Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ২৮ অক্টোবর ২০২১ ||  কার্তিক ১২ ১৪২৮ ||  ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

Risingbd Online Bangla News Portal

গোপালগঞ্জে ১২২৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি

বাদল সাহা  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৩:৫৩, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৪:০৫, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
গোপালগঞ্জে ১২২৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি

গোপালগঞ্জে এখন শারদীয় দুর্গাপূজার হাওয়া বইছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে জেলার ১ হাজার ২২৮টি মন্দিরের মণ্ডপে শুরু হয়েছে প্রতিমা তৈরির কাজ। ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পী ও আয়োজকেরা। 

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ- গোপালগঞ্জ শাখা জানিয়েছে, গোপালগঞ্জ জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মণ্ডপ সদর উপজেলায়। এখানে ৩২১টি মন্দিরে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া কোটালীপাড়া উপজেলায় ২৯০টি, মুকসুদপুর উপজেলায় ২৮৭টি, কাশিয়ানী উপজেলায় ২৩৪টি এবং টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় ৯৬টি মন্দিরে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

জেলার বিভিন্ন মন্দির ঘুরে দেখা গেছে, গোপালগঞ্জের সকল মন্দিরগুলোতে শুরু হয়েছে প্রতিমা তৈরির কাজ। 

এবছর ১১ অক্টোবর মহাষষ্ঠীতে দেবী বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। চলবে আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত। এবছর  দেবী দুর্গা ঘোটকে (ঘোড়া) চড়ে পৃথিবীতে আসবেন। পূজার সকল আনুষ্ঠিকতা শেষে দোলায় চড়ে কৈলাশে ফিরবেন। ঢাকের বাজনা, উলুধ্বনি আর আরতীতে মুখরিত হয়ে উঠবে গোপালগঞ্জের পাড়া-মহল্লা থেকে গ্রাম।

ইতোমধ্যে মন্দিরগুলোতে খঁড় ও মাটি দিয়ে পরম যত্নে গড়ে উঠছে প্রতিমা। এখন চলছে দোঁ-আঁশ মাটির কাজ। আর এসব প্রতিমা তৈরিতে দম ফেলার ফুসরত নেই প্রতিমা শিল্পীদের। এরপর রং তুলির টানে প্রতিমাগুলো ফুটিয়ে তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন প্রতিমা শিল্পীরা। দেবী মা দুর্গা তার সাথে বিদ্যার দেবী স্বরসতী, ধন সম্পদের দেবী লক্ষ্মী এবং তার সাথে দেবতা কার্তিক ও গনেশসহ নানা দেব-দেবীর প্রতিমার রূপকে ফুটিয়ে তুলবেন নিপুণ হাতের ছোঁয়ায়।

এ বছর একেকজন প্রতিমা শিল্পীরা ৪ থেকে ৮টি করে প্রতিমা তৈরি করেছেন। তবে করোনাকালীন সময়ে চাহিদার তুলায় মজুরি কম পেলেও বাপ দাদার আদি পেশা টিকিয়ে রেখেছেন তারা।

প্রতিমা শিল্পী রাজীব সেন, রবীন্দ্রনাথ পাল ও পঞ্চানন পাল জানান, পূজা শুরুর দিন পর্যন্ত রং এর কাজ করতে হবে তাদের। তবে করোনাকালীন সময়ে চাহিদার তুলনায় মজুরি কম পাচ্ছেন তারা। 

আয়োজক জয়দেব সাহা, ভজন কুঁড়ি, দুলাল বিশ্বাস ও টিটু বৈদ্য জানান, ইতোমধ্যে আমরা সরকার ও পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনা পেয়েছি। এতে স্বাস্থ্যবিধি মানার পাশাপাশি শুধুমাত্র মন্দিরের ভিতরে বিভিন্ন আয়োজনের কথা বলেছে। তারপরেও দর্শনার্থীদের চলাচলের সুবিধার্থে সড়কগুলোতে আলোকসজ্জা করা হবে। 

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ডা. অসিত কুমার মল্লিক বলেন, প্রতিটি মন্দিরে নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

গোপালগঞ্জ/টিপু

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়