Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     সোমবার   ২১ জুন ২০২১ ||  আষাঢ় ৭ ১৪২৮ ||  ০৯ জিলক্বদ ১৪৪২

সেপ্টেম্বরের শেষে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর শুরু

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:৫৯, ১০ জুন ২০২১   আপডেট: ১৯:৩৪, ১০ জুন ২০২১
সেপ্টেম্বরের শেষে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর শুরু

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন (ফাইল ফটো)

ভাসানচরে বর্তমানে ১৮ হাজার ৮৯০ জন রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে পর্যায়ক্রমে ভাসানচরে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে নিয়ে যাওয়া হবে।

এ বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন জানিয়েছেন, আমাদের আরও দুই একটি বৈঠক করতে হবে। সেগুলো শেষ করে আমরা আশা করছি, সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে আবারও রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর করা শুরু করবো। আমাদের টার্গেট হলো ১ লাখ রোহিঙ্গাকে পর্যায়ক্রমে সেখানে নিয়ে যাওয়া।

 বৃহস্পতিবার (১০ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে কক্সবাজারে থাকা রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের বিষয়ে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

সচিব বলেন, রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের জন্য ভাসানচরে একটি জায়গা নির্ধারন করা হয়েছে। ভাসানচরে ব্যারাক হয়ে গেছে, আবাস হয়ে গেছে। সেখানে ১২০ টা সেল্টার আছে। খাদ্য রাখার জন্য গুদামও তৈরি হয়ে গেছে। যাতায়াতের জন্য চেয়ারম্যান ঘাটে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আমরা স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা করেছি। সেখানে দুইশ'র বেশি পুলিশ-এপিবিএন কাজ করছে। আনসার ব্যাটলিয়নও নেয়া হবে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো, এই মানুষগুলোকে তাদের দেশে মান মানসম্মতভাবে ফেরত নেবে, সেই লক্ষ্যে কাজ করছে ইউএন। যেহেতু এটা একটা লম্বা প্রসেস, তাই আপাতত তাদের থাকার জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা যেখানে আছেন সেটি পাহাড়ি এলাকা, কিছুদিন আগেও প্রচুর বৃস্টি হওয়ায় অনেক জায়গায় দেয়াল ধ্বসে গেছে। সেজন্য গত ৬ জুন মূখ্যসচিব সহ সভা হয়েছে। সেখানে ১০ জন রাষ্ট্রদুত উপস্থিত ছিলেন। তাদের জানানো হয়েছিল, ভাসানচরে এই মূহুর্তে আছেন ১৮ হাজার ৮৯০ জনের মতো রোহিঙ্গা।

মো. মোহসীন সাংবাদিকদের জানান, ১ লাখ রোহিঙ্গাকে কিভাবে ভাসানচরে নেওয়া হবে তা বাস্তবায়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের প্রথম বৈঠক হয়েছে। সেখানে আমরা একটি টাইমলাইন ঠিক করেছি। আমরা কিভাবে অপারেশন চালাবো। কিভাবে কি করবো, কিভাবে তাদের সহায়তা করা যায়, তারা কোন কোন প্রেক্ষাপটে আমাদের সহায়তা করতে পারবে সেসব বিষয়গুলো রয়েছে। পলিসি ইস্যু হলে আমাদের কার্যক্রমে সমস্যা হবে না। তখন বাকীদের স্থানান্তরের কাজ শুরু করতে পারবো। 

এসময় ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি জনস ভ্যান ডার কালাউ, আইএম'র মিশন প্রধান গিওর্গি গিগাউরি, ডাব্লিউএফপি কান্ট্রি রিপ্রাজেন্টেটিভ মি. রিচার্ড রেগান উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা/নঈমুদ্দীন/এমএম

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়