ঢাকা     রোববার   ২৬ জুন ২০২২ ||  আষাঢ় ১২ ১৪২৯ ||  ২৫ জিলক্বদ ১৪৪৩

১০ নারীকে সম্মাননা দিলো ‘পপ অব কালার’

খালিদ সাইফুল্লাহ্, এনএসইউ || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:১০, ৮ মার্চ ২০২২  
১০ নারীকে সম্মাননা দিলো ‘পপ অব কালার’

১০ জন সফল নারীকে সম্মাননা দিলো নারীদের নিয়ে কাজ করা ফিমেল কমিউনিটি পপ অব কালার। 

মঙ্গলবার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘রেইসিং অ্যাওয়ারেনেস এগেইনস্ট বায়াস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ১০ জন নারীকে সম্মাননা দেওয়া হয়। 

নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে সফল নারীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন পপ অফ কালারের প্রতিষ্ঠাতা টিংকার জান্নাত মিম। 

সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন পুষ্টিবিদ সামিয়া তাসনিম, মেকওভার আর্টিস্ট সাবিহা সাবরিন, ডা. নাফি ইসলাম, ডা. মাশিয়াত মাসুদ মোমো এবং উদ্যোক্তা মিথিলা ইসলাম, রেহনুমা বৃষ্টি, তনিমা রহমান, তানজিনা আক্তার, সামিরা চৌধুরী।

টিংকার জান্নাত মিম বলেন, প্রতিবছর মার্চ মাসে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন করা হয়। নারীদের অধিকারগুলো সম্পর্কে অবগত এবং সচেতন করাই এই দিবস উদযাপনের মূল উদ্দেশ্য। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে কয়েকবছর থেকেই আড়ম্বরপূর্ণভাবে উদযাপন করে আসছি আমরা।

তিনি আরও বলেন, সবসময় আমরা খুব উপরে উঠে যাওয়া প্রতিষ্ঠিত মানুষের গল্পগুলো শুনি। এর পাশাপাশি খুব সাধারণ কিছু মেয়ে আছেন, যারা প্রত্যেকে প্রচন্ড রকম বাধা ভেঙে ভালো পর্যায়ে এসেছেন। খুব বেশি সাপোর্ট তারা পাননি। তাই তাদের গল্প আমরা সবাইকে জানাতে চাই, অনুপ্রাণিত করতে চাই। এমন দশজনকে আমরা সম্মাননা প্রদান করছি।

উল্লেখ্য, পপ অব কালার বাংলাদেশের অন্যতম একটি রেজিস্টার্ড ফিমেল কমিউনিটি। ২০১৪ সালে শুরু হওয়া এই অর্গানাইজেশনের মূল উদ্দেশ্য হলো শারীরিক, মানসিক এবং অর্থনৈতিকভাবে মেয়েদের স্বাবলম্বী করতে বিনামূল্যে সাহায্য করা। এই লক্ষ্যে বিভিন্ন সেমিনার, ওয়ার্কশপ, ইভেন্টসহ এবং বিভিন্ন ধরনের চ্যারিটি নিয়মিত করছে পপ অফ কালার। 

গত আট বছরে ১৫ হাজারের বেশি মেয়েকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করেছে তারা। স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য মোটিভেশন এবং গাইডলাইন দেওয়ার পাশাপাশি প্রোডাক্টের সোর্স এবং প্রোডাক্টকে কাস্টমারের কাছে পৌঁছানোর জন্য প্রমোশন, মার্কেটিংসহ সব কাজ বিনামূল্যে করে থাকে পপ অফ কালার। ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম মিলিয়ে ১ লাখ ৪৪ হাজার নারীর একটি পরিবার এটি।

/মাহি/

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়