Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     সোমবার   ০৬ ডিসেম্বর ২০২১ ||  অগ্রহায়ণ ২২ ১৪২৮ ||  ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

সাতক্ষীরার গাবুরায় বেড়িবাঁধ ভেঙে ২টি গ্রাম প্লাবিত 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২০:৫৪, ২০ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১০:৩৯, ২৫ আগস্ট ২০২০
সাতক্ষীরার গাবুরায় বেড়িবাঁধ ভেঙে ২টি গ্রাম প্লাবিত 

সাতক্ষীরার উপকূলীয় উপজেলা শ্যামনগরের দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরায় বেড়িবাঁধ ভেঙে দুটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে কপোতাক্ষ নদের প্রবল জোয়ারের চাপে গাবুরা ইউনিয়নের লেবুবুনিয়া গ্রামের ছয় স্থানে বাঁধ ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের ও বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী সুধায়শ কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, গত ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে একই স্থানে ভেঙে যায়। তখন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলমের নেতৃত্বে এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে রিংবাঁধ দিয়ে কোনো রকমে বেড়িবাঁধটি টিকিয়ে রাখে। কিন্তু দুপুরে প্রবল জোয়ারে তা আবারও ভেঙে গেছে। 

তারা জানান, এখনই যদি বেড়িবাঁধ সংস্কার করা না হয়, তাহলে পরবর্তী জোয়ারে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হবে। 

ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত লেবুবুনিয়ার এই বেড়িবাঁধটি সংস্কারের জন্য সরকার সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দিয়েছে। কিন্তু তারা এখনো কাজ শুরু করেনি। এরই মধ্যে রিংবাঁধটি ভেঙে আবার লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। 

তিনি বলেন, দ্রুত বেড়িবাঁধ সংস্কার করা সম্ভব না হলে গোটা গাবুরা ইউনিয়ন প্লাবিত হবে। 

নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের জানান, বেড়িবাঁধ মেরামত করতে ইতোমধ্যে লেবুবুনিয়ায় বালুর বস্তা পাঠানো হয়েছে। ভাটায় বাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে। 

তিনি জানান, এখন বর্ষাকাল চলছে। এ সময় নদীতে পানি বেশি থাকার কারণে সেনাবাহিনী কাজ শুরু করতে পারেনি। শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই সেখানে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে কাজ শুরু করবেন তারা।  

এদিকে, আশাশুনি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসিম বরণ চক্রবর্তী জানান, তার উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের হিজলিয়া ও কোলা এবং সদর ইউনিয়নের দয়ারঘাট এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত রিংবাঁধ ভেঙে ৪/৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। 

নির্বাহী প্রকৌশলী সুধায়শ কুমার সরকার জানান, তিনি অশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছেন। পরিদর্শন শেষ না করে কিছু বলতে পারছেন না। 

শাহীন/বকুল 

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়