Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৯ শা'বান ১৪৪২

মটোরোলা ফোনে অদল-বদল অফার

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২০:০৫, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১  
মটোরোলা ফোনে অদল-বদল অফার

যেকোনো ব্র্যান্ডের নতুন বা পুরোনো মোবাইল ফোন বদল করে বিশ্বখ্যাত মোবাইল ব্র্যান্ড মটোরোলার নতুন স্মার্টফোন নেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে সেলেক্সট্রা লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে মটোরোলার ন্যাশনাল পার্টনার।  

এ কাজে মটোরোলাকে সহযোগিতা করছে জিঙ্গো প্রাইভেট লিমিটেড (এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম পার্টনার)। রাজধানীতে জিঙ্গোর বিভিন্ন রিটেইল শপ থেকে স্মার্টফোনপ্রেমীরা এ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। 

বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে ৪টি, উত্তরায় ৫টি এবং মিরপুরে জিঙ্গোর একটি রিটেইল শপ আছে। যেকোনো ব্র্যান্ডের সঙ্গে মটোরোলা ফোন এক্সচেঞ্জ করলে জিঙ্গো থেকে গ্রাহকরা পাবেন গিফট ভাউচার।

যেভাবে মোবাইল এক্সচেঞ্জ করা যাবে

কেউ যদি নিজের ফোনটি বদলে বা এক্সচেঞ্জ করে নতুন মটোরোলার স্মার্টফোন নিতে চান তাহলে তাকে ব্যবহৃত ফোনটি নিয়ে পার্শ্ববর্তী জোঙ্গোর রিটেইল শপে যেতে হবে। সেখানে ফোনটি যাচাই-বাছাই করে একটি মূল্য নির্ধারণ করা হবে। ধরা যাক, যাচাই-বাছাইয়ের পর যেকোনো ব্র্যান্ডের পুরনো একটি মোবাইলের বিক্রয় মূল্য ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হলো। এখন ওই ক্রেতা যদি ফোনটি বদলে মটোরোলার ১৭ হাজার টাকা মূল্যের একটি নতুন স্মার্টফোন নিতে চান তাহলে তাকে ফোনটির সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা পরিশোধ করে নতুন মটোরোলা ফোনটি নিতে পারবেন। তবে বন্ধ বা লকড মোবাইল এই এক্সচেঞ্জ অফারের আওতায় পড়বে না।

এই অফারটি পেতে গ্রাহককে সঙ্গে করে ফোনের ক্যাশ মেমো ও বক্স নিয়ে যেতে হবে। যদি কারও কাছে এগুলো না থাকে তাহলে সতর্কতার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে নিতে হবে। তবে কেউ ক্যাশ মেমো বা মোবাইল বক্স নিয়ে গেলে নতুন স্মার্টফোনে অতিরিক্ত ছাড় পাবেন। প্রতিটি ফোন একচেঞ্জের সঙ্গে গ্রাহক মটোরোলা থেকে ৫০০-২০০০ টাকার ভাউচার পাবেন।

সেলেক্সট্রা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিব আরাফাত বলেন, ‘মটোরোলার স্মার্টফোনের এই এক্সচেঞ্জ অফারটি চালু করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এখন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা সহজেই নিজের পুরোনো ফোনটি বদলে মটোরোলার আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ স্মার্টফোন নিতে পারবেন।’ এ বিষয়ে আরো জানতে ভিজিট: www.facebook.com/HelloMotoBangladesh

ঢাকা/ফিরোজ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে