ইবনে সিনার ৯ মাসে মুনাফায় প্রবৃদ্ধি, তৃতীয় প্রান্তিকে ভাটা
পুঁজিবাজারে ওষুধ ও রসায়ন খাতে তালিকাভুক্ত ইবনে সিনা ফার্মাসিটিক্যালস পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ চলতি অর্থহিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২৬) ও ৯ মাসে (জুলাই ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির ৯ মাসে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) বেড়েছে ৩৩.৬৯ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে, বুধবার (২২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে তৃতীয় প্রান্তিক ও ৯ মাসের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।
তথ্য মতে, ইবনে সিনা ফার্মাসিটিক্যালস পিএলসি চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে আয়ে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। তবে, কোম্পানিটির তৃতীয় প্রান্তিকের ব্যবসায় কিছুটা ভাটা দেখা গেছে।
চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির সমন্বতি শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৪.৬৭ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৫.৫৫ টাকা। সেহিসেবে আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা কমেছে ০.৮৮ টাকা বা ৩২.৭৫ শতাংশ।
এদিকে, তিন প্রান্তিক মিলে বা ৯ মাসে কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে হয়েছে ১৯.৯৪ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ১৫.০২ টাকা। সেহিসেবে আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে ৪.৯২ টাকা বা ১৫.৮৫ শতাংশ।
২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৩৯.১০ টাকা।
ইবনে সিনা ফার্মাসিটিক্যালস পিএলসি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ১৯৮৯ সালে। ‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৩২ কোটি ২৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। সে হিসাবে কোম্পানিটির শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ১২ রাখ ৪৩ হাজার ৬২৭টি। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে ৪৪.৬৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৫.১৯ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩০.১৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
ঢাকা/এনটি/মাসুদ