ঢাকা     শুক্রবার   ১৯ জুলাই ২০২৪ ||  শ্রাবণ ৪ ১৪৩১

পাবনা-২ আসন

নৌকা প্রতীক ও প্রার্থীর নাম সম্বলিত শীতবস্ত্র বিতরণের অভিযোগ

পাবনা প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:১২, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩  
নৌকা প্রতীক ও প্রার্থীর নাম সম্বলিত শীতবস্ত্র বিতরণের অভিযোগ

পাবনা-২ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আহমেদ ফিরোজ কবিরের নাম ও নৌকা প্রতীক সম্বলিত মাফলার, সোয়েটার ভোটারদের মাঝে বিতরণের অভিযোগ উঠেছে।

তার সমর্থক নেতাকর্মী ও ভোটারদের মাঝে মাফলার, সোয়েটার বিতরণের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোটারদের এমন উপহার দেওয়া হলেও, বিষয়টি জানেন না নৌকার প্রার্থী আহমেদ ফিরোজ কবির।

খোঁজ নিয়ে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পাওয়া ছবি থেকে জানা গেছে, একটি কালো রংয়ের মাইক্রোবাস নিয়ে নৌকা প্রার্থীর সমর্থক কিছু নেতাকর্মী নির্বাচনি এলাকার কয়েকটি স্থানে ভোটারদের শরীরে সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবিরের নাম ও তার প্রতীক নৌকা ছাপানো শীত নিবারণের মাফলার এবং হাফ সোয়েটার পড়িয়ে দিচ্ছেন। যা ভোটারদের মধ্যে প্রভাব বিস্তার ও নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

এদিকে কয়েকদিন আগে সুজানগরের মানিকহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংসদ সদস্যের নাম ও নৌকা প্রতীক প্রিন্ট করা মাফলার বেশ কিছু নেতাকর্মী গলায় পেঁচিয়ে ফটোসেশন করেন। এই ছবি ফেসবুকে আপলোড করেন সুজানগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সানোয়ার হোসেন।

এই আসনের ঈগল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল আজিজ খান বলেন, 'ভোটারদের আকৃষ্ট করতে তাদের সোয়েটার, মাফলার বিতরণ করার বিষয়টি দুঃখজনক। এতে ভোটাররা প্রভাবিত হতে পারেন। আমি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।'

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আহমেদ ফিরোজ কবির বলেন, 'এমন কোনো পোশাক বিতরণের বিষয় আমার জানা নেই। তবে কিছু টি-শার্ট অনেক আগে বিতরণ করা হয়েছিল। এখন হয়তো তারা পড়তে পারেন।'

নাম ও প্রতীক ছাপানো শীতকালীন মাফলার ও সোয়েটার পড়ানো হচ্ছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, 'আপনাদের মাধ্যমে জানলাম৷ আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি কারা কি উদ্দেশ্যে এমন কাজ করছে।'

এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য প্রচার অভিযান (সুপ্র) পাবনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম বলেন, 'নির্বাচনকালীন সময়ে ভোটার বা যে কাউকে কোনো উপহার দেওয়া এটা সম্পূর্ণ নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন। এর দায় প্রার্থী এড়াতে পারেন না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।'

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুখময় সরকার বলেন, 'এমন বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। আপনার মাধ্যমে প্রথম জানলাম। আমরা তদন্ত করে ও আইনগত দিক বিবেচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।'

শাহীন/ফয়সাল

ঘটনাপ্রবাহ

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়