ঢাকা     শনিবার   ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ২৪ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

সেচের জন্য রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:২৫, ২৩ আগস্ট ২০২২  
সেচের জন্য রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ

ফাইল ফটো

চলতি আমন মৌসুমে প্রয়োজনীয় সেচ নিশ্চিত করার জন্য রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম। সেচের জন্য নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রয়োজন হলে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা নিশ্চিত করবে।

মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে ‘আমন মৌসুমে প্রয়োজনীয় সেচ নিশ্চিতকরণে করণীয়’ শীর্ষক সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়েছে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি। 

সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়; পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিনিধি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ) বলাই কৃষ্ণ হাজরা, অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) রবীন্দ্রশী বড়ুয়া, বিএডিসির চেয়ারম্যান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা সংযুক্ত ছিলেন।

সভায় কৃষি সচিব বলেন, ‘এবার ৫৯ লাখ হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৪৭ লাখ হেক্টরে আবাদ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ৭০ শতাংশ ও সন্তোষজনক। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে লক্ষ্যমাত্রার ৯৮ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। এ মাসের মধ্যে যাতে লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ অর্জন করা যায় এবং রোপণের পর অন্তত ৩০ দিন যাতে সেচ নিশ্চিত করা যায়, সে লক্ষ্যে আলোচনা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করতে পারলে ক্ষতি পোষাতে পারব। আমরা কৃষকের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে খাদ্য নিরাপত্তা অক্ষুণ্ন রাখতে পারি।’

সভায় চলমান আমন মৌসুমে প্রয়োজনীয় সেচ নিশ্চিত করতে নিম্নরূপ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়—

•    সেচের সুবিধার্থে পানি উন্নয়ন বোর্ড তাদের বৃহৎ সেচ প্রকল্পগুলো চালু করেছে, অন্যগুলোও শিগগিরই চালু করবে।

•    উপজেলা সেচ কমিটি দ্রুত মিটিং করে সেচের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে এবং সে অনুযায়ী সেচের ব্যবস্থা করবে।

•    আমনে বাড়তি সেচের জন্য কৃষকদের অতিরিক্ত খরচের বিষয়ে নগদ সহায়তার বিষয়টি কৃষি মন্ত্রণালয় বিবেচনা করবে।

•    বৃষ্টির অভাবে যারা ধানের চারা উৎপাদন করতে পারেননি, তাদেরকে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে বিনামূল্যে চারা দেওয়া হবে।

আসাদ/রফিক

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়