ব্রাকসু তফসিল চালুতে বিলম্ব, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
বেরোবি প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদ (ব্রাকসু) নির্বাচন ঘিরে প্রশাসনের ‘প্রতারণা ও হটকারিতা’র অভিযোগ তুলে তফসিল সচলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তারা আগামী তিন দিনের মধ্যে ব্রাকসুর তফসিল পুনরায় চালুর আল্টিমেটাম দেন।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শামসুর রহমান সুমন বলেন, “বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জর্জরিত এ প্রতিষ্ঠান। এসব সমস্যা সমাধান, উন্নয়ন বৈষম্য দূর করা এবং বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করতে একটি কার্যকর শিক্ষার্থী সংসদের বিকল্প নেই।”
তিনি আরো বলেন, “২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী সংসদ প্রতিষ্ঠার দাবি আরো জোরালো হয়। এই দাবিতে শিক্ষার্থীরা স্মারকলিপি প্রদান, বিক্ষোভ, সভা-সেমিনার এমনকি মৃত্যুমুখী অনশন কর্মসূচিও পালন করেছেন।”
সুমনের অভিযোগ, “বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে কেন্দ্রীয় ও হল শিক্ষার্থী সংসদের বিধান থাকলেও এখনো নির্বাচন আয়োজন করা হয়নি। বরং নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে নানা কৌশল নেওয়া হয়েছে।” এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠনে বিলম্ব, বারবার কমিশনের পদত্যাগ, হঠাৎ তফসিল স্থগিত এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে দীর্ঘসূত্রতা উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, “অনেক শিক্ষার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ, ডোপ টেস্ট সম্পন্ন এবং প্রচারণায় অংশ নিয়ে ইতোমধ্যে অর্থ ও শ্রম ব্যয় করেছেন। হঠাৎ তফসিল স্থগিত করায় প্রশাসনের ভূমিকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে এবং তারা নিজেদের অধিকার আদায়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”
ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান বলেন, “আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ব্রাকসুর তফসিল পুনরায় চালু করে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করতে হবে। অন্যথায়, আল্টিমেটাম শেষ হলে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি এবং প্রশাসনিক ভবনে তালা দেওয়ার মতো কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে।”
নিজেদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষার্থীদের যুক্ত হওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকা/সাজ্জাদ/জান্নাত
সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তি বা সত্তার কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করা সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে জাতীয় সংসদ