ঢাকা, সোমবার, ৭ কার্তিক ১৪২৫, ২২ অক্টোবর ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

জাতিকে সংকটের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী : ফখরুল

রেজা পারভেজ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৮-০১-১২ ১০:৪৪:৩৪ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০১-১৩ ৯:০৯:৫৬ এএম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে হতাশা প্রকাশ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তিনি দেশকে আরেক দফা সংকটের মুখে নিয়ে যাচ্ছেন।

জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ভাষণের পর শুক্রবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

শনিবার বিকেল ৩টায় একই স্থানে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেবে বিএনপি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, দেশে এখন রাজনৈতিক সংকট চলছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে কীভাবে নির্বাচন অর্থবহ করা যায় তা নিয়ে কিছু বলেননি। দুঃখজনকভাবে তার বক্তব্যে সংকট নিরসনের কোনো লক্ষণও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্যের সঙ্গে সত্যতার মিল নেই।

‘আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে যে সুষ্ঠু নির্বাচন দরকার, তার আয়োজনে সরকার আন্তরিক নয়। বর্তমান পরিস্থিতি এ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে জনগণ আশাহত হয়েছে’, বলেন তিনি।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের অবস্থার পরিবর্তনের কথা বলেছেন। কিন্তু বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের কথা বলায় সে সংকট তা রয়ে গেল। দেশের মানুষ অর্থবহ নির্বাচন দেখতে চায়। তার বক্তব্যের মধ্যে সমঝোতার ইঙ্গিত দেখা গেল না। এটা হতাশাজনক। মানুষ এ অন্যায় সহ্য করবে না।’

নির্বাচন নিয়ে কোনোরকম নৈরাজ্য সহ্য করা হবে না বলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যেকে ‘হুমকি’ মনে করছেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হুমকির সুরে এ কথা বলেছেন। আমরা বলতে চাই, নৈরাজ্য বিরোধী দল সৃষ্টি করে না। নৈরাজ্য করে সরকার। বিগত সময়ে তারাই নৈরাজ্য করেছিল যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। তার বক্তব্য জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’

সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে বলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, এ সংবিধান কাদের? কাদের দিয়ে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে? সংবিধান সংশোধনে জনগণের আশার প্রতিফলন হয়নি। একতরফাভাবে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করেছে।

রাতে বনানী মাঠে শীতবস্ত্র বিতরণের কথা থাকলেও উত্তর সিটি করপোরেশনের তফসিল ঘোষণা করায় তা বাতিল করা হয়। তফসিল অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রচার করা যাবে না। পরে মির্জা ফখরুলসহ নেতারা গুলশান কার্যালয়ে ফিরে যান।

কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা গৌতম চক্রবর্তী, অর্পণা রায়, চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




রাইজিংবিডি/ঢাকা/১২ জানুয়ারি ২০১৮/রেজা/মুশফিক

Walton Laptop
 
     
Walton