রাফিনিয়ার কি বিশ্বকাপ শেষ?
|| রাইজিংবিডি.কম
ব্রাজিল শিবিরের আনন্দ-উচ্ছ্বাস মুহূর্তেই রূপ নিল একরাশ উৎকণ্ঠায়। মরক্কোর বিপক্ষে সেই মলিন ড্রয়ের ধাক্কা সামলে হাইতিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে যখন মাঠ ছাড়ছিল সেলেসাওরা, তখন ড্রেসিংরুমের আবহ পুরোপুরি স্বস্তির ছিল না। কারণ, জয়ের উল্লাসের সমান্তরালে সেখানে তখন হানা দিয়েছে চোটের এক বড় ধাক্কা।
হাইতির বিপক্ষে ম্যাচটিতে প্রথমার্ধের খেলা চলছিল। ব্রাজিলের তারকা উইঙ্গার রাফিনিয়া বল নিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে গতি বাড়াতে গিয়েই হঠাৎ থমকে দাঁড়ান। ডান পায়ের থাই চেপে ধরে মাঠের ওপর তার বসে পড়ার দৃশ্যটি মুহূর্তেই স্তব্ধ করে দেয় গ্যালারির ব্রাজিল সমর্থকদের। সাইডবেঞ্চে বসা কোচ কার্লো আনচেলত্তির কপালেও তখন চিন্তার ভাঁজ। হ্যামস্ট্রিংয়ের তীব্র টান এতটাই তীব্র ছিল যে, প্রথমার্ধের বাঁশি বাজার আগেই ব্যথায় কুঁকড়ে যাওয়া রাফিনিয়াকে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হতে হয়।
ম্যাচ শেষে রাফিনিয়ার এই চোট নিয়ে উদ্বেগ লুকাতে পারেননি কোচ আনচেলত্তি। কিছুটা চিন্তিত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আমাদের তাকে ভালোভাবে পরীক্ষা করতে হবে। চোট কতটা গুরুতর এবং তাকে কতদিন মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে, সেটা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।’
অথচ এই ম্যাচটি হতে পারত নিখাদ উদযাপনের। মরক্কো ম্যাচের পর সমালোচনার যে তীব্র তির ধেয়ে আসছিল, তার মোক্ষম জবাব মাঠেই দিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আক্রমণভাগের দারুণ বোঝাপড়ায় ম্যাতিউস কুনিয়া করেছেন চোখ ধাঁধানো জোড়া গোল, আর গতির ঝড় তুলে জালের ঠিকানা খুঁজে নিয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। প্রথমার্ধের সেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সেই ৩-০ গোলের জয় নিশ্চিত করে গ্রুপ সি থেকে নকআউট পর্বে ওঠার পথটা অনেকটাই মসৃণ করে ফেলেছে সেলেসাওরা।
ঢাকা/নাভিদ
হাম উপসর্গে আরো ৭ শিশুর মৃত্যু