ঢাকা     মঙ্গলবার   ০৩ মার্চ ২০২৬ ||  ফাল্গুন ১৮ ১৪৩২ || ১৪ রমজান ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

যোগ্য কমিশন আস‌বে, দুদকের জন‌্যও ভালো হবে: বিদায়ী চেয়ারম‌্যা‌নের প্রত‌্যাশা

বিশেষ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২০:১১, ৩ মার্চ ২০২৬   আপডেট: ২০:১২, ৩ মার্চ ২০২৬
যোগ্য কমিশন আস‌বে, দুদকের জন‌্যও ভালো হবে: বিদায়ী চেয়ারম‌্যা‌নের প্রত‌্যাশা

“বি‌শেষ কো‌নো কারণ নাই। আমরা অনুভব করেছি যে পরিবর্তনের পর নির্বাচিত যে সরকার এসেছে, তাদেরও প্রত্যাশা রয়েছে। সরকার সেই প্রত্যাশা পূরণের জন্য নিশ্চয়ই আমাদের চেয়ে অধিকতর যোগ্য কমিশন এখানে নি‌য়োগ দে‌বেন।এতে দুদকের জন‌্য যেমন ভালো হবে, রাষ্ট্রেরও উপকার হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুদক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এসব কথা ব‌লেন।

আরো পড়ুন:

সংবাদ সম্মেলনে বিদায়ী দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দি‌য়ে   পদত্যাগ করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী এবং হাফিজ আহসান ফরিদ।

বিদায়ী দুদক চেয়ারম্যান বলেন, “নতুন সরকারের প্রত্যাশা আছে, যে কারণে তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে সহযোগী হিসেবে আমরা পদত্যাগ করেছি। নির্বাচিত সরকার আসার ১৪তম দিনে আমরা পদত্যাগ করলাম। এর বিশেষ কোনো কারণ নেই। নতুন সরকারের সময় যে অংশটুকু কাজ করতে পেরেছি, সেজন্য আমরা সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ।”

দুদকের ‘নখ-দাঁত’ থাকা না-থাকা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এটা বিচার করার মালিক আপনারা। আমাদের এতদিন নখ-দাঁত ছিল কি ছিল না, তা আপনারা ভালো বুঝতে পারবেন। আমরা আমাদের সময়টুকুতে দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করেছি।”

রাজনৈতিক প্রভাবে দুদক চলবে কি না–এমন প্রশ্নে বিদায়ী চেয়ারম্যান বলেন, “সরকারের নিজস্ব ইশতেহার ও প্রত্যাশা থাকে। সরকার সেই অনুযায়ী কাজ করবে, এতে আমি ব্যত্যয় কিছু দেখছি না। আমরাও অনুভব করছি যে এখন আমাদের চেয়ে অধিকতর যোগ্য লোকের কাজ করা প্রয়োজন।”

দুদক আইন অনুযায়ী, কমিশনের চেয়ারম্যান বা কমিশনাররা ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন। সাধারণত এক মাস আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাধ্যমে এই চিঠি পাঠাতে হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর তা কার্যকর হয়।

ড. মোমেন ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর পাঁচ বছরের মেয়াদে দুদক চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান। এর আগে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব ছিলেন। তার সঙ্গেই কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়া মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ১১ ডিসেম্বর এবং হাফিজ আহসান ফরিদ ১৫ ডিসেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।

ঢাকা/নঈমুদ্দীন/সাইফ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়