বাংলাদেশের সেই বিশ্বরেকর্ড এখন ইংল্যান্ডেরও
স্কট বোল্যান্ডের অবিশ্বাস্য এক বোলিং স্পেলে লণ্ডভণ্ড ইংল্যান্ড। মাত্র ৬৮ রানে অলআউট হয়ে বক্সিং ডে টেস্ট হেরেছে তারা ইনিংস ও ১৪ রানে। মাত্র ২১ বলে অস্ট্রেলিয়ান পেসারের শিকার তাদের ৬ ব্যাটসম্যান। পাঁচ ম্যাচের অ্যাশেজ অস্ট্রেলিয়া জিতে যায় ৩-০ ব্যবধানে।
চলতি বছরে ইংল্যান্ডের আরেকটি টেস্ট হার। সব মিলিয়ে ২০২১ সালে ৯ টেস্ট হার জো রুটের দলের। তাতে এক বছরে সবচেয়ে বেশি টেস্ট হারের রেকর্ডে যৌথভাবে বাংলাদেশের পাশে নাম লেখাল ইংল্যান্ড। ২০০৩ সালে বাংলাদেশও ৯ টেস্ট হেরেছিল। বাংলাদেশ সেবার ৯ টেস্ট খেলে সবকটি হেরেছিল। এবার ইংল্যান্ড ১৫ টেস্ট খেলে হেরেছে ৯ ম্যাচ।
১৯৯৩ সালের পর টেস্ট ক্রিকেটে এত বাজে সময় কাটাল ইংল্যান্ড। ওইবার ১০ টেস্টে ৮টি হেরেছিল ইংলিশরা। তার আগে ১৯৮৪ ও ১৯৮৬ সালেও সমানসংখ্যক টেস্ট হেরেছিল ক্রিকেটের জনকরা। ইংল্যান্ডের ৮ টেস্ট হারের রেকর্ড আছে আরো একটি। ২০১৬ সালে ১৭ ম্যাচে ৮ বার তারা হেরেছিল।
শ্রীলঙ্কার মাটিতে জয় দিয়ে এই বছর শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। দুই ম্যাচের সিরিজ জিতে যায় ২-০ ব্যবধানে। এরপর ভারতের চেন্নাইতেও বিজয়ের পতাকা উড়ায় রুটের দল। কিন্তু এরপরই ছন্দপতন। টানা তিন টেস্ট হার।
ঘরের মাঠে নিউ জিল্যান্ডকে আতিথেয়তা দিয়েছিল। প্রথম টেস্ট লর্ডসে ড্র করলেও দ্বিতীয় ম্যাচ হেরে যায়। এরপর ভারতের বিপক্ষে আবার সিরিজ হার ২-১ ব্যবধানে। বছরের শেষটা হলো তিন ম্যাচ হেরে।
ব্রিসবেন ও অ্যাডিলেডের পর এমসিজিতে স্রেফ উড়ে গেল ইংলিশরা। মাত্র ১০৮৪ বলেই শেষ হয়ে গেল বক্সিং ডে টেস্ট, ৭০ বছরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত টেস্ট। অ্যাশেজও নিশ্চিত হয়ে গেল স্বাগতিকদের।
ঢাকা/ইয়াসিন
সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তি বা সত্তার কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করা সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে জাতীয় সংসদ