ঢাকা     শুক্রবার   ১৯ জুলাই ২০২৪ ||  শ্রাবণ ৪ ১৪৩১

ডিজিটাল ব্যাংকিং এবং ক্যাশলেস বাংলাদেশ

রিয়াজুল হক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৪:২০, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩  
ডিজিটাল ব্যাংকিং এবং ক্যাশলেস বাংলাদেশ

প্রতিযোগিতার এই যুগে প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক সেবার বিকল্প নেই। সকল শ্রেণী-পেশার সাধারণ মানুষকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সেবার আওতায় আনার নানারকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে এবং এর সুফল দেশের মানুষ সবাই পাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে ‘ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপন বিষয়ক গাইডলাইন্স’ চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে, যার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের লক্ষ্য ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে সহায়ক ভূমিকা পালন করা।

প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে ডিজিটাল ব্যাংকিং কী? সহজ কথায়, কোন কাগজপত্র ছাড়াই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে যে ব্যাংকিং করা হয় তাকেই ডিজিটাল ব্যাংকিং বলা হয়। অর্থাৎ অনলাইনের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার সহজলভ্যতা। মোবাইল বা অ্যাপ ব্যবহার করে গ্রাহকরা এই ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন। তাদের সশরীরে কোথাও যেতে হবে না। প্রযুক্তিনির্ভর সেবা হওয়ায় এসব ব্যাংকের কোনো কোনো সেবা দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টাই পাওয়া যাবে।

উন্নত বিশ্বের সাথে পাল্লা দিয়ে এটি আমাদের এগিয়ে যাওয়ার আরেক ধাপ যে, দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য নীতিমালা অনুমোদন করেছে। উক্ত নীতিমালায় ডিজিটাল ব্যাংকের প্রকৃতি ও পরিশোধিত মূলধনের বিষয়ে বলা হয়েছে যে, ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ এর ধারা ৩১ এর আওতায় প্রতিটি ডিজিটাল ব্যাংককে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে এবং পরিশোধ সেবা পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস রেগুলেশন, ২০১৪ এর বিধানাবলী অনুসরণীয় হবে। প্রস্তাবিত ডিজিটাল ব্যাংকের ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হবে ১২৫ কোটি টাকা অথবা ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ধারা ১৩ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত পরিমাণ। এই ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন কেবল সাধারণ শেয়ার দ্বারা সৃষ্ট হবে।

মূলধন প্রদানের পদ্ধতি এবং স্পন্সরগণের শেয়ার মূলধনের বিষয়ে নীতিমালায় বলা হয়েছে, উদ্যোক্তা পরিচালক বা স্পন্সর শেয়ার হোল্ডারের মূলধন নগদে পরিশোধিত হতে হবে। তাছাড়া উক্ত মূলধন দায়হীন হবে, যা কোনো স্থানীয় তালিকাভুক্ত ব্যাংকে আবেদনকারীর ব্যাংক হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। এ মূলধন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক যাচাইয়ের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে লিয়েনকৃত থাকবে। প্রস্তাবিত ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিক ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন আবেদনকারী/ উদ্যোক্তা/ স্পন্সরগণ সরবরাহ করবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক হতে লাইসেন্স প্রাপ্তির ৫ (পাঁচ) বছরের মধ্যে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে মূলধন বাজারে তালিকাভুক্ত হবে; তবে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের পরিমাণ স্পন্সরগণের সরবরাহকৃত প্রাথমিক মূলধনের তুলনায় কম হবে না। প্রত্যেক স্পন্সরের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের পরিমাণ হবে ৫০ (পঞ্চাশ) লাখ টাকা। পরিশোধিত মূলধনে স্পন্সরগণের অংশ কর কর্তৃপক্ষের নিকট ঘোষিত নীট সম্পদে প্রদর্শিত হতে হবে। কোন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, অন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, এমনকি পরিবারের কোন সদস্যের নিকট হতে ধার, কর্জ, ঋণ বা অগ্রিম গ্রহণের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ হতে স্পন্সরগণ কর্তৃক পরিশোধিত মূলধনে অংশগ্রহণ গ্রহণযোগ্য হবে না। কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বর্তমান ঋণ খেলাপী কোন প্রতিষ্ঠান, কোম্পানী, ব্যক্তি বা তার পরিবারের কোন সদস্য স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার হিসেবে আবেদন করার যোগ্য হবেন না। কোন প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি বা ব্যক্তির ঋণ খেলাপী সংক্রান্ত অবস্থা কোন মহামান্য আদালত বা ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন থাকলে বা এতদ্বিষয়ক কোন রায় অপেক্ষমান থাকলে তিনি স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার হিসেবে আবেদন করার যোগ্য হবেন না। উদ্যোক্তাগণের শেয়ার ব্যাংক ব্যবসায় আরম্ভের ৫ (পাঁচ) বছরের মধ্যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন ব্যতীত, হস্তান্তর করতে পারবেন না। তবে ব্যাংক ব্যবসায় আরম্ভের ৩ (তিন) বছরের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক উদ্যোক্তাগণের শেয়ার হস্তান্তরের অনুমোদন প্রদান করবে না।

নীতিমালায় ডিজিটাল ব্যাংকের অপারেশনাল ফ্রেমওয়ার্ক বা পরিচালনগত কাঠামোতে উল্লেখ করা হয়েছে-বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাসমূহসহ সকল স্টেকহোল্ডারগণের যোগাযোগ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করার জন্য ডিজিটাল ব্যাংকের নিবন্ধিত প্রধান কার্যালয় বাংলাদেশে অবস্থিত হবে। নিবন্ধিত প্রধান কার্যালয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা ও সাপোর্ট স্টাফদের দপ্তর হবে। এটি সশরীরে বা ডিজিটাল পদ্ধতিতে গ্রাহকদের অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির কেন্দ্রীয় দপ্তর হিসেবেও কাজ করবে। দৈনন্দিন লেনদেনের তবররাধ নিষ্পত্তির জন্য, গ্রাহক অবহিত করুক বা না করুক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিনির্ভর একটি স্বয়ংক্রিয় বিবাদ মীমাংসা ব্যবস্থা সর্বদা সক্রিয় থাকবে। ব্যয় সাশ্রয়ী ও উদ্ভাবনীমূলক ডিজিটাল আর্থিক পণ্য ও সেবা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিকট সহজলভ্য করার মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রমকে আরো সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে অনলাইন প্রযুক্তিনির্ভর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, ব্লকচেইন এবং চতুর্থ শিল্প-বিপ্লবের অন্যান্য অগ্রসরমান প্রযুক্তি ব্যবহার করবে। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময় সময় জারিকৃত নির্দেশনা পরিপালন সাপেক্ষে ব্যাংক তার নিজস্ব এজেন্টের পরিবর্তে অন্যান্য প্রচলিত ব্যাংক বা এমএফএস এজেন্ট, বিদ্যমান এটিএম/ সিডিএম/ সিআরএম নেটওয়ার্ক, এমএফএস নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারবে। সরাসরি কাউন্টারে গ্রাহকদের কোন সেবা প্রদান করবে না এবং ব্যাংকটির কোন শাখা, উপশাখা, উইন্ডো, এজেন্ট বা নিজস্ব কোন এটিএম/ সিডিএম/ সিআরএম ইত্যাদি থাকবে না। গ্রাহকদের লেনদেন সহজতর করার জন্য ভার্চুয়াল কার্ড, ছজ কোড বা অন্য কোন অগ্রসরমান প্রযুক্তিনির্ভর পণ্য ইস্যু করতে পারবে। লেনদেনের জন্য কোন প্রকার স্পর্শযোগ্য ইন্সট্রুমেন্ট ইস্যু করতে পারবে না। ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন্স এ্যাক্ট, ১৯৪৭ এর আওতায় পৃথক অথরাইজড্ ডিলার লাইসেন্স গ্রহণপূর্বক সংগতিপূর্ণ ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষণের শর্তে বিদ্যমান রেগুলেটরি ফ্রেমওয়ার্ক পরিপালন সাপেক্ষে, ফরেন ট্রেড ও গ্যারান্টি সার্ভিস ব্যতীত, সাধারণ প্রাধিকারভুক্ত অন্তর্মুখী রেমিট্যান্স গ্রহণ, বহির্মুখী রেমিট্যান্স প্রেরণ, এবং উপযুক্ত এফসি হিসাব পরিচালনা করতে পারবে।

বৈদেশিক বাণিজ্য ঋণ এবং মাঝারি ও বৃহৎ শিল্পে মেয়াদী ঋণ ব্যতীত অন্যান্য খাতে অর্থায়ন বা ঋণ প্রদান করতে পারবে। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময় সময় প্রদত্ত রি/প্রি-ফাইন্যান্স স্কীমে অংশগ্রহণ করতে পারবে। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্দেশিত অগ্রিম-আমানত হার বজায় রাখতে হবে। ব্যাসেল-৩ আরবিসিএ গাইডলাইন্স অনুসারে অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ঝুঁকি-ভারিত সম্পদের হারের বিপরীতে মূলধন অনুপাত ও তারল্য অনুপাতসমূহ সংরক্ষণ করতে হবে। ব্যাংক ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স এ্যাক্ট, ২০০০ এর অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স স্কীমের জন্য অনুসরণীয় কার্যক্রমের আওতায় পরিপালনীয় হতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্পোরেট স্যোশাল রেসপনসিবিলিটি পলিসি অথবা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এ বিষয়ে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুযায়ী সিএসআর কার্যক্রম নিয়োজিত হতে হবে। আর্থিক পণ্য ও সেবার বিষয়ে গ্রাহক ও সম্ভাব্য গ্রাহকদের অবহিত করবে এবং উক্ত পণ্য ও সেবার যথোপযুক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত কররব। অপারেশনাল পদ্ধতির বিষয়ে তার গ্রাহকদের সচেতন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। ব্যাংকার বহি সাক্ষ্য আইন, ২০২১ এবং তথ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন ও রেগুলেশন পরিপালন নিশ্চিত করবে। বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালিত পেমেন্ট প্লাটফর্মসমূহের সদস্য হবে এবং বাংলাদেশ পেমেন্ট এন্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস্ রেগুলেশন, ২০১৪ এর সকল নির্দেশনা পরিপালন নিশ্চিত করবে। ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে অস্থাবর সম্পত্তি জামানত রেজিস্ট্রিতে অন্তর্ভুক্ত সম্পত্তি গ্রাহকের সহায়ক জামানত হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে। বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশিত অন্য সকল প্রকার প্রুডেনসিয়াল রেগুলেশন অবশ্যই পরিপালন করবে।

এ ছাড়া স্পন্সরগণের যোগ্যতা ও উপযুক্ততা, পরিচালনা পর্ষদ গঠন, ম্যানেজমেন্টের ফিট এবং প্রোপার টেস্ট, অপারেশনাল ফ্রেমওয়ার্ক বা পরিচালনাগত কাঠামো, আইসিটি গর্ভনেন্স ফ্রেমওয়ার্ক, গ্রাহক সম্পর্কিত বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপন বিষয়ক নীতিমালায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। মোটকথা ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে ডিজিটাল ব্যাংক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সাধারণ মানুষ অল্প সময়ের ব্যবধানে এর সুফল ভোগ করতে পারবে। নগদ টাকা বহনের ঝুঁকি হ্রাস পাবে, আর নগদ টাকা হাতে কম থাকার কারণে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের ব্যাপকতা আরও বৃদ্ধি পাবে। সবশেষে একটা ঘটনা দিয়ে লেখাটা শেষ করব। 

২০১৭ সালের শেষের দিকের ঘটনা। এক পরিচিত বয়স্ক ভদ্রমহিলা ফোন দিয়েছেন। কিছুদিন আগে উনার সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং পুনরায় কিনতে চান। ‍কিন্তু সঞ্চয়পত্রের কেনার জন্য উনাকে চেকের মাধ্যমে টাকা জমা দিতে বলা হয়েছে  এবং মুনাফার টাকা তার ব্যাংক হিসাবে সরাসরি চলে যাবে, এই বিষয়ে পরিষ্কার হবার জন্যই তিনি মূলত আমাকে ফোন দিয়েছেন। তাকে যখন বললাম, এখন আপনাকে নগদ টাকা বহন করে সঞ্চয়পত্র কিনতে যেতে হবে না, তিনি বিষয়টি বুঝলেন। এরপর যখন বললাম, আগে তো মুনাফার টাকা তোলার জন্য ব্যাংকে লাইনে দাঁড়াতে হতো। এখন সেটাও করতে হবে না। প্রতি মাসের শেষে আপনি যে চেক দিয়ে সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য টাকা জমা দিয়েছিলেন, সেই হিসাবেই অটোমেটিক মুনাফার টাকা চলে যাবে। তিনি খুব খুশি হলেন। কারণ বয়স হয়ে গেছে। দীর্ঘসময় ভীড়ের মধ্যে অপেক্ষা করা তার জন্য কষ্টকর। 

এরপর তিনি প্রশ্ন করলেন, যখন ৫ বছর হয়ে যাবে, তখন মূল টাকা কিভাবে পাবো? বললাম, সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ যখন শেষ হবে যাবে, তখন মূল টাকাও আপনার একই ব্যাংক হিসাবে (যে হিসাবে মুনাফা জমা হতো) জমা হয়ে যাবে। আপনাকে কিছুই করতে হবে না। ভদ্রমহিলা ভীষণ খুশি হলেন কারণ নগদ টাকা বহন করা নানাকারণে ঝামেলার হয়ে থাকে। সেই থেকে শুরু হওয়া ইএফটি সেবার কারণে এখন সঞ্চয়পত্রের কাউন্টারগুলো খালিই পরে থাকে। কারণ নিয়মিত মুনাফা পেতে কিংবা মেয়াদ শেষে মূল সঞ্চয়পত্রের টাকা পেতে আর লাইনে দাঁড়াতে হয়না। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে শুরু হওয়া ইএফটি সেবা এখন সব ব্যাংকেই চালু হয়েছে। এই সুবিধা এখন সবাই উপভোগ করছে। ব্যাংকারদের উপর চাপ কমেছে, আর সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীরা তো মহাখুশি। কারণ এখন তারা শুধু মোবাইলে মেসেজ চেক করে থাকে এবং লক্ষ্য রাখে টাকা ব্যাংক হিসেবে এসেছে কিনা। একইভাবে ডিজিটাল ব্যাংক চালুর ব্যাপারে যে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, তার সুফলও পেতে আপামর জনগণ সবাই পাবে। তখন খরচের জন্য টাকা তুলতেও ব্যাংকে যেতে হবে না। মোবাইল বা অ্যাপের মাধ্যমেই সকল লেনদেন করা যাবে।

লেখক : রিয়াজুল হক, অর্থনৈতিক বিশ্লেষক এবং যুগ্ম পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক
 
 

তারা//

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়