ঢাকা     সোমবার   ২২ এপ্রিল ২০২৪ ||  বৈশাখ ৯ ১৪৩১

রাবিতে চবির ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা, উপস্থিতি ৮৩.৭৫ শতাংশ

রাবি সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:১৭, ২ মার্চ ২০২৪   আপডেট: ১৮:২৭, ২ মার্চ ২০২৪
রাবিতে চবির ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা, উপস্থিতি ৮৩.৭৫ শতাংশ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি যুদ্ধ শুরু হলো আজ। বিশ্ববিদ্যালয়টি এবার প্রথমবারের মতো আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া শুরু করেছে। শনিবার (২ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। 
বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাও আঞ্চলিক কেন্দ্রে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ভর্তি পরীক্ষা সূত্রে গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব ক্যাম্পাসে ভর্তি পরীক্ষা নিলে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের আবাসন, খাদ্য ও যাতায়াতসহ নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আরও একটি বড় সমস্যা দেখা যায়, শিফট ভিত্তিক পরীক্ষা পরবর্তী একক মেরিট লিস্টে ফলাফল নিয়ে। আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়ায় এসব সংকটের নিরসন হয়েছে বলে মনে করছেন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

কথা হয় গাইবান্ধা থেকে আঞ্চলিক কেন্দ্র রাবিতে পরীক্ষা দিতে আসা সৌরভ সরকার জয় নামে এক ভর্তিচ্ছুর সঙ্গে। তিনি বলেন, গত বছরে আমি পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলাম চট্টগ্রামে। আমার প্রায় ৫৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়েছিল। যেতেই সময় লেগেছিল প্রায় ১৪ ঘণ্টা। এ বছর আমি আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরীক্ষা দিলাম। তিন ঘণ্টার ভিতরেই নিজের এলাকা থেকে চলে আসছি। এখানে ভোগান্তি লাঘবের পাশাপাশি অনেক সময় বেঁচে গেছে।

সানজানা সুলতানা তৃণা এসেছেন গোপালগঞ্জ থেকে। তিনি বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরীক্ষার তারিখ ঠিক করার বেশ সমন্বয়হীনতা দেখা যায়। ফলে বিপদে পড়তে হয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের। তবে এ বছর খুবই ভালো হয়েছে আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরীক্ষা হওয়ায়। আমি চবি পরীক্ষার কেন্দ্র দিয়েছি রাজশাহীতে। একই সঙ্গে দুইটা পরীক্ষা দিয়ে যেতে পারব। এতে অর্থ সাশ্রয় হবে, পাশাপাশি ভোগান্তি অনেকটা কম হবে।

শিফট পদ্ধতিতে ভর্তি প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে ও বাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা আঞ্চলিক কেন্দ্রের দাবি করেন আব্দুল্লাহ আল সিয়াম নামে আরেক পরীক্ষার্থী। তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে চবির পরীক্ষা শিফট ভিত্তিক হয়েছে। এতে অনেকেই আশানুরূপ ফলাফল পায়নি। আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরীক্ষা হওয়ার কারণে ধারণ ক্ষমতা বেড়েছে এবং শিফট ভিত্তিক পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। এতে আশা করছি ফলাফল নিয়ে কোন অভিযোগ থাকবে না। আমরা চাই, বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরীক্ষা যেন এমন আঞ্চলিক কেন্দ্রে হয়।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন, আগের পরীক্ষাগুলোর তুলনায় আজকের পরীক্ষাও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে আমাদের প্রক্টরিয়াল বডি সার্বক্ষণিক প্রস্তুত ছিল।

/শাকিবুল/মেহেদী/

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়