ভাঙ্গায় খেলা নিয়ে ৪ গ্রামের বাসিন্দাদের সংঘর্ষ, আহত ৪০
ফরিদপুর প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
সংঘর্ষে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ফুটবল খেলার মাইকিং ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চার গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মনসুরাবাদ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু দোকানপাটে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার মুনসুরাবাদ গ্রামের রাহাত নামে এক কিশোর ফুটবল খেলার প্রচারণায় মাইকিং করার সময় খাপুরা গ্রামের জাহিদ ও আজিমের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। সেই ঘটনার জেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় মুনসুরাবাদ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি জিন্নাত মিয়াকে মারধরের অভিযোগ ওঠে খাপুরা গ্রামের যুবকদের বিরুদ্ধে। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মুনসুরাবাদ গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নেয়। অন্যদিকে, খাপুরা গ্রামের সঙ্গে যোগ দেয় পার্শ্ববর্তী সিঙ্গারিয়া ও মাঝিকান্দা গ্রামের বাসিন্দারা। টর্চ লাইট জ্বালিয়ে কয়েক শ’ মানুষ দেশীয় অস্ত্রসহ একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বাজারের বেশ কিছু দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং মহাসড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি; অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঢাকা/তামিম/ফিরোজ
সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তি বা সত্তার কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করা সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে জাতীয় সংসদ