ঢাকা     শনিবার   ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ২৪ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

রাজশাহী সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৪:৫৬, ২০ অক্টোবর ২০২২   আপডেট: ১৪:৫৯, ২০ অক্টোবর ২০২২
রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

বুধবার রাত থেকে কর্মবিরতি পালন করছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

শিক্ষার্থী শাহরিয়ারের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে মারধর ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে রাজশাহী মেডিক‌্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। 

সমস্যা সমাধানে বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে রামেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানীর সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের একটি সভা করার কথা আছে। ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কাজে ফিরবেন কি না তা সভা শেষেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তারা জানিয়েছেন।

আরো পড়ুন:

আরও পড়ুন: রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু: রাজশাহী মেডিক‌্যালে ভাঙচুর 

এর আগে বুধবার (১৯ অক্টোবর) রাতে হলের ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী কে জি এম শাহরিয়ার। সহপাঠীরা তাকে রামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে রাবি শিক্ষার্থীরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালান।

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা একরকম ভেঙে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে শুধু একবার জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকরা রোগীদের দেখে এসেছেন।

রামেক হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. ইমরান হোসেন বলেন, শাহরিয়ারকে যখন হাসপাতালে আনা হয় তখন তার বিপি পাওয়া যায়নি। তারপরও তার শেষ চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এরমধ্যেই রাবি শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে হামলা, ভাঙচুর ও মারধর করেন। যারা হামলা চালিয়েছেন তাদের গ্রেপ্তার চাই। 

আরও পড়ুন: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে হলের বারান্দা থেকে পড়ে ছাত্রের মৃত্যু

তিনি জানান, এসব দাবি নিয়ে দুপুরে তারা হাসপাতাল পরিচালকের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেটিও চূড়ান্ত হতে পারে সভায়। তারপরই তারা সিদ্ধান্ত নেবেন কর্মবিরতি স্থগিত করবেন কি না।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে। 

রাতে শিক্ষার্থী শাহরিয়ারকে মৃত ঘোষণার পর তার লাশ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছিল। সকালে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর দিনাজপুরের গ্রামের বাড়ি লাশ নিয়ে যান স্বজনরা।

শিরিন সুলতানা/ইভা 

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়