Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     শনিবার   ২৪ জুলাই ২০২১ ||  শ্রাবণ ৯ ১৪২৮ ||  ১২ জিলহজ ১৪৪২

কোথায় আছে বাবুল আক্তারের ২ সন্তান

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৮:৫১, ১৪ জুন ২০২১   আপডেট: ০৮:৫৮, ১৪ জুন ২০২১
কোথায় আছে বাবুল আক্তারের ২ সন্তান

পাঁচ বছর আগে ৭ বছর বয়সী ছেলে আখতার মাহমুদ মাহিরের সামনেই খুন হন সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু।

সেই মাহিরের বয়স এখন ১২ বছর। ৫ বছর পরে এসে মায়ের খুনের পরিকল্পনাকারী হিসেবে কারাবন্দি হয়েছেন বাবা বাবুল আক্তার। মায়ের মৃত্যুর পর ৫ বছর ধরে তারা বাবার সঙ্গে থাকলেও বাবা কারাগারে যাওয়ার পর ছেলে মাহির এবং মেয়ে টাপুর এখন কোথায় আছে বলতে পারছে না পুলিশও।

বিশেষ করে মায়ের হত্যাকাণ্ডের সময় পাশে থাকায় মাহিরকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনে বেশ কয়েকবার অনুসন্ধান চালিয়েও বাবুল আক্তারের দুই সন্তানের অবস্থান নিশ্চিত হতে পারেনি।

সোমবার (১৪ জুন) সকালে মিতু হত্যাকাণ্ডের তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) বিষয়টি জানিয়েছে।

পিবিআই পুলিশের ধারণা, বাবুল আক্তারের বাবা বা পরিবার দুই সন্তানকে অজ্ঞাতস্থানে লুকিয়ে রেখেছেন। এই অবস্থায় পিবিআই আদালতে আবেদন জানালে আদালত বাবুল আক্তারের দুই সন্তানকে ১৫ দিনের মধ্যে পিবিআই দপ্তরে হাজির করার জন্য বাবুল আক্তারের বাবা ও ভাইকে নির্দেশ প্রদান করেন।

মিতু হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের পরিদর্শক সন্তোষ চাকমা জানান, সেই সময়ে ৭ বছর বয়সী ছেলে মাহিরকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময়ই খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। তাই এই মামলায় মাহির অন্যতম এবং গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী। তদন্তের জন‌্য বাবুল আক্তারের ছেলে মাহির ও টাপুরের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু বেশ কয়েকদিন ধরে চেষ্ঠা করেও তাদের অবস্থান জানা যায়নি।

বাবুল আক্তারের বাবা ও পরিবার এ ব্যাপারে কোন সহযোগিতা করছেন না। এর প্রেক্ষিতে বাবুল আক্তারের দুই সন্তানকে হাজির করতে আদালতে আবেদন জানানো হয়। গতকাল রোববার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমান দুই সন্তানকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পিবিআই দপ্তরে হাজির করতে বাবুল আক্তারের বাবা ও ভাইকে নির্দেশ প্রদান করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ঘাতকের হাতে খুন হন সাবেক আলোচিত পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। ৫ বছর পর জানা যায় এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য নায়ক বাবুল আক্তার নিজেই।

পরবর্তীকে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে নতুন হত্যা মামলা দায়ের করেন মিতুর বাবা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন।

চট্টগ্রাম/রেজাউল/বুলাকী

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়