Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

টেকসই উন্নয়নে প্রয়োজন সঠিক পরিসংখ্যান: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:৫০, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১  
টেকসই উন্নয়নে প্রয়োজন সঠিক পরিসংখ্যান: কৃষিমন্ত্রী

টেকসই উন্নয়নে সঠিক ও সময়োপযোগী পরিসংখ্যান প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) হোটেল সোনারগাঁওয়ে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবসের অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

‘নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান, টেকসই উন্নয়নের উপাদান’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে দেশে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস’ পালিত হয়েছে।  এখন থেকে প্রতি বছর ২৭ ফেব্রুয়ারি পালিত হবে ‘জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস’।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়নে প্রয়োজন সঠিক ও সময়োপযোগী পরিসংখ্যান। জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নে যেকোনো ইতিবাচক কৌশল গ্রহণে সময়োপযোগী ও মানসম্পন্ন পরিসংখ্যানই কার্যকর দিকনির্দেশনা দিতে পারে। কিন্তু বিবিএসের জন্য সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা অনেক কঠিন। নির্ভরযোগ্য তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা যায় সে উপায় পরিসংখ্যানবিদ ও বিবিএসের কর্মকর্তাদের খুঁজে বের করতে হবে।  ইউরোপ, আমেরিকা বা পশ্চিমা বিশ্বে যে পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করে, তা আমাদের দেশে কতটুকু কার্যকর তা খতিয়ে দেখা দরকার। দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠী, জনগণের শিক্ষা, সামাজিক ও মানসিক অবস্থাকে বিবেচনায় নিয়ে কীভাবে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা যায়- সে রকম নিজস্ব পদ্ধতি উদ্ভাবন করতে হবে। একই সঙ্গে, বাস্তবতার আলোকে সংগৃহীত তথ্যের পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করতে হবে।

ড. রাজ্জাক বলেন, কৃষিখাতে সঠিক তথ্য খুবই দরকার। বিভিন্ন খাদ্যপণ্য বছরে কতটুকু উৎপাদিত হচ্ছে, চাহিদা কতটুকু বা উৎপাদন বছরে কতটুকু বাড়ছে- এসবের প্রকৃত ও সঠিক তথ্য দরকার। সেটি করতে পারলে ভবিষ্যত পরিকল্পনা প্রণয়ন অনেক ভাল ও সহজতর হবে। অন্যদিকে, দেশে দারিদ্র্যের হারসহ অন্যান্য বিষয় ও উন্নয়নের গতি প্রবৃদ্ধি নিয়েও কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবে না। 

সাম্প্রতিক সময়ে আলু ও ধান-চালের দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী আরও বলেন, আমার মনে হয়, দেশে এগুলোর আবাদ, উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতার (একর প্রতি) যে পরিসংখ্যান রয়েছে তা সঠিক নয়। পরিসংখ্যানের গরমিলের কারণেই আলু ও ধান-চালের দাম বেশি ছিল। কাজেই, সীমাবদ্ধতার মধ্যেও প্রকৃত তথ্য সংগ্রহের উপায় পরিসংখ্যানবিদদের বের করতে হবে। 

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান সমিতির সভাপতি ড. পিকে মো. মতিউর রহমান, ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি টোমো হোযুমি, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী ও বিবিএসের মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ছিলেন। 
 

ঢাকা/আসাদ/এসএন 

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে