ঢাকা     শনিবার   ২৫ মে ২০২৪ ||  জ্যৈষ্ঠ ১১ ১৪৩১

ফরিদপুরে বাস-পিকআপ সংঘর্ষ, আরও একজনের মৃত্যু 

ফরিদপুর প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:৫০, ১৬ এপ্রিল ২০২৪  
ফরিদপুরে বাস-পিকআপ সংঘর্ষ, আরও একজনের মৃত্যু 

ফরিদপুরে বাস ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ইকবাল হোসেন (৩৫) নামে আরও একজন মারা গেছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এনিয়ে ওই ঘটনায় মৃত্যের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. সিদ্দিকুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

ডা. সিদ্দিকুর রহমান জানান, মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান ইকবাল।

আরও পড়ুন: ফরিদপুরে নিহতদের পরিবার পাচ্ছে ৫ লাখ টাকা, আহতরা ৩

এর আগে, মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুরের কানাইপুরের দিকনগর এলাকায় বাস ও পিকআপ ভ্যানের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলেই ১১ জন নিহত হন। আহত সাতজনকে উদ্ধার করে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যালে নেওয়ার পথে একজন ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান। পরে ঢাকায় নেওয়ার পথে ইকবাল হোসেনের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:  ফরিদপুরে বাস-পিকআপ দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, নিহত বেড়ে ১৩

নিহত অন্য ১৩ জন হলেন- ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সত্তরকান্দা গ্রামের তারা মোল্লার ছেলে মিলন মোল্লা ওরফে রফিক (৫৫), তার স্ত্রী সুমি বেগম (৩০), দুই ছেলে মো. আবু সিনান (৩) ও মো. রুহান মোল্লা (৮), একই গ্রামের ওহাব মোল্লার স্ত্রী মর্জিনা বেগম (৭৩), আলফাডাঙ্গা উপজেলার চর বাকাইল গ্রামের রশিদ খানের ছেলে তবিবুর খান (৫৫), বেজিডাঙ্গা গ্রামের মিল্টন শেখের স্ত্রী সোনিয়া বেগম (২৮) ও মেয়ে নুরানী আক্তার (২), একই গ্রামের নান্নু মোল্লার স্ত্রী জাহানারা বেগম (৪৫), কুসুমদী গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে নজরুল ইসলাম (৩৫), হিদাডাঙ্গা গ্রামের সৈয়দ নেওয়াজ আলীর মেয়ে কোহিনুর বেগম (৬০), আলেক সরদারের স্ত্রী শুকুরুন্নেছা (৭০) এবং ইব্রাহিম খানের স্ত্রী সূর্য বেগম (৪০)।

আরও পড়ুন: ফরিদপুরে বাস-পিকআপের সংঘর্ষে নিহত ১১

ফরিদপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. মোরশেদ আলম বলেন, যাত্রীবাহী বাসটি ঢাকা থেকে মাগুরার দিকে যাচ্ছিল। ঘটনাস্থলেই ১১ জনের মৃত্যু হয়। আহত সাত জনকে উদ্ধার করে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যালে নেওয়ার পথে একজন ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান। ইকবাল হোসেন নামে একজন ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা গেছেন।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা এবং আহতদের প্রত্যেককে তিন লাখ টাকা করে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে।

তামিম/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়