গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে: ফখরুল
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমব্যয় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমব্যয় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “গণতন্ত্রের বিকাশের জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ বা নিয়ন্ত্রণ আরোপ না করে একটি মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা করা সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত।”
বুধবার (১১ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে ইফতারের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, “আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া যে আজ আমরা একটি মুক্ত পরিবেশে আবার সাংবাদিক ভাইদের সঙ্গে ইফতারে মিলিত হতে পেরেছি। এই প্রেস ক্লাব আমাদের অনেক সংগ্রাম, লড়াই ও স্মৃতির সাক্ষী। সেই স্মৃতিগুলো যেমন সংগ্রামের, তেমনি আস্থারও।”
তিনি বলেন, “সাংবাদিকদের কাছ থেকে অতীতে যে সহযোগিতা পাওয়া গেছে তা সবসময় স্মরণ রাখা হবে।”
এ সময় তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে বলেন, “তিনি সবসময় গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতেন। আজ আমাদের দুর্ভাগ্য, তিনি এই দিনে আমাদের মাঝে নেই। পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তার জন্য বেহেশত প্রার্থনা করছি।”
গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব বলেন, “সবাইকে এ বিশ্বাসে কাজ করতে হবে যে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করবে। সাংবাদিকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগ করা উচিত নয়।”
তিনি বলেন, “দেশের রাজনীতিতে বর্তমানে একটি নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। জনগণের সমর্থন ও আস্থার ভিত্তিতে একটি নতুন সরকার গঠনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার সুযোগ এসেছে।”
মির্জা ফখরুল আশা প্রকাশ করেন, “সংসদকে সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।”
সবশেষে তিনি বলেন, “আসুন আমরা সবাই যারা গণতন্ত্র, লিবারেল ডেমোক্রেসি ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি, তারা এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একটি সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক ও উদার রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করি।”
ঢাকা/আলী/সাইফ