ঢাকা     শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২ ||  আষাঢ় ১৭ ১৪২৯ ||  ০১ জিলহজ ১৪৪৩

দেশে থ্যালাসেমিয়া রোগ নিরাময়ে সফলতার দাবি চিকিৎসকদের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১১:৪৫, ১২ মে ২০২২   আপডেট: ১১:৫৫, ১২ মে ২০২২
দেশে থ্যালাসেমিয়া রোগ নিরাময়ে সফলতার দাবি চিকিৎসকদের

ছবি সংগৃহীত

চিকিৎসা ব্যবস্থার মাধ্যমে জন্মগত থ্যালাসেমিয়া রোগ নিরাময়ে প্রথম সফলতা এসেছে বলে দাবি করেছেন রাজধানীর বেসরকারি এভারকেয়ার হাসপাতালের একদল চিকিৎসক। তারা জানান, গত ৫ মে (বৃহস্পতিবার) শিহাব খন্দকার নামে ২১ মাস বয়সী এক শিশুর হ্যাপলো বোনমেরো ট্রান্সপ্লান্ট করার মাধ্যমে তারা এ সফলতা অর্জন করেছেন।

বুধবার (১১ মে) এভারকেয়ার হাসপাতালের এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ দাবি তুলে ধরেন।

সফলতা দাবি করা চিকিৎসকরা জানান, এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা হ্যাপলো ট্রান্সপ্লান্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিশুটির চিকিৎসা শেষ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

হাসপাতালের হেমাটোলজি ও স্টেম সেল ট্রান্সপ্লান্ট বিভাগের কো-অর্ডিনেটর, সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ বলেন, ‘নীরব ঘাতক থ্যালাসেমিয়ার একমাত্র চিকিৎসা হলো বোনমেরো ট্রান্সপ্লান্ট। কিন্তু ডোনারের অভাবে এটি করা খুবই দুষ্কর। থ্যালাসেমিয়া রোগীর পরিবার ছোট আকারের হওয়ায় ডোনার পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে মাত্র ১০ শতাংশ। তবে রোগটি চিকিৎসার বিকল্প পদ্ধতি হলো হ্যাপলো ট্রান্সপ্লান্ট (হাফ ম্যাচ ডোনার ট্রান্সপ্লান্ট)। এ পদ্ধতিতে পরিবারের যে কেউ (মা, বাবা, ভাই, বোন) ডোনার হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারেন।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘সাধারণত শিশুর দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সে হ্যাপলো ট্রান্সপ্লান্ট করতে হয়। অনেক সময় দুই বছরের আগেও করা যায়। আমরা দেশে প্রথমবারের মতো গত ৫ মে (বৃহস্পতিবার) ২১ মাস বয়সী এক শিশুর হ্যাপলো ট্রান্সপ্লান্ট সফলভাবে করেছি। বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্তদের জন্য এটি অনেক বড় সুখবর। এভারকেয়ার হাসপাতালের হাত ধরে থ্যালাসেমিয়া চিকিৎসা ব্যবস্থায় যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হলো।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, এভারকেয়ার হাসপাতালের এমডি ও সিইও ডা. রত্নদ্বিপ, মেডিক্যাল সার্ভিসেসের উপপরিচালক ডা. আরিফ মাহমুদ, চিফ মার্কেটিং অফিসার বিনয় কাউল এবং বোনমেরো ট্রান্সপ্লান্ট হওয়া শিশু শিহাবের স্বজনরা।

মেয়া/ মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়