ঢাকা     শুক্রবার   ১৯ জুন ২০২৬ ||  আষাঢ় ৫ ১৪৩৩ || ৩ মহররম ১৪৪৮ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

আমার মেয়েরা কী আয়োজন করবে, আমি তা জানি না: দিলারা জামান

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৪৮, ১৯ জুন ২০২৬   আপডেট: ১৭:৫৫, ১৯ জুন ২০২৬
আমার মেয়েরা কী আয়োজন করবে, আমি তা জানি না: দিলারা জামান

দুই মেয়ের সঙ্গে দিলারা জামান

জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনেত্রী দিলারা জামান। শুক্রবার (১৯ জুন) পঁচাশি পূর্ণ করে ৮৬ বছরে পা দিতে যাচ্ছেন। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অসংখ্য সম্মাননা ও দর্শকের মুঠো মুঠো ভালোবাসা পেয়েছেন। তবে এবারের জন্মদিনটা তার কাছে বিশেষ। বহুদিন পর প্রবাসে থাকা বড় মেয়েকে কাছে পেয়েছেন। আর এটিকে তিনি মনে করছেন—জীবনের সবচেয়ে বড় উপহার। 

আরো পড়ুন:

জন্মদিনের অনুভূতি জানাতে গিয়ে দিলারা জামান বলেন, “বড় মেয়ে দেশে এসেছে। ওকে কাছে পেয়েছি, এটাই আমার জন্য সবচেয়ে বড় আনন্দ।” 

জন্মদিনে কোনো জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন নিয়ে তিনি ভাবছেন না। বরং পুরো বিষয়টিই ছেড়ে দিয়েছেন মেয়েদের ওপর। হাসতে হাসতে এই গুণী অভিনেত্রী বলেন, “আমার মেয়েরা কী আয়োজন করবে, আমি নিজেও জানি না। আমি বাসায় আছি, সবাই আসছে, শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। এভাবেই দিনটা ভালো কাটছে।” 

বয়সকে তিনি জীবনের স্বাভাবিক নিয়ম বলেই মনে করেন। তাই জন্মদিনে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে তার একটাই চাওয়া, সুস্থ থাকা। তার ভাষায়, “দিনের পর দিন তো বয়স বাড়ছেই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, যেন সুস্থ থাকতে পারি।” 

অভিনয় এখনো তার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে মেয়ের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য এ মাসে নতুন কোনো কাজ রাখেননি। যদিও দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও অনুরোধের কারণে মাসের শেষ দিকে একটি কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “মেয়ে এসেছে বলে এই মাসে কাজ রাখিনি। তবে ২২ বা ২৩ তারিখে একটি কাজ করতে হবে। ওরা অনেক অনুরোধ করেছে।” 

১৯৪৩ সালের ১৯ জুন, অবিভক্ত ভারতের বর্ধমান জেলায় জন্ম নেওয়া দিলারা জামান দেশভাগের পর পরিবারের সঙ্গে বাংলাদেশে চলে আসেন। শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। তবে ১৯৬৫ সালে আলাউদ্দিন আল আজাদের রচনা ও মোহাম্মদ জাকারিয়ার পরিচালনায় ‘ত্রিধারা’ দিয়ে শুরু হয় দিলারা জামানের অভিনয়জীবন। 

এরপর নাটক ও চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদান রেখে দিলারা জামান হয়ে ওঠেন দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অন্যতম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ বহু সম্মাননা পেয়েছেন। সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৯৩ সালে তিনি লাভ করেন দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক।

ঢাকা/রাহাত/শান্ত

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়