ঢাকা     রোববার   ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ১১ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

ছাত্রদলের অভিযোগে ঢাবি প্রশাসনের তদন্ত

ঢাবি প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:২৭, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬  
ছাত্রদলের অভিযোগে ঢাবি প্রশাসনের তদন্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে চাঁদাবাজি, ভাঙচুর ও উচ্ছেদের অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেয়।

রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় অভিযোগপত্র জমা পড়ার পরপরই প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘সত্যানুসন্ধান’ কমিটি গঠনের ঘোষণা আসে। প্রশাসন সূত্র জানায়, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরো পড়ুন:

ছাত্রদল সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনের সই করা অভিযোগপত্রে বলা হয়, গত সেপ্টেম্বরের বিতর্কিত ডাকসু নির্বাচনের পর থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা ক্ষুদ্র ও ভ্রাম্যমাণ দোকান ঘিরে একটি সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু বিতর্কিত ডাকসু প্রতিনিধি প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহায়তায় এই সিন্ডিকেট পরিচালনা করছেন।

অভিযোগে আরো বলা হয়, সিন্ডিকেটের বাইরে থাকা দোকানগুলো ভাঙচুর ও উচ্ছেদের শিকার হচ্ছে। পাশাপাশি প্রায় দেড় মাস আগের একটি ভিডিও নতুন করে সম্পাদনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তৈরির চেষ্টা চলছে।

ছাত্রদল তাদের আবেদনে দুটি দাবি জানায়; ক্যাম্পাসে ছোট দোকান পরিচালনার নীতিমালা স্পষ্ট করা এবং অভিযোগের সঙ্গে জড়িত ডাকসু প্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। এসব বিষয়ে রাত ৮টার মধ্যে প্রশাসনের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অগ্রগতি না হলে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন, তার আহ্বায়ক করা হয়েছে সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মিরাজ কোবাদ চৌধুরীকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন; সহকারী প্রক্টর ড. এ কে এম নূর আলম সিদ্দিকী, অধ্যাপক ড. শান্টু বড়ুয়া এবং ভারপ্রাপ্ত এস্টেট ম্যানেজার ফাতেমা বিনতে মুস্তফা (সদস্য-সচিব)। কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ দাখিলের পর সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, “পুরোনো ভিডিও সামনে এনে পরিকল্পিতভাবে ছাত্রদলের নাম জড়িয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলা হচ্ছে।” ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকেন্দ্রিক গণজোয়ারকে বিতর্কিত করতেই এসব ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

এমনকি ভ্রাম্যমাণ দোকান কারা পরিচালনা করছে, প্রশাসনের ভূমিকা কী, এসব প্রশ্নের উত্তর জানতেই তারা প্রক্টরের কাছে গেছেন। একই সঙ্গে তদন্তে ছাত্রদলের কেউ জড়িত প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে সংগঠনটির আপত্তি নেই বলে জানান তিনি।

ঢাকা/সৌরভ/জান্নাত

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়