Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৯ শা'বান ১৪৪২

লেনদেনে উৎসে কর কমানোসহ ডিএসইর ১১ প্রস্তাব

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২০:৫১, ৪ মার্চ ২০২১  
লেনদেনে উৎসে কর কমানোসহ ডিএসইর ১১ প্রস্তাব

২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) প্রস্তাবনা দিয়েছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। ডিএসইর সদস্যদের লেনদেনের ওপর উৎসে কর কমানোসহ ১১টি প্রস্তাব রয়েছে এতে।

বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

ডিএসইর পক্ষ থেকে দেওয়া প্রস্তাবগুলো হচ্ছে- 
১. স্টক এক্সচেঞ্জের এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্তির তারিখ থেকে ৫ বছরের জন্য ১০ শতাংশ কর ছাড় দেওয়া। 
২. অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে (এটিবি) যেসব কোম্পানি তালিকাভুক্ত হবে সেগুলোকে তালিকাভুক্ত কোম্পানির স্বীকৃতি দেওয়া।
৩. ডিএসইর সদস্যদের লেনদেনের ওপর উৎস কর হ্রাস করে সর্বাধিক শূন্য দশমিক শূন্য ১৫ শতাংশ রাখা। 
৪. জিরো কুপন বন্ডের মতো স্টক এক্সচেঞ্জের যেকোনো বোর্ডে তালিকাভুক্ত কোনো করপোরেট বন্ড থেকে সুদ আয়ের ওপর যে কর আছে, তা থেকে ইস্যুকারী ও বিনিয়োগকারীদের ছাড় দেওয়া।
৫. স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশের ওপর কর ছাড়ের সীমা ২ লাখ টাকা করা।
৬. লভ্যাংশ আয়ের ওপর যে উৎস কর রয়েছে তা ধারা ৮২ (সি) এর অধীনে চূড়ান্ত করের দায় হিসাবে বিবেচিত করা। 
৭. করপোরেট শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশের আয়ের ওপর কর ১০ শতাংশ কমানো, তালিকাভুক্ত ও তালিকা বহির্ভুত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে করপোরেট করের হারের পার্থক্য ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
১১. এছাড়া বর্তমানে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ কর ছাড়ের সুবিধা রয়েছে। যা আগামী ৩০ জুন ২০২১ তারিখে শেষ হবে। সেই বিশেষ কর সুবিধাটি ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো এবং করের হারকে ৫ শতাংশ বিবেচনা করার প্রস্তাব দিয়েছে ডিএসই।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আয়ে কর ছাড়ের বিষয়ে ডিএসই শেয়ার ট্রেডিংয়ে লাভের ক্ষেত্রে ৫৬ (১) ধারার ১৬ নম্বর সিরিয়াল প্রয়োগ না করার প্রস্তাব দিয়েছে। বর্তমানে স্টক ডিলারদের শেয়ার লেনদেনের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ কর রয়েছে। স্টক ডিলারদের সেই কর থেকে অব্যাহতিরও প্রস্তাব দিয়েছে ডিএসই।

 


 

ঢাকা/এনএফ/এসএন  

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে