ঢাকা     মঙ্গলবার   ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ১৩ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

দুদকের মামলায় কারাগারে সিলেট মেডিকেলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার

সিলেট সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৩:১৫, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ১৩:১৬, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
দুদকের মামলায় কারাগারে সিলেট মেডিকেলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার

ফাইল ফটো

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। 

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুনশী আব্দুল মজিদ তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর শফিউল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

আরো পড়ুন:

আদালত সূত্র জানায়, আজ দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন নাঈমুল হক চৌধুরী। বিচারক জামিন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানো আদেশ দেন।

নঈমুল হক চৌধুরী সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনা লগ্নে পরিচালক (অর্থ) ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নঈমুল হক চৌধুরী দুদকের মামলায় চার্জশীটভুক্ত ২ নম্বর আসামি। ওই মামলার প্রধান আসামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য (ভিসি) ডা. মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী এখনো পলাতক।

এর আগে, গত রবিবার দুর্নীতির মামলায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আটজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। 

দুদকের মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ অভিযোগ আমলে নিয়ে ইউজিসি ২০২৩ সালে তদন্ত করে। তদন্তে তৎকালীন উপাচার্য মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. নঈমুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা পায় তারা। দুদকের সিলেট সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে তৎকালীন উপাচার্য, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারসহ ৫৮ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল মামলা করে। ওই বছরের ২৫ এপ্রিল ৫৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, উপাচার্য ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে সিন্ডিকেট ও ইউজিসির অনুমোদন ছাড়া বিধিবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেন। ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ২২০ জনকে সম্পূর্ণ অস্থায়ীভাবে (অ্যাডহক) ছয় মাসের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে মেয়াদ অনূর্ধ্ব ছয় মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়। নির্ধারিত সময় পূর্ণ হওয়ার পর চাকরি নিয়মিত না করে আবার অ্যাডহকে দুই থেকে পাঁচবার পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়।

সিলেট দুদকের উপ-সহকারী পরিদর্শক বশির আহমেদ বলেন, “তিনি মামলার দুই নম্বর আসামি। আজ উনার জামিন আবেদনের শুনানি ছিল। বিচারক শুনানি শেষে তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন।”

ঢাকা/রাহাত/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়