ঢাকা     রোববার   ১৪ জুলাই ২০২৪ ||  আষাঢ় ৩০ ১৪৩১

পিরোজপুরে হাটে গরু আছে, ক্রেতা কম

পিরোজপুর সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:০১, ১৫ জুন ২০২৪   আপডেট: ১৯:২৮, ১৫ জুন ২০২৪
পিরোজপুরে হাটে গরু আছে, ক্রেতা কম

ঈদের বাকি আর মাত্র একদিন। কিন্তু এখনও পিরোজপুরের হাটগুলোতে কোরবানির পশু বিক্রি জমেনি বলে দাবি বিক্রেতাদের। শনিবার (১৫ জুন) জেলার বিভিন্ন হাট গেলে তারা এমন দাবি করেন।

বিক্রেতাদের দাবি, এবার পিরোজপুরের হাটগুলোতে প্রচুর গরুর আমদানি হলেও ক্রেতা কম। সবাই হাটে আসেন গরু দেখতে। কিন্তু, নেয় না। অনেকে আবার শুধু দাম জিজ্ঞেস করেই করে চলে যান।

জেলার বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা যায়, হাটে ছোট-বড় সব ধরনের পশুর পশরা সাজিয়ে বিক্রেতারা বসে আছেন। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (সন্ধ্যা ৭টা) সময়েও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা ও দাম পাচ্ছেন না বলে দাবি করেন তারা।

বিক্রেতারা বলছেন, হাটে পর্যাপ্ত পশু থাকলেও ক্রেতা খুবই কম। ক্রেতা কম থাকার কারণ কী? এমন প্রশ্নে তারা বলেন, অতিরিক্ত গরম এবং সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে এমনটা হতে পারে।

একই কথা বলেছেন হাট ইজারাদাররা। তবে তারা আশা প্রকাশ করে বলেন, আজ রাতে এবং কালকে আরও ক্রেতা সমাগম হবে। সেই সঙ্গে বিক্রিও বাড়বে।

বাগেরহাটের চিতলমারী থেকে আসা কেরাত আলী নামে এক বেপারী বলেন, এ বছর কোরবানির জন্য ৬০টি গরু কিনেছি। কিন্তু, এখন পর্যন্ত মাত্র ১০টি গরু বিক্রি করেছি। হাটে ক্রেতা অনেক কম। আর যারা আসেন তারাও কেনা দাম থেকে ৩০-৪০ হাজার টাকা কম বলেন। এই দামে বিক্রি করলে অনেক লোকসান গুণতে হবে। যদি কেনা দামও পাই, তাহলে গরুগুলো ছেড়ে দেব।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুরে এবার স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে ৩২টি কোরবানির পশুর হাট বসেছে। এর মধ্যে, নাজিরপুর উপজেলায় ২টি, সদর উপজেলায় ৬টি, ইন্দুরকানী উপজেলায় ৩টি, কাউখালী উপজেলায় ৩টি, মঠবাড়িয়া উপজেলায় ১২টি, ভান্ডারিয়া উপজেলায় ২টি ও নেছারাবাদ উপজেলায় ৪টি। এসব হাটে পিরোজপুরের খামারি ও বেপারী ছাড়াও পার্শ্ববর্তী জেলার অনেকে পশু নিয়ে এসেছেন।

পিরোজপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রানা মিয়া বলেন, এ বছর জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৪০ হাজার ২৫০টি। পশু প্রস্তুত রয়েছে ৪৬ হাজার ৪৮৭টি। বাড়তি প্রায় ৬ হাজার ২৩৭টি পশু আশপাশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়েছে।

তাওহিদুল/কেআই

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ