার মগ্নস্রোত।

যুগ পাল্টেছে। নারী ও পাল্টে গেছে। নানা মাত্রায় বদলে গেছে প্রেমের অপার্থিব বোধ। তবুও প্রেম এমন এক যাদু, যা অন্তর্নিহিত অগ্নিকে প্রজ্জ্বলিত করে।

আজকের এই পৃথিবীর সামনে ভালোবাসা যেন কুয়াশামাখা। সে যেন সব মর্যাদা হারিয়ে পড়ে আছে ধুলায়। শঙ্খ ঘোষের কবিতায় যেমন করে বলা হলো ভালোবাসা নিয়ে তা পাঠ করে আজকের সময়ে ভালোবাসাকে একবার নিঃশব্দে অনুভব করতে চাই। 
‘অবাধ নাচায় শূন্য জলের তরঙ্গ এই দাহ
ও তার ভিতরে আজ, তুমি ওর পাশে এসে বলো;
যতটুকু দেখে গেলে, ততটুকু নয়, আরো আছে
ভালোবাসা থেমে আছে আমারও আমুল অন্ধকারে।’              
 

ঢাকা/রফিক

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়