Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     সোমবার   ১৪ জুন ২০২১ ||  জ্যৈষ্ঠ ৩১ ১৪২৮ ||  ০১ জিলক্বদ ১৪৪২

হিলিতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

মোসলেম উদ্দিন, দিনাজপুর || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:৫৯, ৬ মে ২০২১   আপডেট: ২০:০৩, ৬ মে ২০২১
হিলিতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

আর মাত্র কয়েক দিন পরই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ উপলক্ষে ধনী-দরিদ্র সব স্তরের মানুষই কেনাকাটায় এখন ব‌্যস্ত সময় পার করছে। সারাদেশের মতো দিনাজপুরের হিলিতে ঈদের কেনাকাটা জমে উঠেছে। মার্কেটগুলোয় ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে।  

হিলি বাজারের মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, প্রত‌্যেক দোকানে  অনেক দোকানে পা রাখার জায়গা নেই।  দোকানিরা ক্রেতাদের মন কাড়ার মতো রঙ-বেরঙের পোশাক সাজিয়ে রেখেছেন। ক্রেতাদের ভিড়ে বেশি কথা বলারও সময় নেই বিক্রেতাদের।  

এই বাজারের জননী গার্মেন্টস, লাবণ্য গার্মেন্টস, মা গার্মেন্টস, শ্যামলী গার্মেন্টস,  মিতা গার্মেন্টস, বৃষ্টি গার্মেন্টস ও হিলির ঘুড়ি ঘরে  ক্রেতারা ভিড় করেছেন। এসব দোকানে  দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসছেন ক্রেতারা।    

কথা হয় কেনাকাটা করতে আসা রাকিবুল হাসানের সঙ্গে। তিনি রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘আর বেশি সময় নেই ঈদের। তাই তাড়াতাড়ি কেনাকাটা শুরু করেছি। মা-বাবা, স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েদের কাপড় কিনলাম।’

সরকারি চাকরিজীবী সনজিদা রহমান বলেন, ‘দ্বিতীয় ধাপের লকডাউনে মার্কেট বন্ধ ছিল। ঈদের জন্য সরকার মার্কেট খুলে দিয়েছে। তাই কেনাকাটা করতে এসেছি। ছেলে-মেয়ে ও  শ্বশুর-শাশুড়ির জন‌্য পোশাক কিনেছি।’

জননী গার্মেন্টস-এর স্বত্বাধিকারী জাকারিয়া রহমান বলেন,‘লকডাউনে তো এত দিন দোকান খুলতে পারিনি। সামনে ঈদ। তাই দোকান খুলতে দিয়েছে সরকার। বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে।’

হিলি খাসমহল হাট ও বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আরমান আলী বলেন, ‘এখানে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতা আসে। আমরা সব সময় ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করে রাখি। কোনো রকম জামেলা পোহাতে হয় না ক্রেতাদের।’

হিলির ১ নম্বর খট্ট-মাধব পাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘সামনে ঈদ। এই ঈদকে ঘিরে শুরু হয়েছে বাজারে বেচাকেনা। লোকজন যেন ভালোভাবে মার্কেট করতে পারে, এজন‌্য গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করেছি।’

হাকিমপুর (হিলি) পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত জানান, ‘লকডাউনে মার্কেট বন্ধ থাকার পর এবার খুলে দিয়েছে সরকার। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাকাটা করতে হবে জনসাধারণকে। আমরা প্রতিনিয়ত বাজারগুলোতে জনসচেতনতার জন্য প্রচার করে আসছি। বাজারে মাস্ক পরে  কেনাকাটা করতে হবে। এছাড়া, প্রতিদিন বাজারের মাস্ক বিতরণ করছি। আমাদের এই প্রক্রিয়া চলমান।’ 

হাকিমপুর (হিলি) থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে শহরে পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে বাজারগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আশা করি, ক্রেতা-বিক্রেতারা নিরাপদে তাদের  কেনাকাটা করতে পারবেন।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নুর-এ আলম বলেন, ‘সরকার ঘোষিত নির্দিষ্ট সময়ে দোকান পাট খোলা রাখতে হবে। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। নির্দিষ্ট মূল্যে বিক্রি করতে হবে। প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চলাচ্ছি।’ 

 /এনই

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়