RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২০ ||  অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৭ ||  ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ

ফেনী সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৭:৫৯, ১৪ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ

ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দলের প্রভাব বিস্তার করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।

মুহুরী সেচ প্রকল্পের রেগুলেটরের মাত্র দেড়শ’ গজের মধ্যেই চেয়ারম্যান   রিপন সরকারের অবৈধভাবে গড়ে বালুর মহাল সকলের চোখে পড়ে।

এর ফলে হুমকির মুখে পড়েছে মুহুরী সেচ প্রকল্পের রেগুলেটর ও সোনাগাজী মুহুরী সেচ প্রকল্প যাতায়াতের প্রধান সড়ক।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউপি চেয়ারম্যান রিপন সরকার দলের প্রভাব বিস্তার করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন। এভাবে বালু উত্তোলনের ফলে বিলীন হয়ে যাচ্ছে সোনাগাজী নদী অঞ্চলের অনেক ঘরবাড়ি ও জনপদ।

বালুঘাট কর্মীরা জানান, গত ২০১৯ সালে এপ্রিল থেকে এই বালু উত্তোলনের কাজ শুরু হয়। নদীতে ড্রেজিং মেশিন বসিয়ে প্রতিদিন ৫০ হাজার ঘনফুট বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। কোটি কোটি টাকা মূল্যের বালুও মজুদ আছে মুহুরী সেচ প্রকল্পের পাশে।

প্রতিদিন গড়ে ৬০-৭০ ট্রাক বালু বিক্রি করা হচ্ছে। পূর্বে সোনাগাজীর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নুসরাত হত্যা মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রুহুল আমিনের তত্ত্বাবধানে এই বালু উত্তোলন করা হতো। রুহুল আমিন জেলে বন্দি থাকায় তার বালুঘাট পাহারাদার দুইজন সরে পড়েন। এরপর ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউপি চেয়ারম্যান সরকারি দলের প্রভাব বিস্তার করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন।

বালুঘাটের দায়িত্বে থাকা রানা রাইজিংবিডিকে জানান, ইউপি চেয়ারম্যান এ বালু ঘাট ইজরা নিয়েছেন। তবে সঠিক কোনো কাগজপত্র রানা দেখাতে পারেননি।

সরেজমিনের গিয়ে দেখা যায়, মুহুরী প্রকল্পের পাশে পাহাড় সমান বালুর স্তুপ। যার ফলে মুহুরী প্রজেক্ট প্রকল্পে যাতায়াতের একমাত্র সড়কটিতে ব্যাপক ভাঙন ধরেছে। হুমকির মুখে পড়েছে মুহুরী প্রজেক্ট রেগুলেটরটি। ফেনী নদীর সোনাগাজী ও ছাগলনাইয়া অংশে বিশাল এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। অনেকে ভিটেমাটি, সহায়-সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। অনেক কৃষক হারিয়েছেন তাদের ফসলি জমি।

এ ব্যপারে ফাজিলপুর ইউপি চেয়ারম্যান রিপনের সঙ্গে মুটোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার জায়গায় আমি বালু উত্তোলন করছি। এটি আমি লিজ নিয়েছি। ’

এসময় কাগজপত্রের বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান। শেষে তিনি এ ব্যাপরে কথা বলতে পারবেন না বলে মোবাইলের লাইন কেটে দেন।


সৌরভ/বুলাকী

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়