ঢাকা     শুক্রবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  ফাল্গুন ১৪ ১৪৩২ || ৯ রমজান ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

রাশেদ খানের সামনে বিএনপির ২ পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৮

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:১১, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ১৫:১৮, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাশেদ খানের সামনে বিএনপির ২ পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৮

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে শুক্রবার দুপুরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খানের সামনে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্যসহ অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে কালীগঞ্জ থানার সামনে রাশেদ খানের নির্বাচনি কার্যালয়ে ঘটনাটি ঘটে।

আরো পড়ুন:

ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়ে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন রাশেদ খান। নির্বাচনে তিনি তৃতীয় হন। এই আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম মনোনীত আবু তালিব।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- এএসআই জাহিদ, কনস্টেবল পিকুল ও কনস্টেবল সেলিম। তাদের মধ্যে দুজনকে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, শুক্রবার সকালে ঝিনাইদহ-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খানের পরাজিত হওয়ার কারণ নিয়ে মহারাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সমন্বয় সভা চলছিল। এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাশেদ খান। এ সময় মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাপ-পিরিচ ও জামায়াতের পক্ষে ভোট করার অভিযোগ তোলেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আলতাফ। 

এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতাণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা একে অন্যের দিকে চেয়ার নিক্ষেপ করে। পরে তারা থানার ভেতর ঢুকে হামলা চালায়। এ সময় তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম বলেন, “বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খানের সঙ্গে মহারাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবাই সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলাম। পরে আমরা সভাপতিকে সঙ্গে নিয়ে অফিসে আসি। সাধারণ সম্পাদক একতরফাভাবে কথা বলেছেন। এ নিয়েই একটু ঝামেলা হয়েছে।”

বিএনপি প্রার্থী রাশেদ খান বলেন, “আমি এলাকায় এসেছি শুনে মহারাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আমার নির্বাচনি অফিসে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে সভাপতি শাজাহান আলী ও সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আলতাফের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। সেই দ্বন্দ্বের জেরে এখানে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত অবস্থার সৃষ্টি হয়। যার জন্য আমি নিজেই বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছি।”  

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেন, “বিএনপির সমন্বয় সভা চলছিল। এ সময় দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে। পরে তারা থানায় ঢুকে পুলিশের উপর হামলা চালিয়েছে।”

ঢাকা/শাহরিয়ার/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়