ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ২৬ মার্চ ২০২৬ ||  চৈত্র ১৩ ১৪৩২ || ৬ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

টেলিকম খাতে যুগান্তকারী অগ্রগতি

নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং নীতিমালা অনুমোদন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১১:৫৫, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫  
নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং নীতিমালা অনুমোদন

টেলিকমিউনিকেশন্স নেটওয়ার্ক অ্যান্ড লাইসেন্সিং পলিসি ২০২৫ অনুমোদন করেছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। একে টেলিকম খাতে যুগান্তকারী অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুমোদিত নীতিমালার বিস্তারিত তুলে ধরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

আগের লাইসেন্স রেজিমে ২৬ ধরনের মোট ৩ হাজার ২৯৯টি লাইসেন্স থাকার কারণে টেলিকম সেবার মানোন্নয়ন ও গুণগত মান অনুযায়ী দামের সামঞ্জস্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন নীতিমালায় লাইসেন্স কাঠামোকে মাত্র তিন প্রকারে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। এর ফলে নাগরিকের চাহিদা অনুযায়ী উন্নত ‘কোয়ালিটি অব সার্ভিস’ (QoS) নিশ্চিত করতে অধিকতর ফোকাস করা সম্ভব হবে।

আগের বহুমাত্রিক লাইসেন্স পদ্ধতির কারণে টেলিকম মার্কেট থেকে মধ্যস্বত্বভোগীরা উল্লেখযোগ্য ভ্যালু অ্যাড না করেই রাজস্বের অংশে ভাগ বসাত, যা এই পলিসি দ্বারা পরিবর্তিত হয়েছে। এর ফলে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে এবং তা জলবায়ু অভিঘাতপ্রবণ এলাকায় কাভারেজ সম্প্রসারণ, সাশ্রয়ী মূল্যে সেবা প্রদানসহ নাগরিকবান্ধব কর্মকাণ্ডে ব্যয় করা যাবে।

প্রধান উপদেষ্টার গঠন করা কমিটি, যার চেয়ারম্যান ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা, সেই কমিটির সুপারিশে কেবিনেট ডিভিশনে এই নীতিমালায় সংশোধিত প্রস্তাব উপস্থাপনের আগে প্রায় ১০টি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন নীতিমালায় অ্যাকটিভ ও প্যাসিভ শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে টেলিকম কোম্পানিগুলো প্রতিযোগিতামূলকভাবে উন্নততর সেবা দিতে পারবে। এর ফলে টেলিকম সেবার গুণগত মানোন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।

নতুন নীতিমালায় MVNO, VoWiFi, WiFi-6, WiFi-7, IoT, AI ইত্যাদি আধুনিকতম প্রযুক্তিগত সেবার সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

একইসঙ্গে নিত্যনতুন ডিজিটাল সার্ভিস প্রদানের  প্রতিবন্ধকতা দূর করে নতুনদের বিশেষত এসএমইদের (SME) জন্য উদ্ভাবনের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীও কানেক্টিভিটির আওতায় আসবে এবং কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে টেলিকম সেবা কার্যকর অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

ঢাকা/হাসান/রফিক

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়