ঢাকা     শনিবার   ১৫ জুন ২০২৪ ||  আষাঢ় ১ ১৪৩১

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ধোনিদের ছিটকে প্লে-অফে বেঙ্গালুরু

ক্রীড়া ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১১:৫২, ১৯ মে ২০২৪   আপডেট: ১২:০৪, ১৯ মে ২০২৪
রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ধোনিদের ছিটকে প্লে-অফে বেঙ্গালুরু

এই ম্যাচকে আইপিএলের চলতি আসরের সবচেয়ে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছিল। মাঠের লড়াইয়েও সেটা দেখা গেল। প্লে-অফের টিকিট পেতে হলে দুই দলেরই দরকার ছিল জয়ের। তবে চেন্নাইয়ের শুধু জয় পেলেই চলতো। অন্যদিকে অন্তত ১৮ রানের ব্যবধানে ম্যাচ জিততে হতো বেঙ্গালুরুকে।

চেন্নাইয়ের সামনে আরেকটা সমীকরণ ছিল। সেটা হলো, ২০১ রান করতে পারলেই চলবে, এরপর হেরে গেলেও সমস্যা নেই। শেষ দিকে ক্রিজে ছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা এবং মহেন্দ্র সিং ধোনি। দুজনের দারুণ বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিংয়ে বেশ জমে উঠে ম্যাচ। শেষ ওভারে জয়ের জন্য চেন্নাইয়ের দরকার ছিল ৩৫ রান আর প্লে-অফে যেতে দরকার ছিল ১৭ রান।

ধোনি প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন। তবে পরের বলেই বিলিয়ে দিয়েছেন উইকেট। এরপর ১ বল ডট। পরের বলে সিঙ্গেল নেন শার্দুল ঠাকুর। শেষ ২ বলে ১০ রান দরকার ছিল। জাদেজা স্ট্রাইকে থাকলেও সেটা পারেননি। আর তাতেই ২৭ রানের দারুণ জয়ের ফলে প্লে-অফের টিকিট পায় বেঙ্গালুরু।

শনিবার (১৮ মে) চেন্নাইয়ের এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসির ফিফটি এবং বাকিদের অবদানে ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২১৮ রান করে বেঙ্গালুরু। জবাব দিতে নেমে রাচিন রবীন্দ্রর ফিফটি এবং রবীন্দ্র জাদেজার ঝড়ের পরও ৭ উইকেটে ১৯১ রানের বেশি করতে পারেনি চেন্নাই।

টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে বেঙ্গালুরু ৩ ওভারে বিনা উইকেটে ৩১ রান তুললে বৃষ্টিতে ম্যাচ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকে। বৃষ্টির পরে পুনরায় খেলা শুরু হলে কোহলি ও ডু প্লেসি মিলে ঝড়ো ব্যাটিং শুরু করেন। ডু প্লেসি ৩টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৩৯ বলে ৫৪ রান করে রান আউট হন। হাফ-সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন কোহলিও। তিনি ৩টি চার ও ৪টি ছক্কার মারে ২৯ বলে করেন ৪৭ রান।

এরপর রজত পতিদার ২৩ বলে ৪১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে মাঠ ছাড়েন। তার ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ৪টি ছক্কা। ১৭ বলে ৩৮ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন ক্যামেরন গ্রিন। তিনি হাঁকান ৩টি চার ও ৩টি ছক্কা। ১টি করে চার-ছক্কার মারে ৬ বলে ১৪ রান করেন দীনেশ কার্তিক। ৫ বলে ১৬ রান করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।

চেন্নাই সুপার কিংসের শার্দুল ঠাকুর ২টি উইকেট পেলেও ৪ ওভারে খরচ করেন ৬১ রান। ১টি করে উইকেট নেন তুষার দেশপান্ডে ও মিচেল স্যান্টনার।

রান তাড়ায় নেমে এক দিক আগলে লড়াকু হাফ-সেঞ্চুরি করেন রাচিন। তিনি ৫টি চার ও ৩টি ছক্কার মারে ৩৭ বলে ৬১ রান করে আউট হন। ২২ বলে ৩৩ রান করেন অজিঙ্কা রাহানে। ২২ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন রবীন্দ্র জাদেজা। এই অলরাউন্ডারের ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন। ১৩ বলে ২৫ রান করেন মহেন্দ্র সিং ধোনি।

বেঙ্গালুরুর হয়ে যশ দয়াল ৪ ওভারে ৪২ রান খরচ করে ২টি উইকেট তুলে নেন। শেষ ওভারে যশ দয়ালের কাছেই হারতে হয় ধোনিদের। ম্যাচের সেরা হন ডু প্লেসি।

ঢাকা/বিজয়

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়