RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২০ ||  অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৭ ||  ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

সুবর্ণচরে পাঁচ টুকরো করে হত্যা, আরও ২ আসামি গ্রেপ্তার

নোয়াখালী প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:০১, ২৪ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ০৯:০৩, ২৪ অক্টোবর ২০২০
সুবর্ণচরে পাঁচ টুকরো করে হত্যা, আরও ২ আসামি গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে নুর জাহানকে (৫৭) পাঁচ টুকরো করে হত্যার ঘটনার মামলায় পলাতক আরও  ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা ডিবি পুলিশ।

এই দুই আসামি গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে এ মামলার সকল আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলো।

শুক্রবার ( ২৩ অক্টোবর) রাতে জেলা ডিবি পরিদর্শক মো. জাকির হোসেন গণমাধ্যম কর্মীদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বর এলাকা থেকে তাদের দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন— হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৬ নম্বর আসামি চরজব্বর ইউনিয়নের জাহাজমারা এলাকার মৃত মমিন উল্যার ছেলে মো. ইসমাইল (৩৫) ও ৭ নম্বর আসামি চরজব্বর ইউনিয়নের জাহাজমারা এলাকার মারফত উল্যার ছেলে মো. হামিদ (৩৪)।

ডিবি পরিদর্শক মো. জাকির হোসেন জানান,  গ্রেপ্তার দুই আসামিকে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে শুক্রবার বিকেলে আদালতে সোপর্দ করলে আদালত আগামী রোববার রিমান্ড শুনানির আদেশ দিয়ে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।  সঙ্গে সঙ্গে এ আসামিদের আগাম রিমান্ড শুনানির সময় আদালতে হাজির করার জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে আদেশের অনুলিপি পৌঁছানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা চরজব্বর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নুরজাহান বেগম (৫৭) নামে এক নারীকে পাঁচ টুকরো করে হত্যার ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। নিহতের ছেলে হুমায়ুনসহ তার ৬ সহযোগী মিলে ভিকটিমকে হত্যা করে খণ্ডিত টুকরোগুলো ধান ক্ষেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখে।

এ হত্যার ঘটনায় প্রথমে ভিকটিমের ছেলে হুমায়ুন কবির হুমা (২৮) বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্র ধরে পুলিশ তদন্তে নামলে হত্যার সঙ্গে সন্তানের সরাসরি জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। একইসাথে তার সঙ্গে তার ৭ সহযোগী মিলে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে নিশ্চিত হয় পুলিশ।

এর মধ্যে গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে চারজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। একই সঙ্গে আটক নিহতের ছেলের বন্ধু নিরব ও কসাই নুর ইসলামের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাপাতি, বালিশ, কোদাল, ভিকটিমের ব্যবহৃত কাপড় উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় নোয়াখালী পুলিশ সুপার অফিসে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে চট্রগ্রাম রেঞ্চের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সুজন/বুলাকী

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়