ঢাকা     শুক্রবার   ২০ মার্চ ২০২৬ ||  চৈত্র ৭ ১৪৩২ || ১ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

প্রস্তুত ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ’ ঈদগাহ গোর-এ-শহীদ ময়দান

মোসলেম উদ্দিন, দিনাজপুর || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:১৮, ২০ মার্চ ২০২৬   আপডেট: ২১:১৯, ২০ মার্চ ২০২৬
প্রস্তুত ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ’ ঈদগাহ গোর-এ-শহীদ ময়দান

আয়তনের দিক থেকে এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদগাহ হিসেবে পরিচিত পাওয়া দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ ময়দান ঈদুল ফিতরের জামাতের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এই ময়দানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ঈদের নামাজ পড়তে আসেন লাখো মানুষ।

গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে এবার ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায়। সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে জেলা প্রশাসন ও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে পুলিশ।

পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা বলেন, “ঈদের দিন সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মুসল্লিদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়ের লক্ষ্যে পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠ ও আশপাশের এলাকায় সতর্ক অবস্থানে থাকবেন।”

গোর-এ-শহীদ বড় ময়দান প্রায় ২২.৯৯ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকে এখানে ছোট পরিসরে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। সময়ের পরিক্রমায় এই স্থানটি পেয়েছে নতুন রূপ ও বৈশিষ্ট্য।

মোগল স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত ঈদগাহ মিনার এর সৌন্দর্যকে দিয়েছে অনন্য মাত্রা। ৫২টি গম্বুজবিশিষ্ট এই মিনারের দুই প্রান্তের মিনারের উচ্চতা ৬০ ফুট এবং মাঝের দুটি মিনারের উচ্চতা ৫০ ফুট। টাইলস করা মেহেরাবের উচ্চতা ৪৭ ফুট, যেখানে রয়েছে ৩২টি খিলান। প্রতিটি গম্বুজে সংযোজন করা হয়েছে বৈদ্যুতিক আলোর ব্যবস্থা, যা রাতের বেলায় সৃষ্টি করে দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ। ২০১৫ সালে ঈদগাহ মিনারের নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ২০১৭ সালে সম্পন্ন হওয়ার পর প্রথমবারের মতো বৃহৎ পরিসরে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর থেকেই এটি এশিয়ার বৃহত্তম ঈদগাহ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম বলেন, “ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ ময়দানে ঈদের জামাত আয়োজনে জেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও জেলা পরিষদের সম্মিলিত উদ্যোগে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মুসল্লিদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”

ঢাকা/রাজীব

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়