ঢাকা, মঙ্গলবার, ৭ মাঘ ১৪২৬, ২১ জানুয়ারি ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

এবার সোনা জিতলেন ‌জিয়ারুল

ক্রীড়া প্রতিবেদক, নেপাল থেক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১২-০৭ ২:৪৮:১৬ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১২-০৮ ৭:১৩:৪৫ এএম

এসএ গেমসে আজ মাবিয়া আক্তার সীমান্তর পর ভারোত্তোলন থেকে আরও একটি সোনা পেল বাংলাদেশ। এবার ছেলেদের ৯৬ কেজি ওজন শ্রেণিতে সোনা জিতেছেন ‌জিয়ারুল ইসলাম। তিনি হারিয়েছেন স্বাগতিক নেপালের বিশাল সিং বিস্টকে। এই বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতেছেন ভুটানের কেনলি গায়েলশেন।

স্ন্যাচে তিন লিফটে ‌জিয়ারুল তোলেন ১৩৫ কেজি। এরপর ক্লিন অ্যান্ড জার্কে তিন লিফটে তোলেন ২৬২ কে‌জি। অন্যদিকে নেপালের বিশার সিং বিস্ট স্ন্যাচে তোলেন ১৪০ কেজি। কিন্তু ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ২৪৭ এর বেশি তুলতে পারেননি। জিয়ারুলকে পেছনে ফেলতে শেষ লিফটে ১৫৬ কেজি তুলেতে হত বিশালকে। তিনি দুইবার চেষ্টা করেন। দ্বিতীয়বার তুলেও ফেলেছিলেন। আর এক সেকেন্ড রাখতে পারলেই জিয়ারুলকে পেছনে ফেলে সোনা জিতে নিতে পারতেন। কিন্তু ধরে রাখতে পারেননি।

সোনা জয়ের পর জিয়ারুল বলেন, ‘এটা আমার প্রথম এএস গেমসে অংশগ্রহণ এবং প্রথম আন্তর্জাতিক পদক। এটা জয়ের জন্য আমি আমার কোচ, সাধারণ সম্পাদক, ফেডারেশন, সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ দিতে চাই। আমি ভাবিনি যে সোনা জিতে ফেলব। তবে পরিশ্রম করেছি। সেই পরিশ্রমের ফল পেয়েছি। আমরা সাড়ে চার মাস কঠোর অনুশীলন করেছি। আসলে আমি মনে করি সোনা জিততে ভাগ্যও লাগে। আমি ভাগ্যবান। কারণ, এসব ক্ষেত্রে কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারবে না যে তিনি সোনা জিতবেন।’

জিয়ারুলের পরবর্তী লক্ষ্য এশিয়ান গেমস ও কমনওয়েলথ গেমসে অংশ নিয়ে দেশকে পদক এনে দেয়া। ভারোত্তোলনে আসার আগ্রহ কিভাবে তৈরি হলো? জিয়ারুল বলেন, ‘দিনাজপুরের কিষাণবাজারের ছেলে আমি। সেখানকার সিনিয়র ভারোত্তোলক মনোয়ার নিন্দা ও ফরহাদ ভাই ২০১০ এসএ গেমসে অংশ নিয়েছিলেন। তাদের দেখেই আমি এই খেলাটিতে আগ্রহী হই। ২০১০ সাল থেকেই খেলাটি শুরু করি। এক বছর খেলার পর বিরতি নেই। তখন আমি আর্মিতে জয়েন করি। এরপর আবার ২০১৫ সাল থেকে আবারও ওয়েটলিফটিং খেলা শুরু করি। আমার পরিবার আমাকে কখনই এই খেলা খেলতে মানা করেনি। আজকের এই সাফল্যে তারা সবাই অনেক খুশি হয়েছেন।’
 

পোখরা/আমিনুল/পরাগ