Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নিরাপত্তার দায়িত্ব মিয়ানমারের’

হাসান মাহামুদ || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:২১, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নিরাপত্তার দায়িত্ব মিয়ানমারের’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে আরো আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

তিনি বলেছেন, ‘মিয়ানমারের দায়িত্ব তাদের নিরাপত্তা দেয়া। তারা যেন নিরাপদ বোধ করে নিজ দেশে ফিরে যায় সেই দায়িত্ব মিয়ানমারের।’

বুধবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) এসডিজি ৩ : সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণবিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কাউকে জোর করে পাঠাব না। তবে আমরা চাই, তারা স্বেচ্ছায় তাদের দেশে ফিরে যাক।’

রোহিঙ্গাদের ফেলে আসা বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি অপসারণ করে সেখানে তাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র বানানো হচ্ছে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে এমন দাবি করেছে মিয়ানমার। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের জন্য ঘরবাড়ি বানানোর আগেই তাদের ফিরিয়ে নেয়া উচিত।’

এ সময় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতে আশ্রয় নেয়া বাংলাদেশি শরণার্থীদের উদাহরণ টেনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শরণার্থীদের ফিরিয়ে আনার সময় ঘরবাড়ির কথা ভাবা হয়নি। ফিরে এসে নিজেরাই ঘরবাড়ি তৈরি করে নিয়েছেন তারা।’

এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘ভাষানচরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্থানান্তরের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সবসময়ই বলে আসছি রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন কিংবা স্থানান্তর কোনোটাই আমরা জোর করে করব না। তবে আমরা আশা করব, মিয়ানমার এই সমস্যা সমাধানে আন্তরিকতার পরিচয় দেবে।’

 

রাইজিংবিডি/ঢাকা/১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯/হাসান/ইভা

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে